somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

অনল চৌধুরী
সাহসী সত্য।এই নষ্ট দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকারী একজন যোদ্ধা।বাংলাদেশে পর্বত আরোহণের পথিকৃত।

জাতীয় বাজেটে যা প্রত্যাশা থাকবে

২০ শে মে, ২০২১ ভোর ৪:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



একটা দেশের জাতীয় বাজেট শুধু সেই দেশের এক বছরের আয়-ব্যায়ের হিসাবই না, বরং দেশটির জনগণের জীবন-যাত্রার ব্যয়, উন্নয়ণের অবকাঠামো নির্মাণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার সাথে স্থানীয় মুদ্রার মূল্যমান নির্ধারক বিবরণী।

একটা কল্যাণমুখী সরকার প্রণীত বাজেটের উদ্দেশ্য কোনোভাবেই দেশের জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি বা তাদের উপর করের বোঝা চাপিয়ে দেয়া না। এর মূল উদ্দেশ্য জনগণের জীবনযাত্রার মান-উন্নয়ণ ও স্থায়ী উন্নয়ণের ভিত্তি নির্মাণ, সেইসঙ্গে দেশকে স্বনির্ভর করে তোলার উদ্যোগ নেয়া।

শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রতিটি সরকার প্রদত্ত বাজেটে দেখা যায়, তাদের বাজেটে সর্বোচ্চ ব্যয় বরাদ্দ ছিল শিক্ষা খাতে। কিন্তু তারপরও গত ১৫ বছরেও এদেশের স্বাক্ষরতার হার ৫০% ভাগ অতিক্রম করতে পারেনি। এর মূল কারণ হচ্ছে অন্যান্য খাতের মতো শিক্ষাখাতেও ব্যাপক দুর্নীতি। জাতীয় উন্নয়ণের কথা বিবেচনা করে এবারও শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ ব্যয় বরাদ্দ করা হবে বলে আশা করা যায়। তবে উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিগ্রী পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়ার সুযোগের মতো অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত বাতিল করা প্রয়োজন। কারণ একটা দেশের শিক্ষানীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টি, চাকরীর স্বল্পতার এই দেশে উচ্চ মাধ্যমিক বা ডিগ্রী পাস শিক্ষিত বেকার তৈরী না। এর পরিবর্তে কারিগরি শিক্ষার প্রতি বেশী গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।

প্রতিবছরই শিক্ষাখাতের পরই সামরিক খাতে সর্বোচ্চ ব্যয় বরাদ্দ দেয়া হয়। তবে বাংলাদেশ যেহেতু এই মুহুর্তে অন্য কোন রাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধে জড়িত না বা হওয়ারও সম্ভাবনা নাই, তাই প্রতিরক্ষা খাতে অধিক অর্থ বরাদ্দ না দেয়াই যুক্তিসঙ্গত হবে। একইসঙ্গে সামরিক বাহিনীর একটি অংশকে তাদের উন্নত প্রযুক্তি ও দক্ষতা ব্যবহার করে ফসল উৎপাদন, সড়ক ও সেতু নির্মাণে সহায়তা প্রদানের জন্য ব্যবহার করা হলে দেশের অর্থনীতি আরো সমৃদ্ধ হবে। তারা ইতিমধ্যেই কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক এবং বছরের অধিকাংশ সময়ে পানিতে ডুবে থাকা ভবদহের জলাভূমি অঞ্চলে ফসল উৎপাদন করে উৎপাদনশীল কর্মকান্ডে তাদের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি জনগণের জীবন-যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ। এ ব্যাপারটা বিবেচনায় রেখে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, গম, পিয়াজ ইত্যাদি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য আমদানীর উপর থেকে শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা প্রয়োজন। দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে আমদানী না হওয়ায় অবাধ আমদানীর মাধ্যমেই এসব পণ্যের মূল্য হ্রাস করা সম্ভব।

