somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হলিউডের বিদ্রুপাত্মক,বর্ণবাদ ও আগ্রাসনবিরোধী চলচ্চিত্র-১

০৪ ঠা মে, ২০২০ রাত ১১:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



এ্যামেরিকা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী ও সাম্রাজ্যবাদী দেশ হলেও চলচ্চিত্রের অগ্রগতি ও বিকাশে হলিউডের যুগান্তকারী ভূমিকা আছে।

এ্যামেরিকানরা চলচ্চিত্র আবিস্কার করেনি,করেছেন ফ্রান্সের লুমিয়ের ভাইরা।কিন্ত পৃথিবীর প্রথম কাহিনীচিত্র,প্রথম সবাক, প্রথম রঙ্গীনসহ প্রথম অনেককিছুরই শুরু হয়েছিলো হলিউডেই।

পৃথিবীর বেশীরভাগ দেশে এমন মানুষ কমই আছেন,যিনি জীবনে অন্তত হলিউডের একটা ছবি দেখেনি।
হলিউডে যতো বিচিত্র বিষয় নিয়ে ছবি তৈরী হয়েছে।সেটা পৃথিবীর আর কোনো দেশে হয়নি।এটা শুধু এজন্য না যে সেখানে অনেক ধনী প্রযোজক অনেক ছিলো এবং আছেন,বরং এজন্য হয়েছে যে সেখানে চলচ্চ্ত্রি শিল্পকে সর্বশ্রেণীর বিনোদন,তথ্য এবং শিক্ষা প্রদানের উপযোগী উন্নত শিল্পচেতনা সমৃদ্ধ সংস্কৃতিমনা ব্যাক্তিরা ছিলেন। একারণে ইউরোপের জার্মানী,ফ্রান্স বা ইটালীর ছবি হলিউডের ধারে-কাছেও যেতে পারেনি।

গ্রেগরি পেক
[img|https://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/AnolChowdhury/AnolChowdhury-
কার্ক ডগলাস

সামাজিক,রাজনৈতিক,যু্দ্ধভিত্তিক,সংঘাতপূর্ণঐতিহাসিক,মনস্তাত্তিক,ভৌতিক,হাস্য-রসাত্মক,ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপাত্বক,বিজ্ঞানভিত্তিক,শিশুদের জন্য নির্মিত-সবধরণের ছবি নির্মাণেই পৃথিবীর কোনো দেশ এখন পর্যন্ত হলিউডকে ছড়িয়ে যেতে পারেনি।



