somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

" আসন ভাগা-ভাগি (সিলেকশনে) কিংবা ভোটের আগেই বিজয়ী আওয়ামীলীগ "- এভাবে আর কত দিন?( আম জনতার সমসাময়িক ভাবনা - ১৪)

২৬ শে নভেম্বর, ২০২৩ দুপুর ২:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ছবি - .jugantor.com

নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা ও ঘোষনা অনুযায়ী আগামী ২০২৪ সালের জানুয়ারী মাসের ৭ তারিখ হতে যাচছে বাংলাদেশের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন তথা দ্বাদশ সংসদের নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনী কার্যক্রম সেভাবেই চলছে, যেভাবে ক্ষমতাশীন সরকার-দল তথা আওয়ামীলীগ চেয়েছে এবং তাতে পূর্ণমাত্রার সহযোগীতা করে যাচছে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় রাজনৈতিক অস্থিরতা-সহিংসতা গ্রাস করেছে বাংলাদেশকে এবং এই রাজনৈতিক অস্থিরতা-সহিংসতা থেকে বেরিয়ে এসে অংশগ্রহন মূলক নির্বাচনের জন্য আমেরিকা-ইউ-জাতিসংঘ চাচছে সকল দলের মাঝে সংলাপ। যা বরাবরের মতই নাকচ হয়েছে দেশের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ব্যক্তি তথা শেখ হাসিনার নিকট থেকে। তাহার মতে, "বিরোধীদের সাথে নির্বাচন নিয়ে ক্ষমতাশীন দলের আলোচনার কোন সম্ভাবনাই নেই"। সরকার যে কোন পরিস্থিতি ও মূল্যেই তাহার চাওয়া মতই নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধপরিকর এবং সরকার হয়ত মনে করছে ২০১৪ কিংবা ২০১৮ সালের মত ২০২৪ সালেও নির্বাচন করে নিতে পারবে।

নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে দেশে যে রাজনৈতিক আস্থার সংকট,গত ১৫ বছরে এর কোন সমাধান হয়নি বরং আরো জটিল থেকে জটিলতর হয়েছে। তার পরিণতিতে এবারও আওয়ামীলীগ এগিয়ে যাচছে তাদের চাওয়া পথেই অর্থ্যাৎ একতরফা নির্বাচনের দিকে যেখানে ইলেকশন নয়, সিলেকশনই শেষ কথা।জনগনের ভোটাধিকারে নয়,আসন ভাগাভগিই যেখানে নির্বাচনে জেতার মূলমন্ত্র।এদিকে প্রধান বিরোধীদল (মাঠের - সংসদের নয়) বিএনপি ও এর সমমনা দল সমুহ নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে অনড় এবং সেই দাবী আদায়ের জন্য তারা হরতাল-অবরোধ করছে। এর ফলে দেশে বাড়ছে অর্থনৈতিক সংকটও।

অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন দায়সারাভাবে প্রতিনিয়ত একই ঘোষনা দিয়ে চলছে," বিএনপি নির্বাচনে এলে নির্বাচনী তফসিল পেছানোর"। অথচ তাদের ও সারা দুনিয়ার সকলের সামনেই বিএনপির মহাসচিব থেকে কেন্দ্রীয় প্রায় সকল নেতাকেই ধরে ধরে জেলখানায় পুরছে এবং জেলা-উপজেলা-ইউনিয়ন পর্যায় থেকেও আতি-পাতি করে -তালিকা ধরে ধরে আতি-পাতি নেতা সহ বিরোধী সবাইকে পুলিশ ধরছে-পুরছে জেলে কিংবা মামলায়। বিএনপির রাজনীতিতে মোটামুটি সক্রিয় সকল নেতারাই এখন কারাগারে কিংবা বাকিরা কিছু আছেন আত্মগোপনে, একমাত্র রিজভী ছাড়া ( ওবায়দুল কাদেরের ভাষায় রিজভী আবাসিক প্রতিনিধি এবং তাকে ছেড়ে দেয়া/রাখা হয়েছে কারন অন্তত একজন বাইরে থাকা উচিত যাতে করে মনে হয় বিএনপি আছে)। অন্যদিকে,একেক মামলায় বিএনপির ২০-৫০ জনের সাজা হয়ে যাচছে রকেট গতিতে যেখানে বহু বছর আগে মৃতরাও আছেন বহাল তবিয়তে। এরকম অবস্থায় বিএনপিকে নির্বাচনে আনার ঘোষনা কে দিবে, কিংবা কারাই বা বিএনপির হয়ে নির্বাচনে লড়বে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কিছুই বলছেনা :(