সম্প্রতি জ্বালানী তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন ব্যয় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ব্যয় যাতে আরো না বাড়ে, সেজন্য সর্বপ্রকার যানবাহন যেমন বাস, মিনিবাস, ট্যাক্সি ও সিএনজি চালিত তিন চাকার স্কুটার, আমদানীর উপর সর্বনীম্ন শুল্ক ধার্য করা প্রয়োজন। একই সাথে ভাড়া হ্রাসের উদ্দেশ্যে পেট্রল ও ডিজেলচালিত সকল যানবাহন সিএনজিতে রূপান্তরের মহাপরিকল্পনা নিয়ে বাজেটে অর্থ বরাদ্দ রাখা দরকার।

এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। কৃষি হচ্ছে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। তাই কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়ণের জন্য বীজ, সার ও কীটনাশকের উপর ভতূর্কি এবং কৃষি গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ বাজেটে থাকবে বলে আশা করা যায়।

ব্যাপক শিল্পায়ণ ছাড়া একটা দেশের স্থায়ী উন্নয়ণ সম্ভব না। জাপান, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর থেকে শুরু করে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড - প্রতিটা দেশই এর প্রমাণ। ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প স্থাপনের মাধ্যমে কখনোই দারিদ্র বিমোচন করা সম্ভব না। তাই শিক্ষা ও কৃষিখাতের মতো শিল্পের উন্নয়ণেও গুরুত্ব দিতে হবে। বাংলাদেশে প্রতিবছর বাস, ট্রাক, ট্যাক্সিসহ বিভিন্ন যানবাহন এবং ফ্রিজ, এসি, মোবাইল ফোন, অডিও ও ভিডিও সিডি এবং ডিভিডি প্লেয়ার, কম্পিউটার, ওয়াশিং মেশিন - ইত্যাদি বৈদ্যুতিক সামগ্রীর চাহিদা ও ব্যবহার বাড়ছে। প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এসব পণ্য বিদেশ থেকে আমদানী করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ‘প্রগতি' নামে দেশী একটি সংস্থার তৈরী উন্নতমানের বাস ও জিপগাড়ি এদেশে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত হতো। সরকারী পৃষ্টপোষকতা পেলে সংস্থাটা টয়োটা, মিতশুবিশি, হিনো, ভলভো ও টাটার মতো বিশ্বের অন্যতম যানবাহন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতো। কিন্তু সম্প্রসারণের পরিবর্তে ব্যক্তিবিশেষের আমদানী বাণিজ্য টিকিয়ে রাখার স্বার্থে এই সংস্থাকে বন্ধ করা হয়েছে। আসন্ন জাতীয় বাজেটে ‘প্রগতি'কে পুনরায় সচল করার জন্য সরকারী উদ্যোগ থাকা প্রয়োজন। মাত্র কয়েকবছর আগেও বাংলাদেশের চেয়ে দরিদ্র দেশ থাইল্যান্ডে উৎপাদিত ফ্রিজ, এসি এদেশে রপ্তানী করা হচ্ছে। বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং ব্যাপক জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বাজেটে আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশে যানবাহন, ফ্রিজ, এসি, মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ভিসিডি ও ডিভিডি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নির্মাণের উদ্যোগ থাকা দরকার। একইভাবে নারায়ণগঞ্জ ও পতেঙ্গার জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারী সহায়তা পেলে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারে।

বিগত বিএনপি সরকারের শাসনকালে দেশে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎও উৎপাদিত হয়নি। বরং এই খাত থেকে ২০,০০০ কোটি টাকা চুরি করা হয়েছে বলে পত্রিকার খবরে প্রকাশ। এরই ফলশ্রুতিতে বর্তমানের বিদ্যুৎ ঘাটতি। এই ঘাটতি রোধের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ একটা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তাই বিদ্যুৎ ঘাটতি রোধে ভ্রাম্যমান ‘বার্জ মাউন্টেড' বিদ্যুৎ কেদ্র আমদানী এবং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ঘাটতি রোধ করা সম্ভব। এছাড়া নদী ও সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলগুলোতে হল্যান্ডের মতো বায়ুকলের ( Wind mill )- এর সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। আসন্ন বাজেটে এ ব্যাপারে অর্থ বরাদ্দ থাকা প্রয়োজন।