হলিউড সোনালী যুগের তারকা হামফ্রে বোগার্ট,কার্ক গেবেল,চার্লি চ্যাপলিন,জনি ওয়েইসমুলার,বার্ট ল্যাংকাষ্টার,গ্রেগরি পেক,রজার মুর,শ্যন কনোরী,ক্লিণ্ট ইষ্টউড,মার্লোন মার্লান ব্র্যান্ডো,রবার্ট ওয়াগনার,পিটার ও টুল,রক হাডসন,লি মারভিন,পল নিউম্যান,চার্লটন হেসটন, চার্লস ব্রনসন,,ইয়ুল ব্রাউনার,ওমর শরীফ,রিচার্ড ক্রেনা,টেলে সালাভাস, জেমস গার্নার ,জেমস কোবার্ণ,জর্জ কেনেডি,এন্থনী কুইন,জন রিচার্ডসন,ষ্টিভ ম্যাককুইন,এ্যন্থনি হপকিন্স, গ্রেটা গার্বো,ক্যারল হেইস,মর্লিন ডিয়েট্রিচ,জেন রাসেল,ক্যাথরিন হেপবার্ণ, মুরিন ও ‘সুলিভ্যান,রিটা হেওয়ার্থ,এ্যাভা গার্ডনার,ইনগ্রিড বার্গম্যান,ভিভিয়ান লি,ডেবোরাহ কের,অড্রে হেপবার্ণ,মেরিলিন মনরো,এলিজাবেথ টেইলর, সোফিয়া লরেন,জুডি গারল্যান্ড,গ্রেস কেলি,র‌্যাকুয়েল ওয়েলচ,উরসুলা এ্যন্ড্রেস,বারবার ষ্টেইস্যান্ড, (দেশে ভিডিও প্রযুক্তি,ডিশ এ্যান্টেনা এবং ইন্টারনেট আসার বহু আগে থেকে এদের বিশ্ববিখ্যাত অনেক ছবি বাংলাদেশ টেলিভিশনে মুভি অফ দ্য ইউইক-এ নিয়মিত প্রচারিত হতো।৪০-উর্দ্ধ ব্যাক্তিরা সবাই ছিলেন এসবের দর্শক) থেকে শুরু করে ’৭০- দশক ও পরবর্তীকালের তারকা ডাষ্টিন হফম্যান,ব্রুস লি,জিম কেলি,চাক নরিস,হ্যারিসন ফোর্ড,রবার্ট ডি নিরো,আর্নল্ড শোয়ার্জেনেজার,সিলভেষ্টার ষ্ট্যালোন,জিম ব্রাউন,টম ক্রুস,কিয়ানু রিভস,প্যাট্রিক সোয়ইজে,এডি মারফি,ডেনজেল ওয়াশিংটন,ভ্যান ডেম,ষ্টিভেন সেগাল,ওয়েসলি স্নাইপস,ক্রিস টাকার, ভ্যান ডাইসেল,ফারাহ ফসেট,মিয়া ফারো,প্রিসিলা প্রিসলি,সুসান সারানডন,লিন্ডা কার্টার,জেন সিমোর,মেরিল ষ্ট্রিপ,জুলিয়ারা মুর,মিশেল ফাইফার,তানিয়া রবার্টস,জুলিয়া রবার্টস,নিকোল কিডম্যান,শ্যারণ ষ্টোন,ডেমি মুর,উইনোনা রাইডার,হুইটনি হিউষ্টন,হ্যালি বেরি,জিলিয়ান এন্ডারসন,পামেলা এন্ডারসন,এলিজাবেথ হার্লে,চার্লিজ থেরণ, র‌্যাচেল ওয়েইসজ,মেগান ফক্স,স্কারলেট জোহানসন-এই সব অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ছবি প্রতিদিন সারা পৃথিবীর শতকোটি দর্শক দেখছেন।

পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী অশ্লীল,মিথ্যাচারে পূর্ণ ইতিহাস বিকৃতকারী ছবি নির্মিত হয়েছে হলিউডে। আবার এটাও সত্য পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী সুস্থ বিনোদনমূলক, বিচিত্র বিষয়ভিত্তিক,শিশুদের জন্য এবং পারিবরিকভাবে দেখার মতো ছবিও নির্মিত হয়েছে সেখানেই।

রিটা হেওয়ার্থ

হলিউডে চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রথম দিক থেকেই নিজ দেশে আদিবাসীদের উপর অত্যাচার এবং দেশে দেশে তাদের সামরিক আগ্রাসন,গণহত্যা ও লুটপাটকে তাদের সন্ত্রাসী মানসিকতা অনুযায়ী বৈধ প্রমাণের জন্য এবং এ উদ্দেশ্যে জঘণ্য ইতিহাস বিকৃতির আশ্রয় নিয়েছে এবং ইতিহাস বিকৃত করে অনেক ছবি বানিয়েছে।

কিন্ত একইসাথে সংখ্যায় কম হলেও হলিউডে এ্যামেরিকার আদিবাসী এবং কালোদের উপর অত্যাচার,সারা পৃথিবীতে এ্যামেরিকার সন্ত্রাসী নীতি,গণহত্যা,লুটপাট এবং দেশে দেশে আগ্রাসনবিরোধী অনেক ছবি নির্মিত হয়েছে,যেগুলির অনেকগুলিই অস্কার পুরস্কার পেয়েছে এবং ব্যবসাসফলও হয়েছে।

একটা কথা মনে রাখতে হবে যে এ্যামেরিকা প্রায় ১০ কোটি আদিবাসীকে হত্যা করে একটা সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে গঠিত হতে পেরেছিলো ইউরোপ থেকে ভাগ্যের সন্ধানে আসা খুনে ডাকাতদের কারণেই ,যারা আদিবাসীদের মানুষ না,পশু ভাবতো।

