somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এই পোস্টটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। বিস্তারিত জানতে পোস্টটির লেখকের সাথে যোগাযোগ করুন।

আলোচিত ব্লগ

আমার বন্ধু সুকুমার

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ভোর ৫:২০

সুকুমারের সাথে আমার পরিচয় হয়েছে ফেসবুকে। দেখা সাক্ষাত হওয়ার জন্য সে বড় উদগ্রীব ছিল। সুকুমারের সাথে পরিচয় পর্বটা শুরু হলো ওর আমাকে ফ্রেণ্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর মাধ্যমে।
তখন মাত্র দেড় বছর... ...বাকিটুকু পড়ুন

দূর্বল ঈমানের মুমিন ব্লগ থেকে দূরে থাকে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৭:২১




কোরআনের সাথে বিজ্ঞান বা বিজ্ঞানীর মতের অমিল দেখলে আমি চিন্তা করি আমার চিন্তার দৈন্যতা কোথায়? যেমন কোরআন বলছে আল্লাহ আছে, কোন কোন বিজ্ঞানী বলছে নাই। আমি তখন বলি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওগো দুখজাগানিয়া , ওগো ঘুম-ভাঙানিয়া তোমায় গান শোনাবো ।

লিখেছেন মোহাম্মদ গোফরান, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১১:০৩



" আমার ব্লগে ৪০০০ তম মন্তব্যটি করেছেন প্রিয় ব্লগার "জগতারণ" । পোস্টটি ওনাকে ডেডিকেটেড করা হলো। ভালোবাসার মাসে অবিরাম ভালোবাসা জানাই এই প্রিয় ব্লগারকে সবসময় সাথে থাকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নতুন জেনারেশন কেমন করছে?

লিখেছেন সোনাগাজী, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১২:২১



এসএসসি, এইচএসসি'র রেজাল্ট দেখলে ও ইউনিভার্সিটির ছেলেমেয়েদের চলাফেরা দেখলে এদেরকে স্মার্ট মনে হয়; ভেতরের অবস্হা কি রকম? নতুন জেনারেশন কি কোন অলৌকিক ক্ষমতা বলে দেশটাকে, জাতিটাকে সঠিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি শুধু মন নিয়ে খেলা করো

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:৫৯

তুমি চলে গেছ, ফিরে আসো নি
তুমি মন নিয়ে খেলা করেছ
আসলে তো ভালো বাসো নি

কত কথা মরে গেল মনে মনে
কিছু কথা বলার ছিল সঙ্গোপনে
তুমি কোনোদিনই ইশারাতে
কোনো কথার মানে বোঝো নি

কেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাচিত ব্লগ

প্রবাস ডাইরিঃ ২য় পর্ব

লিখেছেন মুহাম্মদ তমাল, ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১:০৮



স্বপ্ন সত্যি হবার এক বছর।
আগস্ট ২০২২,
গতবছরের এই অগস্ট মাস ছিলো জীবনের কঠিনতম মাস গুলির একটা।
কতটা বিষণ্ণা, মর্মান্তিক, কঠিন ছিলো এই মাস এটা আমি জানি। জুলাই মাসে মা চলে গেলেন,
সপ্তাহ দুয়েক বাড়িতে থাকার পরে চলে এলাম ঢাকায়।
আমি আর আমার সহধর্মিণী। আমাদের বাসায়।
দুজনই পুরোপুরিভাবে বিপর্যস্ত।
কি খাই, কি রান্না করি, কি করি আর না করি কিছুই ঠিক নাই।
ভিসা ইনটারভিউ জুনের ১৭ তারিখ, সবাই ২৫-৩০ দিনে ভিসা পায়। আমার ২ মাসেও কোন খোজখবর নাই।
এমন একটা ভয়ানক পরিস্থিতি, একদিকে হাটি আর একদিকে চলে যাই। অফিসে থেকে বাসায় হেটে আসতে ২০ মিনিট লাগতো, তবে ঐ দিনগুলিতে পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বুড়ি ও পরী:পর্ব-২

লিখেছেন সরোজ মেহেদী, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:৪৬

আজফর আলী আজ দশ বছর ছেলের সংসারে আশ্রিত। বাবাদের সংসারে সন্তানের শৈশব কাটে উজিরের মর্যাদায়।


এই চাই তো, সেই লাগবে অর্ডার করে করে। আবদারে-অভিমানে জীবন অতিষ্ঠ করে তোলে। আর বাবারা বুড়ো বয়সে সেই আদুরে ছেলের ডালপালা মেলতে থাকা সংসারে দিব্যি আউট সাইডার বনে যায়। জাস্ট অ্যা উপদ্রব। যেন জেলখানার কয়েদী। তাও ভাগ্য ভালো হলে তাদের কারও কারও ছেলেদের সংসারে আশ্রয় মেলে। নতুবা ভাগ্যাহতদের বেরিয়ে পড়তে হয় নতুন আশ্রয়ের খুঁজে।