এদিকে বরাবরের মতই জাপায় চলছে দেবর-ভাবীর সার্কাস। ভাবী অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় আছেন শেখ হাসিনার সাক্ষাতের। যেন হাসিনার সাক্ষাতই তার নির্বাচনে জেতার মূলমন্ত্র জনগনের ভোটাধিকার নয়। দেবরজীও ভাবী থেকে কম নয় ।এসব মিলিয়েই চলছে জাপা তথা গৃহপালিত বিরোধীদল। অবশ্য এবার মুক্তি মিলতে পারে জাপার সেই অপবাদ থেকে । কারন - বাতসে ভেসে বেড়াচছে অন্য খবর যে, "এবার নতুন কেউ হবে গৃহপালিত বিরোধীদল" ।

অন্যদিকে মহাসমারোহে চলছে আওয়ামীলীগের দ্বাদশ সংসদের নির্বাচনী ট্রেন যেখানে জনগনের ভোট নয় আওয়ামীলীগের নমিনেশন(সিলেকশন) ই ভোট জেতার নিশ্চয়তা। আর তাই প্রার্থী সিলেকশনে-বাছাইয়ে ব্যস্ত আওয়ামী লীগ ও শরিকরা। ‘কিংস পার্টি’ও প্রার্থী ভাগাতে উনারা দিচ্ছেন লোভনীয় টোপ ও চাপ। এসব মিলিয়েই সারা দেশে-সর্বত্র উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। কি হচছে দেশে? কি হবে নির্বাচনের পরে ?

আলৌকিক কিছু না ঘটলে আবারো বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসবে আওয়ামী লীগ এবং এবার হয়ত গতবার থেকে কিছুটা কম আসনে ২০০-২২৫ আসনে এবং নিশিরাতের ভোট কিংবা বিনা ভোটে বিজয়ী হওয়া (অংশগ্রহনমূলক প্রমাণের জন্য) এড়ানোর মাধ্যমে। জাতিসংঘ সহ বর্হিবিশ্বের সকল চাওয়া ও চাপ উপেক্ষা করে ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনী তপশিল ঘোষণা করেছে এবং এতে করে নিজেদের শক্তির পরিচয় পেয়ে এবং বিরোধীদলকে হামলা-মামলায় ব্যস্ত রেখে নির্বাচনের আগেই, নির্বাচনে জেতার আগেই বিজয়ীর মতো আচরণে ব্যস্ত। ক্ষমতার জাদুকরী নেশা-অস্থিরতায় আওয়ামীলীগ সরকার রাষ্ট্রীয় এবং দলীয় শক্তি ব্যবহার করে বিরোধী মতের হাজার হাজার মানুষকে নির্বিচার গ্রেপ্তার আর বিচারহীনভাবে আটকের মতো মরিয়া আচরণ করে সমাজে আতঙ্কের সৃষ্টি করে চলেছে। অস্বাভাবিক সংখ্যার মামলা এবং দ্রুত রায় ঘোষণা করে বিএনপির আতি-পাতি থেকে বেশকিছু শীর্ষ নেতারও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ সীমাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ সব করে আওয়ামীলীগ যে নৈতিকভাবে এবং শেষ বিচারে লাভবান হচ্ছেন, সেটিও বলা চলে না বরং তারা ক্রমে ক্রমে জনগণের আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসা হারাচ্ছেন এবং চলে যাচছেন এমন এক জায়গায় যেখান থেকে ফিরে আসার জন্য হয়ত অনেক মূল্য দিতে হবে ভবিষ্যতে কোন এক সময় দল হিসাবে আওয়ামীলীগকে। কারন - যার শুরু আছে,তার শেষও আছে। আর তাই যদি না হতো , " তাহলে একসময়ের দুনিয়াব্যাপী সূর্য না ডোবা ইংরেজ সাম্রাজ্য আজ ছোট একটি দেশে চার টুকরায় সীমাবদ্ধ হয়ে যেতনা" কিংবা " মোগল সাম্রাজ্য ইতিহাসের অংশে পরিণত হতনা"। আফসোস একটাই, " সময় থাকতে দুনিয়ার কোন ক্ষমতাশীন শাসকই সেই অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে চান না "।

