somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাহারি পুরান ঢাকা

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পুরান ঢাকা সম্বন্ধে অনেক মতবাদ প্রচলিত আবার এ নিয়ে অনেকের বেশ কৌতুহলও রয়েছে। পুরান ঢাকার এমন কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে বেশ আলাদা। আজকের পোস্টে পুরান ঢাকা ও খাস ঢাকাইয়াদের সাথে আপনাদের পরিচয় করার চেষ্টা করবো।


১.ভাষা:


পুরান ঢাকায় সামুরে সাগতম। আমগো এলাকায় বেরাইবার আইছেন। খুবই বালা কথা আরাম কইরা বহেন। ভদ্র ভাবে বইতে অইব না ঢেলন দিয়া বন। রাস্তায় জামে পরছিলেন কোন সমস্যা না নেট কিনা ব্লগ চালাইবেন সময় কাইটা যাইবো। আরে আপনেরা দেহি ঘাইমা গেছেন। এক গেলাস লাচ্ছি খায়া লন কলিজা ঠান্ডা অয়া যাইবো। আমগো এদিকে খাতিরদারির কোন কমতি অইব না। সুদ্ধ ভাসায় কথা কইতে চাপা বিস করে। আমরা দোসবন্দুরে সয়তানি কইরা গালি দিয়া ডাকি। আমেরিকানগো রহম নামরে ভেংগায়া ডাকি। আমগো ভাসা আপনেগো খরপ লাগা পারে মাগার একটা কথা মনে রাখবেন আমগো মুখে মধু অন্তরে বিস না। এহন চলেন মন ভইরা কিছু খায়া লন তার বাদে বাদবাকি কথা।


২.খাবার :


খাবারের বেলায় পুরান ঢাকাইয়াদের কোন জুড়ি নেই। খাওয়া দাওয়ার নির্দিষ্ট কোন সময় নেই। যখন খুশি তখনই ভুড়ি ভোজ। নাস্তায় তেহারী নেহারী থাকলে তো কোন কথা নাই। দুপুরে তিন চার পদের কমে হবেই না। সন্ধ্যায় জাঙ্ক ফুডের বাহার। নৈশভোজেও কম না। নাজিরাবাজারের খাবারের হোটেলগুলো সারারাত খোলা থাকে। মেহমানদারীতেও তাদের রাজকীয় ভাব। টেবিল জুড়ে খাবার না দিলে তো মান সম্মান নিয়ে টানাটানি। মাঝে মাঝে বাবুর্চি দিয়ে রান্না করে গরীবদেরও বিলি করে। সারাদিন ফুটপাতে জুড়ে হরেক রকম খাবারের মেলা। বিভিন্ন স্বাদের মুড়ি ভর্তা, চানাচুর ভর্তা, চানাবুট (ছোলা ভুনা), ঘুমনিপুরি, শিঙাড়া, সমুচা, পুরি, আলুরচপ, পেয়াজু, বেগুনি, পকোড়া, রোল, চিকেন ফ্রাই, নুডুলস, স্যুপ, হালিম, চাপটি, চিতই পিঠা সাথে শুটকী ভর্তা ও সরিষা ভর্তা ফ্রী, সিজনাল ফলের ভর্তা, ফুসকা চটপটি, আচার ,শরবত, গোলা আইসক্রিম আরও মজাদার খাবার। পুরান ঢাকার একটি বিখ্যাত খাবার হল বাকরখানি। রমজান মাসে সেহরী আর ইফতারে একটু কমতি হলেই মেজাজ গরম হয়ে যায়। ঈদ ও বিভিন্ন উৎসবে শাহী খাবারে টেবিল সাজানো থাকে। কোরবানী ঈদের সময় চার পাঁচ কেজি ওজন না বাড়লেই নয়। আর বিয়ে বাড়িতে তো মানুষ যায় ওষ্ঠাগত ভুরিভোজ করতে।


৩.রাস্তাঘাট


বাংলাদেশের সবচেয়ে জঘন্য রাস্তাঘাট পুরান ঢাকায়, এতে কোন সন্দেহ নেই। ফুটপাতে হাটার কোন জায়গা নেই, এমনকি অনেক জায়গায় ফুটপাতই নেই। রাস্তার এখানে সেখানে গাড়ী পার্কিংয়ের অবাধ কুব্যবস্থা আছে। কোন নিয়ম শৃঙ্খলা নেই। যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা। ময়লার ঝুড়িতে মানুষ দুর থেকে আবর্জনা ছুরে ফেলার ব্যর্থ চেষ্টা করে। কোন কোন রাস্তায় নিশ্বাস বন্ধ করে চলতে হয়। বৃষ্টির দিনে কোন কোন জায়গায় সাঁতার কাটতে পারে। হাটু অবধি পানি উঠে যায়। অলিগলির পরিমাণ অনেক বেশি। একবার জ্যামে পড়লে দশ মিনিটের পথে অনায়াসে এক ঘন্টা কেটে যায়। তবে ছুটির দিনে অনেকটা স্বস্তি পাওয়া যায়। রাস্তায় দিনের বেলায় রিকশার পরিমাণ বেশি থাকে, আর রাতের বেলায় মালবাহী ট্রাক। রাস্তাঘাটের বেলায়ও পুরান ঢাকার বিশিষ্টতা আছে।


