somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার পরিচয়

বদমেজাজী মন্দ লোক-www.meetmamun.com

আমার পরিসংখ্যান

ডি মুন
quote icon
এস এম মামুনুর রহমান - www.meetmamun.com
আমার সকল পোস্ট (ক্রমানুসারে)

বকচর : ঢাকার অদূরে সবুজের রাজধানী

লিখেছেন ডি মুন, ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৫৬




রানা ভাই বললেন – দ্যাখো, নদী।
আমি বললাম – জ্বী, রানা ভাই। এটা হাগুগঙ্গা নদী। অতীতকালে এর নাম বুড়িগঙ্গা ছিল।


রানা ভাই হাসতে হাসতে বললেন, একদম ঠিক বলেছো। পানি একেবারে কালো বিষ হয়ে গেছে। আমি সম্মতি জানালাম, আসলেই তাই। এইটা হইলো হাগুগঙ্গা। আরেকটা নদী পাবো সামনে যার বর্তমান নাম হাগেশ্বরী, পূর্বে... বাকিটুকু পড়ুন

১৩ টি মন্তব্য      ১৪০ বার পঠিত     like!

সত্যজিৎ রায় : প্রিয় পাঁচটি চলচ্চিত্র

লিখেছেন ডি মুন, ১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:১২

গত সপ্তাহে সত্যজিৎ রায়ের বেশ কয়েকটি সিনেমা দেখা হলো। এগুলো হলো আগন্তুক, কাপুরুষ, মহানগর, অরণ্যের দিনরাত্রি, ও শাখা-প্রশাখা।



সত্যজিৎ রায় আমার প্রিয় ফিল্মমেকার। শুধু ফিল্মমেকার বা চলচ্চিত্র নির্মাতা বললে অবশ্য তার অনন্যসাধারণ প্রতিভা সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়া যাবে না। তিনি একাধারে চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, শিল্প নির্দেশক, সঙ্গীত পরিচালক এবং... বাকিটুকু পড়ুন

২৮ টি মন্তব্য      ২৫৩ বার পঠিত     like!

নস্টালজিয়া : খেলার মাঠে ফেলে আসা শৈশব

লিখেছেন ডি মুন, ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:০৭



ভদ্রলোক বসে আছেন আমার পাশের সিটে। আমি দ্বিধা-দ্বন্দ কাটিয়ে তাকে করলাম একটি অদ্ভুত প্রশ্ন। বললাম, আপনার নাম কি সুমন?

আজ সারাদিন আকাশের কান্না দেখে কাটলো। সকালে অফিস থেকে গিয়েছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সেখান থেকে কাজ সেরে আবার অফিসে ফিরতে ফিরতে দুপুর ৩ টা। শাহবাগ থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত আসতে প্রায় দেড়ঘন্টা শেষ।... বাকিটুকু পড়ুন

২২ টি মন্তব্য      ১৬৭ বার পঠিত     like!

চারদিনের সিলেট ভ্রমণ

লিখেছেন ডি মুন, ১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৫


শনির হাওড়, তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ

প্ল্যান করি এক, আর হয় আরেক। দক্ষিণে যেতে চাইলে উত্তরে যাই। এবারের ভ্রমণের ক্ষেত্রেও তাই। যেতে চাইলাম বান্দরবান আর ঘুরে এলাম সিলেট। সিলেট ভ্রমণের সেই গল্পটাই নাহয় বলা যাক। চারদিনের একাকী ভ্রমণ, আবারো... বাকিটুকু পড়ুন

২২ টি মন্তব্য      ৩৯১ বার পঠিত     like!

কলকাতা – দ্য সিটি অফ জয়

লিখেছেন ডি মুন, ২৮ শে আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ২:২২


কলকাতার রাস্তায় ঐতিহ্যবাহী ট্রাম

শালপাতার থালায় খেতে নিশ্চয় আপনার ভালো লাগবে না? নাকি লাগবে? আমার প্রথমটা বেশ অস্বস্তি লাগছিল। পরে অবশ্য শালপাতার থালায় ভাত-তরকারি মেখে খেয়ে ফেললাম দুদ্দাড়। রাস্তায় রাস্তায় হাটলাম; সকাল থেকে সন্ধ্যা। হাঁটলাম আর মানুষ দেখলাম। দেখলাম তাদের জীবনযাপন। গেলাম কিছু দর্শনীয় স্থানে, যেখানে ইতিহাস, ঐতিহ্য মিলেমিশে... বাকিটুকু পড়ুন

৩৪ টি মন্তব্য      ১১৫০ বার পঠিত     like!