২০১৪-২০১৮ সালের মত আওয়ামীলীগ আবারও ২০২৪সালে ক্ষমতায় আসবে - এ দিবালোকের মত সত্যি এবং তারা আগামী ৫ বছর , এর পরের ৫ বছর এবং এভাবে সীমাহীনকাল (তাদের এক সময় লক্ষ্য-পরিকল্পনা ছিল ২০৪১ ঘিরে যা এখন ২১০০ সাল পর্যন্ত ) ক্ষমতায় থাকবে এটাও হয়ত সত্যি হবে - যদিনা আমেরিকা-ইউ ভোটের পর বাণিজ্যিক -অর্থনৈতিক অবরোধ দেয় এবং নতুন সরকারের সাথে সহযোগীতার হাত না বাড়ায়। ক্ষমতাশীন দল আশা করছেন নির্বাচনের পর সব ঠিক হয়ে যাবে আগের দুবারের মতন। যদি আগের দুবারের মত ঠিক না হয় তবে কি হবে? যদি আমেরিকা-ইউ-জাতিসংঘ সবাই বলে, " বারে বারে চড়ুই তুমি খেয়ে যাও ধান, এবার চড়ুই তুমার বধিব পরাণ" - তাহলে তারা কিভাবে বের বের হবে নিজেদের তৈরী এ ক্ষমতার ফাঁস থেকে। তবে ক্ষমতাশীন দল এসব নিয়ে ভাবতেই রাজী নয়। তাদের ধারনা নির্বাচনের পর সব ঠিক হয়ে যাবে আগের দুবারের মতন। যাই কিছু হোকনা কেন এখানে মূল যে প্রশ্ন ক্ষমতাশীনদের প্রতি,"এভাবে আর কত দিন"?


এ আমার মত আমজনতার প্রশ্ন ও ভাবনা, যদিও জানি এর কোন জবাব নেই।

জবাব দিহীতা - আমার মত আমজনতার প্রশ্ন ও ভাবনার সাথে সাথে সামুর বাকী ব্লগাররা এ ব্যাপারে কে কি ভাবছেন তা জানার জন্যই এ লেখা এবং পাঠককে এর সাথে রাজনীতির দূরতম কোন সম্পর্কও না খোজার বিনীত অনুরোধ রইলো।

তথ্যসূত্র -

> সংকট উত্তরণের পথ কী - জেতার আগেই বিজয়ীর আচরণ আওয়ামী লীগের - লিংক - Click This Link
> দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন - আসন ভাগাভাগি শেষ মুহূর্তে - মাঠের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে শরিকদের ছাড় * বিএনপি ভোটে এলে কৌশল পালটাবে আওয়ামী লীগ।লিংক - Click This Link
> বিশেষ সাক্ষাৎকার: হোসেন জিল্লুর রহমান - প্রতিযোগিতাহীন নির্বাচন দীর্ঘমেয়াদি সংকট তৈরি করবে - Click This Link
> দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাস রোধে দল মনোনীত প্রার্থীকে একজন করে ডামি প্রার্থী রাখার নির্দেশ শেখ হাসিনার - লিংক - https://www.ittefaq.com.bd/668137/
> যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ঘোষণায় বাড়ছে চিন্তা, গভীর সংকটের পথে অর্থনীতি - লিংক - https://www.ittefaq.com.bd/667418/
> লোভে পড়ে হঠাৎ জার্সি বদলে নির্বাচনী মাঠে - বেচাকেনার হাটেও অনিশ্চয়তা-
লিংক - Click This Link

