মঞ্চে রাজনৈতিক বিভাজন

উদীচী পুড়ার সময় কি হারমোনিয়াম, তবলা, একতারা, দোতারা, সেতার কিংবা বাঁশি পুড়েনি?, মনে রাখবেন তখন আগুন শুধু কিছু বাদ্যযন্ত্র পোড়ায়নি, -পুড়েছিল এই বাংলার সংস্কৃতির, এই বাংলার শত কোটি মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বাক্ষী থেকো বাংলাদেশ, স্বাক্ষী থেকো ১৮ কোটি মানুষ।
================================
ইতিহাস কখনো মুছে যায় না। যে জাতি তার মানুষের কান্না, আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের দাবি ভুলে যায়, সে জাতির ভবিষ্যৎও প্রশ্নের মুখে পড়ে।
আজ এক... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাকস্বাধীনতা নাকি বাকসন্ত্রাস?
বাকস্বাধীনতা একটি গণতান্ত্রিক সমাজের মৌলিক অধিকার। কিন্তু বাকস্বাধীনতা মানে যা খুশি তাই বলা নয়; অন্যের সম্মান, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকে উপেক্ষা করারও নাম নয়।
কোনো ব্যক্তি, পরিবার, গোষ্ঠী বা... ...বাকিটুকু পড়ুন
আবার সমস্যা ব্লগ ঠিকমত দেখা যায় না। কিছুদিন আগে এমনটি হয়েছিল। ব্লগার সুলাইমান সহজ করে সমাধান বের করে দিয়েছিল। এবার একই সমস্যা হচ্ছে তবে সেই একই উপায়ে কাজ হচ্ছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

টিকা দান কর্মসূচী আবার শুরু হয়েছে,
মায়েরা আপনার শিশুকে কেন্দ্রে নিয়ে টিকা দিন
এবং সকল টিকা প্রদানের তথ্য সংরক্ষন করুন, যা আপনার সন্তানের
ভবিষ্যৎ জীবন যাপনে কাজে লাগবে ।
(বাবারা এ ব্যাপারে সচেতন হোন এবং শিশুর মাকে সহায়তা দিন )



১
অনেক দিন সিগারেট ছেড়েছি
ফুসফুসের বিদ্রোহে
শ্বাসকষ্ট বড় কষ্ট যার হয় সে বোঝে
কিন্তু আমি সিগারেট ছেড়েছি বলে সিগারেটের দোকান উঠে যায়নি
নানা কাজে পান সিগারেটের দোকানে তো যেতেই হয়
চেয়ে দেখি থরে থরে সাজানো সিগারেটের প্যাকেট
কালে ভদ্রে আমিও হঠাৎ সিগারেটের দাম জানতে চাই
যেহেতু অনেক দিন ছেড়েছি তাই দাম শুনে চমকে ওঠার ভান করি
দিতে বলি পাঁচটা সিগারেট
দোকানী ছেলেটি দেয় আর বড় বড় চোখ করে বলে
আপনি না সিগারেট ছেড়ে দিয়েছিলেন!
সেই সিগারেট বাড়িতে নিয়ে আসি, বইয়ের সেলফে গুঁজে রাখি
এবং অবশ্যই ধরা পড়ি স্ত্রীর কাছে
বাঙালি মধ্যবিত্ত গৃহকত্তা সকলেই জ্ঞানী পুরুষ হন
আমি বাদ যাই কেন
স্ত্রীকে বোঝাতে তাই বেশি সময় লাগে না
জর্দাপানে তাঁরও অভিনিবেশ বেশ গাঢ়
একটা... ...বাকিটুকু পড়ুন
ঢাকা থেকে ক্রিস্টিনা পৌঁছানোর পর দুদিন কেটেছে বিশ্রামে। পথে নামার আগের দিনই সব রেডি করে। ফেললাম। দলে আমি ছাড়াও আছেন শামিসা আখতার ও মোরশেদ অম্ললাম। তিনজনের জন্য দুটি সাইকেল, এর মধ্যে একটি ট্যান্ডেন।
২০ সেপ্টেম্বর সাতসকালে রাজধানী শহর প্রিন্তিনা থেকে মিত্রোভিস্তার পথ ধরি। শুরুতে রাস্তা বেশ মসৃণ। তবে ছোট ছোট চড়াই আছে। প্রথম প্যাডেল মারার পরই বুঝে ছিলাম হ্যান্ডেলবারটা নড়বড়ে। শক্ত করার জন্য দরকার একটা সাধারণ রেজ, আমাদের কাছে তা নেই। ছুটির সকালে দোকানপাটও বন্ধ। আমাদের দরকার একটা ওয়ার্কশদ। কিন্তু গত দুই দিনে কফিশপ আর গাড়ির শোরুম ছাড়া আর কিছু চোখে পড়েনি।
শহরতলির কোলাহল কমতেই একটা মেকানিকের দোকান চোখে পড়ল। সেখানে থামলাম।... ...বাকিটুকু পড়ুন