৪.শিক্ষাব্যবস্থা


পুরান ঢাকায় শিক্ষার হার তুলনামূলক অনেক কম। এখানে শিক্ষার চেয়ে অর্থের প্রাধান্য বেশি। প্রচলিত প্রবাদ, "মেয়েদের লেখাপড়া কইরা কি লাভ, বিয়ার পর তো চুলাই গুতানো লাগবো"। একবার এইচ,এস,সি পাশ করলে বাড়িতে প্রস্তাবের সমাহার। ছেলেরা পড়ালেখা করার চেয়ে বাবার ব্যবসায় বসতে অধিক স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। পরিবারের কেউ যদি মেডিকেলে পড়ে তাহলে গর্বের শেষ নাই। আর ভাগ্যগুণে যদি বাড়ির বউ অথবা জামাতা উচ্চ শিক্ষিত হয়, আত্মীয়দের মাঝে তাদের নিয়ে ভালোই দম্ভ করা হয়। অনেক অশিক্ষিত মা বাবা ফুটানি দেখানোর জন্য সন্তানকে নতুন ঢাকার ইংলিশ মিডিয়ামে ভর্তি করে অথচ পড়ালেখার ঠিকমতো খোঁজও নেয় না । অনেক পরিবারে লেখাপড়ার জন্য এতটা চাপ দেয়া হয় যে খেলার সময়ও পায় না । দিনকে দিন এখানে শিক্ষার হার বাড়ছে তবে নারী শিক্ষার হার অধিক।

৫.পেশা


শতকরা নব্বই ভাগ লোক ব্যবসা করে। তাদের ভাষ্য মতে, "চাকরিতে মাপা পয়সা, এতে পোষাবে না,আর চাকরি চলে গেলে কি উপোস করবে"। ব্যবসা হলেও পুরান ঢাকায় মেধাবীর অভাব নেই। আমাদের ধোলাইখালে ইঞ্জিনিয়ারের সমাবেশ, ডিগ্রী না থাকলেও দক্ষতার কমতি নেই। নাজিরাবাজার হোটেলের খাবার খেলে গুলশান বনানীর শেফদের খাবার ভুলে যাবেন। রমজান মাসে চকবাজারের ইফতারের দোকানগুলোর সাথে দেশের কোন দোকান প্রতিযোগিতা করে পারবে না। পুরান ঢাকায় পিতার অবর্তমানে পুত্রই ব্যবসার হাল ধরে। সব ধরনের পণ্যের বাণিজ্য কেন্দ্র এই এলাকা। চকবাজারে সব শুষ্ক দ্রব্যাদি পাইকারি দরে সস্তায় বিক্রি করা হয়। ঠাটারিবাজারে পাওয়া যায় সব রকম মাছ, শামবাজারে পাল্লা দরে সস্তায় তাজা সবজি। এছাড়াও সব রাস্তা ও গলিতে দেখা যায় হরেক রকমের মিষ্টান্ন ভাণ্ডার। ইসলামপুরে নানা ধরনের থান কাপড় পাওয়া যায়।