পূর্ববর্তী পোস্ট -
===============

১৩।"জাতীয় নির্বাচন ২০২৪" - সমস্যা ও সমাধান, কোন পথে - কত দূর?।
Click This Link
১২।" দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে আওয়ামীলীগ " :( এটা কিসের ইংগিত দেয়? - Click This Link
১১।"স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠকের আলোচ্যসূচী" - সত্যিটা কি ? Click This Link
১০। " সংবিধান থেকে একচুলও নড়া হবে না" - নির্বাচনকালীন সরকার সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাস্তবতা"- Click This Link
৯।"হিরো আলম কার প্রতিদ্বন্দ্বী " - Click This Link
৮। সেন্টমার্টিন দ্বীপ লিজ কিংবা বিক্রি - সত্যিটা কি ? - Click This Link
৭।আমেরিকার ভিসা নীতি বনাম বাংলাদেশের ভিসা নীতি-এর পর কি হবে?-
Click This Link
৬। আমার সোনার বাংলা কি কোটিপতি ও খেলাপি ঋণ তৈরীর কারখানা ? - Click This Link
৫। " রংপুর সিটি কর্পোরশন নির্বাচন - লাঙলের জয় ও নৌকা চতুর্থ " - কি বার্তা দেয় আমাদের? - Click This Link
৪। " বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন " - তুমি কার ? -
Click This Link
৩। সামাজিক রীতি-নীতি-শিষ্ঠাচার এখন যাদুঘরে - আপনি কি একমত ? -
Click This Link
২। বর্তমান সময়ে আমরা কি একটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও দৃষ্টিশক্তি হীন জাতি বা প্রজন্মে পরিণত হচছি বা হতে যাচছি? -
Click This Link
১। আমাদের সমাজের সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি ভেঙে পড়ছে ? -
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে নভেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৫৪
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বরাবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা_ আপনার একটা সিদ্ধান্ত পারে আরো শত জীবন বাচাতে।

লিখেছেন নতুন, ১৮ ই জুলাই, ২০২৪ রাত ৯:০৭

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করবো, আপনি কালই জাতির উদ্দেশ্যে আরেকটা ভাষন দিয়ে ছাত্রদের অনুরোধ করুন বাড়ী ফিরে যেতে। খুনি পুলিশদের বিচারের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিন। নিরীহ ছাত্রছাত্রীদের উপর ছাত্রলীগের হামলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

"বিম্পি-জামাত ওদের দলে মিশে গেছে, খেলবো না" টাইপ কান্নাকাটি বাদ দিয়ে আগে বলো তোমরা গণতন্ত্রে ফ্যাসিজ্ম প্র্যাকটিস করলে কেন?

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ১৮ ই জুলাই, ২০২৪ রাত ৯:৪২

ফেসবুকে দেখলাম আমার ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে ছাত্র ও পুলিশে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মতন প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির পোলাপান সরকারি চাকরির দিকে ফোকাসডই না। অন্তত আমি যখন পড়তাম, তখন আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশের কারো সাথে কি যোগাযোগ করতে পারছেন ?

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ১৯ শে জুলাই, ২০২৪ রাত ১২:১২

ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ । কোন প্রকার যোগাযোগ করতে পারছি না কারো সাথে। খুবই আতংকিত বোধ করছি। ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগার হাসান কালবৈশাখীর (এবং ব্লগের গনশত্রুদের) কাছে খোলা চিঠি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৯ শে জুলাই, ২০২৪ সকাল ১১:১৫



কোটা বিরোধী আন্দোলনে নামা ছেলেমেয়েদের সম্পর্কে হাসান কালবৈশাখী কদিন আগে একটি মন্তব্যটি করেন। যার মূল কথাটি হল "ওদের চিরদিনের জন্য শিক্ষা হোক। পিটিয়ে পাছার চামড়া তুলে ফেলতে হবে।"

আমাদের যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশে কি সাইকোপ্যাথ সোসিওপ্যাথের পরিমান অনেক বেড়ে গেছে।

লিখেছেন নতুন, ১৯ শে জুলাই, ২০২৪ দুপুর ২:২২

স্কুলে পড়ুয়া ছেলে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫০ টা প্রান চলে গেলো। কিন্তু কিছু মানুষের ভেতরে এখনো কোন অনুভুতি দেখি না। তারা এখনো গোবেলসের প্রচারনাতেই আটকে আছে।
তাদের সামনে গুলি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×