মানুষের বুড়া হয়ে যাওয়ার চেয়ে পাখি হয়ে যাওয়া ঢের ভালো। অন্তত থাকার কয় হাত জায়গার জন্য আতঙ্কে থাকতে হয় না। পাখিদের জন্য পুরো পৃথিবীটাই আবাস। মানুষ সে ভাগ্য নিয়ে জন্মায়নি বলেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাকে কেউ হাসপাতালে নিলো না। সে রাস্তায় বিনা চিকিৎসায় মারা গেলো।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:৫৯



আমি ভারতীয় বাংলায় একটি সিনেমা দেখি। সিনেমা তে নায়ক মানেই সর্বসেবা। মানে নায়কই সব। এই ফিল্মেও তাই। নায়ক একজন ছাত্র রাজনীতি এর বিশিষ্ট জন। সে সভা করে, সমিতি করে। সমিতি করে গরিব মেধাবী ছাত্রদের সাহায্য করে। ইত্যাদি ইত্যাদি। সিনেমার শেষে দেখা যায়, নায়ক একবার যাকে সাহায্য করেছিলো সে নায়ক কে খুন করে। খুন করে পালিয়ে যায়।

আঘাত পাওয়ার পর; ব্যাথায় যখন কাতরাচ্ছিলো তখন উপস্থিত জনতাকে অনুরোধ করছিলো “তাকে যেন হাসপাতাল নিয়ে যায়।” কিন্তু জনগন সেটা করে নাই। বরং জনগণ সেই আঘাত প্রাপ্ত নায়ক এর দিকে তাকিয়ে ছিলো। অনেক সময় রাস্তায় উৎসুখ জনতা কোন নিদিষ্ট বস্তুর দিকে গোল হয়ে দারিয়ে তাকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোথায় হারিয়ে গেছে মধ্যবিত্তরা......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:১৪

কোথায় হারিয়ে গেছে মধ্যবিত্তরা......

১৯৪৭ থেকে ১৯৭০ সাল- ২৪ বছর পেরিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশে একটা সময়ে এমনও গেছে যে- অনেক মানুষ না খেয়ে মারা গেছে এবং কোটি লোক না খেয়ে মরার উপক্রম হয়েছিল। একই সময়ে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কতিপয় নেতা কর্মী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী শতভাগ অসৎপথে অঢেল স্থাবর অস্থাবর সম্পদের মালিক বনে গিয়েছিল। আমেরিকা থেকে আসা মাইলো নামে এক প্রকার ঘাসের বীজের মত দেখতে শস্যের খিচুড়ি আর ঘোড়ার খাদ্য ভুট্টার তৈরী ছাতু' খেয়ে জীবন রক্ষা করতে প্রাণন্তকর চেষ্টা করেছে। বাজারে চিনি পাওয়া যেত না, লবণ পাওয়া যেতোনা কিন্তু সেই ক্ষমতাবানদের গুদামঘরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুদ ছিলো। একজন গ্রাজুয়েট স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের রেলগাড়ি দেখা

লিখেছেন হিমন, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৫৮

রামমনি ও রামলোচন ছিলেন দুই ভাই। রামলোচনের কোন পুত্র না থাকায় স্ত্রী অলকাসুন্দরীর ইচ্ছায় তিনি ভাই রামমনির ২য় ছেলে দ্বারকানাথকে দত্তক নেন। এই দ্বারকানাথ হলেন রবীন্দ্রনাথের দাদাঠাকুর। সেকালে বাণিজ্য করে তিনি এতই বিত্ত বৈভবের মালিক হন যে তাঁকে ইউরোপীয় শাসক শ্রেণির সমগোত্রীয় ভাবা হত। হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে তিনি ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করে এর প্রসারে অর্থনিয়োগ করেন। তাঁর স্ত্রী অতি তেজস্বীনি দিগম্বরী দেবী ধর্মের এই অবমাননায় এরপর থেকে চিরটাকাল ভিন্ন বিছানায় শুয়েছেন। সে যাকগে।



১৮৪২ সালে প্রথম দ্বারকানাথ ঠাকুর যান ইউরোপ ভ্রমণে। ফিরে এসে বিরাট এক মিলনমেলার আয়োজন করলেন। আগ্রহী বাঙ্গালিরা তাঁকে ইউরোপ সম্পর্কে নানা প্রশ্ন করছেন। তিনিও হেসে... ...বাকিটুকু পড়ুন