৬.বিয়ে


যেদিন বিয়ের তারিখ ঠিক হবে তার পরদিন হতেই কেনাকাটা শুরু। বিয়ে যদি ছয় মাস পরও হয় তবুও কেনাকাটা শেষ হয় না। একটা বিয়ের জন্য দশটা অনুষ্ঠান - পানচিনি, সন্ধ্যাকোটা, কনের হলুদ, বরের হলুদ, বিয়ে, বৌ ভাত, আড়াই নাইয়র, আট নাইয়র আরও কত কি। একটা অনুষ্ঠানেও পোশাক রিপিট করা যাবে না নইলে ইমেজ খারাপ হবে। প্রতি অনুষ্ঠানে ভিন্নতা। সন্ধ্যাকোটায় ব্যান্ড শো হলে হলুদে ডিজে পার্টি, বিয়েতে খাবারের প্রতিযোগিতা, জামাইয়ের টেবিলে তো অনেকে রান্না করা আস্ত খাসী রাখে, কোয়েল কবুতর কিছুই বাদ যায় না। আরেক জনের সাথে প্রতিযোগিতায় করে বাড়ির সামনে যত বড় করে গেইট বাঁধা যায়। মেকামের কল্যানে কোনটা বউ আর কোনটা তার বোন বোঝা মুশকিল। পূজার দেবীর সাথে পাল্লা দিয়ে যেন সাজসজ্জা করে। বিয়ের দিন বেচারা বরের পকেট কাটে শালীরা, একবার আসার সময় গেইট ধরার নাম করে, আরেকবার খাওয়ার পর হাত ধোয়ার নাম করে। আর বৌ ভাতের দিন নিজের ভাই বোন ও ভাবীরা। শত রং ঢং আর নাটকীয়তা চলতেই থাকে। পাত্রের নিজেদের বাড়ি আর ব্যবসা থাকলেই চলবে। আর পাত্রীকে সুন্দর অথবা পয়সাওয়ালার মেয়ে হতে হবে। উপঢৌকন দুই পক্ষই দেয়। পাত্রপক্ষের দিতে হয় ভরি ভরি গহনা, দামী দামী কাপড় আর পাত্রীপক্ষ দেয় ফার্নিচার, ক্যাশ আবার কোন কোন ক্ষেত্রে গাড়িও।


৭. পরিবার কাঠামো


পুরান ঢাকায় যৌথ পরিবার বেশি দেখা যায়। এক হাড়িতে রান্না না হলেও এক বাড়িতে ভিন্ন ভিন্ন তলায় পরিবারের সবাই বাস করে। তবে অধিকাংশ সময় মা ই পরিবারের সকলের জন্য রান্না করে থাকে। পরিবারের মুরুব্বীর প্রভাব অনেক বেশি। দাদা, দাদী, বড় চাচা, বাবা এরাই মূখ্য। এদের অবর্তমানে মা ও বড় ভাই পরিবারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। পরিবারের কর্তাকে সবাই মান্য করে চলে। মূলত পরিবারের পুরুষরাই আয় রোজগার করে থাকে। নারীরা গৃহস্থালি কাজকর্ম করে। বলা যায়, বাড়ির বাইরে পুরুষের আধিপত্য থাকলেও বাড়িতে নারীর শাসনই চলে। খাস ঢাকাইয়াদের মতে, বাড়ির বউ বাইরে কাজকর্ম করবে এটা খুবই লজ্জার ব্যাপার। লাখ টাকার শাড়ি আবদার করলেও কোন সমস্যা নেই, সারাদিন শপিং করলেও কোন বাধা নেই কিন্তু চাকরি করা যাবে না।

৮.দর্শনীয় স্থান


পুরান ঢাকায় অনেক দর্শনীয় জায়গা আছে। এমনকি কিছু ঐতিহাসিক স্থানও রয়েছে যেমনঃ আহসান মঞ্জিল, লালবাগ কেল্লা। আরও আছে বাহাদুর শাহ পার্ক, বলধা গার্ডেন, হোসেনি দালান, ছোট কাটারা, বড় কাটারা, লালকুঠি, টিকাটুলির রোজ গার্ডেন, শাখারীবাজার, তারা মসজিদ, বায়তুল মোকাররম মসজিদ, ঢাকেশ্বরী মন্দির, আর্মেনীয় গীর্জা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়াও পুরান ঢাকায় বহুবছর পুরনো কিছু বাড়ি আছে যা কোন অংশে দর্শনীয় স্থানের চেয়ে কম নয়। এখানকার সরু গলিগুলোও নতুনদের জন্য ভিন্ন চমক রাখে।


৯.ধর্ম



পুরান ঢাকার নব্বই ভাগ মানুষ মুসলমান। এছাড়াও হিন্দু ও খ্রিস্টান রয়েছে। সকলেই শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে।পুরান ঢাকার মানুষ অন্য এলাকার চেয়ে অধিক ধার্মিক হয়। ছোটবেলা থেকেই কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। জুম্মার সময় বাবা তার ছোট ছেলেকে নিয়ে একই রকম পাঞ্জাবি পড়ে মসজিদে যায়। প্রত্যেক মহল্লায় দু একটি মসজিদ আছে। রমজান মাসে পুরান ঢাকার এক ভিন্ন চিত্র থাকে, সব জায়গায় ইফতারের আয়োজন করে। সন্ধ্যার পর তারাবীর জন্য প্রস্তুতি। এই মাসে তুলনামূলক অধিক মুসল্লী দেখা যায়। অনেক সময় মসজিদে জায়গা হয় না। নতুন ঢাকার তুলনায় পুরান ঢাকার মানুষ যথেষ্ট ধার্মিক ও শালীনভাবে জীবনযাপন করে। তাদের পোশাক আশাক ও চালচলনে ধর্মীয় প্রভাব লক্ষনীয়।