শরতের একটি রাত - ম্যাক্সিম গোর্কি [অনুবাদ গল্প]

লিখেছেন ডি মুন, ২১ শে এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:৫৩




একবার এক শরতে আমি খুব কঠিন আর অসুবিধাজনক অবস্থায় পড়েছিলাম। আমি যে শহরে তখন সবেমাত্র নেমেছি, সেখানে একটি প্রাণীকেও আমি চিনতাম না। পকেটে হাত দিয়ে টের পেলাম, পকেট একেবারে শূন্য। আর সেই সাথে নেই রাত কাটাবার কোনো যায়গা।

যে কাপড়গুলো বিক্রি করে দিয়ে... বাকিটুকু পড়ুন

৫২ টি মন্তব্য      ১০৩২ বার পঠিত     ১৫ like!

দারুণ সারপ্রাইজ [ অনুবাদ গল্প ]

লিখেছেন ডি মুন, ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:০৯



অফিস আওয়ারের বাইরে, অফিসের কাজ বাড়িতে করে আমি কিছু টাকা পেলাম। সবমিলিয়ে চার পাউন্ড। প্রথমে ভাবলাম, এলিজার মায়ের কাছে আমাদের যে ঋণ আছে তার খানিকটা শোধ করে দেব। কিন্তু তাকে টাকা পাঠালে, খুব সম্ভবত তা আবার তিনি ফিরিয়ে দেবেন। তাহলে টাকা পাঠানোটাই তো একটা অপচয়। আর আমি... বাকিটুকু পড়ুন

৬১ টি মন্তব্য      ৭৪৮ বার পঠিত     ১৩ like!

বৃক্ষবাস [কবিতা]

লিখেছেন ডি মুন, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৩৯



আমরা একদিন বসবাসযোগ্য কোনো
বৃক্ষ খুঁজে নেব।

তারপর
আমাদের ভেতরে যেদিন
সবুজের শেকড় হবে;
আমাদের সন্তানেরা হবে সুগন্ধি ফুল।

সেদিন
আমাদের দেখাদেখি হয়তো
আরো অনেকেই
অরণ্যচারী হয়ে নিজেকে বাঁচাবে।

-----
বাকিটুকু পড়ুন

৫৬ টি মন্তব্য      ২৯৫ বার পঠিত     ১৫ like!

এলোমেলো কথন : মানুষের কেউ কেউ

লিখেছেন ডি মুন, ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:৫৪



ছোটবেলা যখনই বাবা-মার সাথে কারো বাসায় বেড়াতে যেতাম, তখন একটা জিনিস খেয়াল করতাম যে - সে বাসায় স্কুলপড়ুয়া কোনো ছেলেমেয়ে আছে কিনা। থাকলে আমি তার টেবিলে যেয়ে বাংলা বই বের করে কবিতা পড়তাম। অবশ্য এমন নয় যে, আমি খুব পড়ুয়া ছিলাম তখন। কিংবা কবিতা বুঝে উলটে দিতাম। তবে বইয়ের... বাকিটুকু পড়ুন

৭২ টি মন্তব্য      ৬৪৪ বার পঠিত     ১৪ like!

গল্পঃ উড্ডয়ন

লিখেছেন ডি মুন, ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:২৪



এখন বরফের মত শীতকাল। বাসেদের ছোট্ট ঘর শব্দহীন। ঘরঘর শব্দওয়ালা ফ্যানটা হাইবারনেশানে। ভালো লাগে না শব্দহীন জগত। নিস্তব্ধতা মৃত্যুর মত।

বহুতল মেসের যে কামরায় ও থাকে, তার সামনে ছোট্ট একটা করিডোর। ব্রাশে দাঁত ঘষতে ঘষতে বাসেদ করিডোরে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকায়। কিছুই দেখা যাচ্ছে না। কুয়াশার পুরু চাদরে সকালের... বাকিটুকু পড়ুন

৯৩ টি মন্তব্য      ৮০৬ বার পঠিত     ১২ like!

পলায়ন [ কবিতা ]

লিখেছেন ডি মুন, ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:১৩



বেখবর রাত,
কত কিছু ঘটে... !