বিগত সরকারগুলো যতো কৌশলে এদেশের জনগণকে শোষণ করতো, তার মধ্যে একটা হচ্ছে অতিরিক্ত করের বোঝা। জনগণের আয় বৃদ্ধির ব্যবস্থা না করেই বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস এমনকি টেলিফোন বিলও প্রতিবছর এক বা একাধিকবার বাড়ানো হতো। এসব খাতে পর্যাপ্ত সেবাও দেয়া হতোনা। আসন্ন বাজেটে এসব খাতে বিলের পরিমান বৃদ্ধি না করে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে করদাতাদের তালিকা করে আরো অধিকসংখ্যক ব্যক্তিকে করের আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন। একই সাথে বিল ফাকি দেয়া এবং বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাসের মিটার রিডারদের দুর্নীতি রোধ করা গেলে সরকারের রাজস্ব আদায় বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।

এছাড়াও টিএন্ডটি থেকে টিএন্ডটি লোকাল কলের ক্ষেত্রে মাল্টিমিটারিং পদ্ধতি চালু করা বিশেষভাবে প্রয়োজন। এর ফলে লাভবান হচ্ছে মোবাইল প্রতিষ্ঠানগুলো এবং ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে টিএন্ডটি।

‘মুক্তবাজার' একটা শব্দ প্রচলিত থাকলেও পৃথিবীর কোনো দেশেরই আমদানী নীতি অবাধ না। প্রতিটা দেশই নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থের কথা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে আমদানী নীতি প্রণয়ণ করে। কিন্তু উদার আমদানী নীতির কারণে সার্কভূক্ত ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান এমনকি মায়ানমারসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির সৃষ্টি হয়েছে।

চকলেট, চুইংগাম থেকে শুরু করে পোষাক, জুতা, প্রসাধনসামগ্রী, খাদ্যদ্রব্য, পাণীয়, ফলমূল এমনকি চলচ্চিত্র বিষয়ক ম্যাগাজিন পর্যন্ত বিদেশ থেকে অবাধে আমদানী করা হচ্ছে। এর ফলে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অপচয়ের সাথে সাথে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। অসম প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং টাকার মূল্যমান ব্যাপকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। এর ফলে প্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর আমদানী খরচও বেড়ে যাচ্ছে এবং জনগণকেও বেশী দাম দিয়ে সেগুলো কিনতে হচ্ছে।

তাই আগামী বাজেটে দেশের স্বার্থে অনেক পণ্যের আমদানী স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা দরকার। এক্ষেত্রে প্রস্তাব হচ্ছে, শিল্পকারখানার কাচামাল, যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, দেশে অনুৎপাদিত অথবা উৎপাদনের অতিরিক্ত প্রয়োজনীয় নির্মাণ ও বৈদ্যুতিক সামগ্রী, যানবাহন ও শিক্ষাসহায়ক সামগ্রী ছাড়া সবধরণের অপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, প্রসাধনী ও বিলাসসামগ্রী, পোষাক, জুতা এবং বিদেশী মদ ও সিগারেটের আমদানী সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন। এর ফলে দেশেই বিভিন্ন শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সাথে টাকার মূল্যমান বাড়বে।

বিগত সরকারগুলোর নিধারিত পরিমান অর্থ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার আইন ছিল সরাসরিভাবে দুর্নীতিবাজ ও চোরাকারবারে উৎসাহপ্রদানকারী একটি আইন। ১০% ও ৭.৫% টাকা কর দিয়ে অতীতে কালো টাকা সাদা করা যেতো। অথচ যেকোন দুর্নীতিবাজ ও কালো টাকার মালিককে গ্রেফতার করে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করাই ছিল যুক্তিসঙ্গত। আগামী বাজেটে কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার মতো কোনো বিধান রাখা উচিত হবেনা।