১০.উৎসব


পুরান ঢাকায় সব উৎসবে এক ভিন্ন আমেজ পরিলক্ষিত হয়। ধর্মীয় উৎসব হল ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা , শবে বরাত, দূর্গাপূজা, বড়দিন। ঈদ ও পূজা উপলক্ষে বেশ কিছু জায়গায় মেলার আয়োজন করা হয়। সার্বজনীন উৎসবের মধ্যে আছে বাংলা নববর্ষ, বিজয় দিবস, থার্টি ফার্স্ট নাইট, জন্মদিন,বিয়ে, বিবাহ বার্ষিকী,। তবে সবচেয়ে লক্ষনীয় উৎসব হল সাকরাইন বা সংক্রান্তি। পৌসের শেষ আকাশ যেন অসংখ্য রঙীন ঘুড়িতে সাজানো থাকে। অবশ্য পুরান ঢাকায় পরিবারের সব সদস্যরা একত্রিত হলেই একটা উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।


( সব জায়গাতেই ভালমন্দ আছে। আমি আমার অভিজ্ঞতার আলোকে পুরান ঢাকা সম্বন্ধে লিখার চেষ্টা করেছি।
আজকের পোস্ট ব্লগে আমার অন্যতম প্রিয় মনিরা আপাকে উৎসর্গ করলাম।)
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৭
৪৯টি মন্তব্য ৪৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এলোমেলো জীবনের দিনলিপি থেকে-২৪

লিখেছেন মাহমুদুর রহমান, ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:৩৬

(ক)

আরজ আলী মাতুব্বরের প্রথম আটটি প্রশ্ন এবং আমার উত্তরঃ-
যেমন -
১। আমি কে? (নিজ) =
উত্তরঃ আমি মানুষ।মান(আত্মসম্মান) ও হুঁশ(বিবেক) =আশরাফুল মাখলুকাত।

২। জীবন কি শরীরী বা অপার্থিব?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকার পথে পথে- ৭ (ছবি ব্লগ)

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:০৪



ঢাকা শহরে থাকি।
মাঝে মাঝে প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে নানান জায়গা ঘুরে বেড়াই। অনেক কিছু চোখে পড়ে। পকেটে মোবাইল থাকে তাই ইচ্ছা হলেই সাথে সাথে ছবি তুলে নিই। ছবি... ...বাকিটুকু পড়ুন

|| দিশেহারা ||

লিখেছেন নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন, ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২১



আমি উম্মাদ আজ-
পথের ভুলে দিশেহারা,
বিষণ্ণ সময়, কন্টক পথ-
সঙ্গী বিরহ যন্ত্রণা।

পথের টানে পথিক আমি-
সকাল সন্ধ্যা রাত্রির,
নই মন্থর- ছুটি দুরন্ত-
সদা থাকে এই মন অস্থির।

ডাকি ঈশ্বর, হইলো পর-
যাদের ভেবেছি আপন,
একা নির্জন- পথ দুর্গম-... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বাধীনতার ৫০এর কাছে এসেও এ জাতি স্বাধীনতা শূন্যতায়...

লিখেছেন স্বপ্নের আগামী, ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:০৪

স্বাধীন আমি তাহার মতোই
তিনি যেমন চাহেন,
তাহার হাতে নাটাই আমার
একটু নড়াচড়ায় সূতা টানেন!

হেঁচকা টানে ভয় দেখিয়ে
শিকলের ঝনঝন,
ভগবান যেনো শাসক গুস্টি;
নির্দেশনায় ইঙ্গিত পুজোয় কল্যাণ!!

পুজোর বেদী পরিয়ে দিয়ে
দেয় স্বাধীনতার খড়কুড়া,
মনের ভেতরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বাধীনতা কারা চেয়েছিলেন, কারা এনেছিলেন, কারা স্বাধীনতা বুঝে নিয়েছেন

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৬ শে মার্চ, ২০১৯ ভোর ৬:৫৮



*** কোন ১ ইডিয়ট পোষ্টটাকে রিফ্রেশ করার শুরু করেছে; দেশ ভরে গেছে বানরে ****

পুর্ব পাকিস্তানের কোন শ্রেণীর জনতা স্বাধীনতা চেয়েছিলেন? দরিদ্ররা স্বাধীনতা চেয়েছিলেন। ফজলুল কাদের চৌধুরী, মোনায়েম খান, একে খান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×