নগরীর গায়ে চুমু খায়
নাগরিক।

কতজন আসে, কতজন যায়
কতজন ভাসে সুখের দোলায়;


তবু বেখবর রাতে
আঁধারের গায়ে উজ্জ্বল আলো জ্বেলে,
এক নাগরিক একমনে শুধু ভাবে -
' কেন একা একা_ হয়ে আছি বোকা
প্রাণহীন প্রতিদিন;
কী হবে_ যদি শোধ করে দিই
নাগরিক যত ঋণ... বাকিটুকু পড়ুন

৫৬ টি মন্তব্য      ২৮০ বার পঠিত     like!

ভুলপথে প্রতিদিন নির্ভুল [কবিতা]

লিখেছেন ডি মুন, ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৪০



তারপর?

হেঁটে চলা রোদ্দুর
দিনভর ছায়াপিঠে ঘুরপথ,

তারপর;

দলছুট ফেরিওয়ালা
স্বপ্নের পাতাঝরা ফুলবন।

তারপর;

ছোটাছুটি মেঘচুমো ইমারত
হৃদয়ের কেনাবেচা কংক্রিট,

তারপর ?

তারপর;
একা একা আজীবন
ভুলপথে প্রতিদিন নির্ভুল ।
বাকিটুকু পড়ুন

৯২ টি মন্তব্য      ৪৬৯ বার পঠিত     ১৫ like!

অভিষেক - ক্রিস্টিন হান্টার [অনুবাদ গল্প]

লিখেছেন ডি মুন, ১০ ই অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১২:০২



ঠোঁট দিয়ে কতগুলো পিন আঁটকে ধরে মিসেস সিমন্স বললেন, ‘ জুডি, একদম নড়াচড়া করো না’। তিনি জুডির পোশাকের কোমরের দিককার ত্রিশতম দড়িটি শক্ত করে বাঁধলেন এবং বললেন, ‘এখন ওদিকে যাও এবং আস্তে আস্তে ঘুরে দাঁড়াও’।

জুডির বলনাচের প্রথম এই পোশাকটি বেশ দীর্ঘ। সাদা মিহি কাপড়ের উপর সুন্দর কারুকাজ করা... বাকিটুকু পড়ুন

৮৪ টি মন্তব্য      ৭২১ বার পঠিত     like!

অজ্ঞাত স্টেশন

লিখেছেন ডি মুন, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:০৫



মধুসূদন বাবু মারা যাওয়ার সংবাদে মুকুল একেবারে ভেঙ্গে পড়ল। কাঁদতে কাঁদতে ঢলে পড়ল আমার কাঁধে। আমি কোনরকমে ওর মাথায় হাত রাখলাম। বললাম, শান্ত হ মুকুল, কেউ যায় কেউ আসে; এইত নিয়ম। কাদিস না। ট্রেন চলে আসবে এখনই। আমরাও তো যাচ্ছি।
... বাকিটুকু পড়ুন

১০৬ টি মন্তব্য      ৮৪০ বার পঠিত     ১৩ like!

ব্যাখ্যাতীত কিছু নেই [কবিতা]

লিখেছেন ডি মুন, ২৮ শে আগস্ট, ২০১৫ রাত ১১:৪৬



সবকিছু ব্যাখ্যা করা যাবে-
ক্রোধ, ঘৃণা, প্রেম।

পিতার মৃত্যুর পর
সন্তানের চোখে পানি;
আবেগ নাকি অর্থনৈতিক নিরাপত্তাহীনতা;
জানা যাবে সবকিছু
নিখুঁত শুদ্ধতায়।

ব্যাখ্যা করা যাবে-
যুবতীর শরীরে আঁটকে থাকা
যুবকের চোখ;
কিছু অবাধ্য হরমোন।

জানা যাবে -
ভালোবাসা ভালোবাসা ন্যাকামিতে
আসলে কোথায় পৌছুতে চায়
পুরুষের
ক্ষুদ্রতম কোষগুলি।... বাকিটুকু পড়ুন

৩৬ টি মন্তব্য      ২৯৯ বার পঠিত     like!
আরো পোস্ট লোড করুন
ব্লগটি ৭২৯৭৮ বার দেখা হয়েছে

আমার পোস্টে সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার করা সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার প্রিয় পোস্ট

আমার পোস্ট আর্কাইভ