স্বাধীনতার পর থেকে এদেশের প্রতিটা সরকার ঘাটতি বাজেট পেশ করেছে। কিন্তু বিগত সরকারের দুর্নীতিবাজদের কাছ থেকে যে পরিমান নগদ অর্থ বাজেয়াপ্ত হয়ে হয়েছে এবং হচ্ছে তা বাংলাদেশের কয়েক বছরের জাতীয় বাজেটের সমান।
দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে রক্ষিত এই লুন্ঠিত অর্থ উদ্ধার করে জাতীয় বাজেটে সমন্বয় করতে পারলে এবছরের বাজেট হবে বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম উদ্ধৃত্ত বাজেট। একইসাথে তা হবে দেশ ও জনগণের সার্বিক উন্নয়ণের সহায়ক। আগামী জাতীয় বাজেটে সরকার জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় হ্রাস এবং দেশের ব্যাপক উন্নয়ণের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলে প্রত্যাশা থাকবে।
" শেষ "
অন্যান্য অনেক বিষয়ের মতো অর্থনীতি নিয়েও লেখক জীবনের শুরু থেকেই লিখছি।
এই্ লেখাটা ১১-৪-২০০৭ তারিখে যুগান্তরে প্রকাশিত হয়েছিলো।
যতোদিন এসব নীতি অনুসরণ করা না হবে, দেশ থেকে দারিদ্র নির্মূল হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মে, ২০২১ রাত ৮:১৩
১৮টি মন্তব্য ১৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সময় নির্দেশের ক্ষেত্রে AM ও PM ব্যবহার করার রহস্য

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৪২

ছবি, Click This Link হতে সংগৃহীত।

সময় নির্দেশের ক্ষেত্রে AM ও PM ব্যবহার করার রহস্য

সময় নির্দেশের ক্ষেত্রে AM ও PM কেন ব্যবহার করা হয়, এর কারণটা জেনে রাখা ভালো। আমমরা অনেকেই বিষয়টি... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বপ্নের যাত্রা শুরু হলো :: পাঠাগারে বই দিয়ে সহযোগিতা করুন

লিখেছেন হাসান ইকবাল, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৪২

নেত্রকোণা জেলার আটপাড়া উপজেলাধীন শুনই গ্রামে আমাদের স্বপ্নযাত্রা শুরু হলো। ২৬ শে সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হলো ভবনের নির্মাণ কাজ। আশা করছি ডিসেম্বরর ২০২১ এর মধ্যে শেষ হবে আমাদের গ্রাম পাঠাগারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

গাছ-গাছালি; লতা-পাতা - ০৭

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৫০

প্রকৃতির প্রতি আলাদা একটা টান রয়েছে আমার। ভিন্ন সময় বিভিন্ন যায়গায় বেড়াতে গিয়ে নানান হাবিজাবি ছবি আমি তুলি। তাদের মধ্যে থেকে ৫টি গাছ-গাছালি লতা-পাতার ছবি রইলো এখানে।


পানের বরজ


অন্যান্য ও আঞ্চলিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

জার্মান নির্বাচন: মার্কলের দল জয়ী হয়নি।

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১০



গতকাল (৯/২৬/২১ ) জার্মানীর ফেডারেল সরকারের পার্লামেন্ট, 'বুন্ডেসটাগ'এর নির্বাচন হয়ে গেছে; ইহাতে বর্তমান চ্যান্সেলর মার্কেলের দল ২য় স্হান পেয়েছে। বুন্ডেসটাগ'এর সদস্য সংখ্যা ৫৯৮ জন; কিন্তু এবারের নির্বাচনের ফলাফলের... ...বাকিটুকু পড়ুন

পুরুষ মানুষ সহজে কাঁদে না.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:০২

"পুরুষ মানুষ সহজে কাঁদে না"... কারণ পুরুষের চোখে জল মানায় না... জন্মের পর তাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয়া হয় যতো কষ্টই হোক তোমার চোখে জল আনা যাবে না!

নারীরা হুটহাট কেঁদে উঠতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×