তাই চরম বর্বরতার সাথে এদের হত্যা,ধর্ষণ,এবং মহামারি ছড়িয়ে নির্বংশ করতে তাদের কোনো অসুবিধা হয়নি।

১৭৮৬ সালে বৃটেনের কাছ থেকে স্বাধীন হওয়ার পরও বিরাট এবং মহান বলে পরিচিত জর্জ ওয়াশিংটন,থমাস জেফারসন, এন্ডু জ্যাকসন এমনকি আব্রাহাম লিংকনের মতো এ্যামেরিকার রাষ্ট্রপতিরা আদিবাসী হত্যা,তাদের নির্মূল করতে সৈন্য পাঠানো,তাদের জমি দখল,বাসস্থানচ্যুত করা-সব রকম জঘণ্য অপরাধের সাথে সরাসরি জড়িত ছিলো।এরা যেধরণের বর্ণবাদী উক্তি করেছে,তা যেকোনো মানুষকে স্তম্ভিত করবে। তাদের কিছু উক্তির নমুনা হচ্ছে:

1. Benjamin Franklin, from his autobiography, 1750s
If it be the design of Providence to extirpate these Savages in order to make room for cultivators of the Earth, it seems not improbable that rum may be the appointed means.”

2.Orders of George Washington to General John Sullivan, May 31, 1779
“The immediate objectives are the total destruction and devastation of their settlements and the capture of as many prisoners of every age and sex as possible. It will be essential to ruin their crops in the ground and prevent their planting more.”

3.John Quincy Adams, 1802, when rationalizing territorial imperatives as God’s will
What is the right of the huntsman to the forest of a thousand miles over which he has accidentally ranged in quest of prey? Shall the fields and vallies, which a beneficent God has formed to teem with the life of innumerable multitudes, be condemned to everlasting barrenness?”

4.James Monroe, in a letter to Andrew Jackson, October 5, 1817
The hunter or savage state requires a greater extent of territory to sustain it, than is compatible with the progress and just claims of civilized life, and must yield to it. Nothing is more certain, than, if the Indian tribes do not abandon that state, and become civilized, that they will decline, and become extinct. The hunter state, tho maintain’d by warlike spirits, presents but a feeble resistance to the more dense, compact, and powerful population of civilized man.”

https://indiancountrytoday.com/archive/nice-day-for-a-genocide-shocking-quotes-on-indians-by-us-leaders-mggXatQDCUuNzQ_bfuyUP

ট্রুম্যান,রিগ্যান,বুশ-ক্লিনটন,ওবামা,ট্রাম্পের মতো সন্ত্রাসী রাষ্ট্রপতিরা শুধু তাদের পূর্বসূরীদের অনুসরণ করেছে। এ্যামেরিকার জনগণের প্রায় ৯০% সবসময়ই তাদের শাসকদের এই সন্ত্রাসী নীতিকে অন্ধভাবে সমর্থন জানিয়েছে এবং এখনো জানাচ্ছে। এই ধারাতেই হলিউডের ওয়েষ্টার্ণ চলচ্চিত্রে আদিবাসীদের নির্বংশ করে সেখানে সাদাদের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সত্য ইতিহাসের পরিবর্তে তাদের সভ্যতাবিহীন,খুনী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিলো।এই চক্রের প্রধান ব্যাক্তি ছিলেন পরিচালক জন ফোর্ড এবং অভিনেতা জন ওয়েন। তার উত্তরসূরী হিসেবে ষ্ট্যালোন,চাক নরিস,আর্নল্ড-সহ হলিউডের অনেক প্রযোজক,পরিচালক ও অভিনেতা সমাজতন্ত্র,ভিয়েতকং গেরিলা ও মুসলমানসহ যখন যাদের শত্রু মনে করেছে,তাদেরেই চলচ্চিত্রে শত্রু ও কূখ্যাত অপরাধী হিসেবে দেখিয়েছে।

তবে এই ধারার বিপরীতে হলিউডে প্রচুর বিবেকবান,ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ব্যাক্তিও ছিলেন।তারা তাদের নির্মিত ছবির মাধ্যমে আদিবাসীদের উপর অত্যাচার, অন্য দেশে আগ্রাসন,গণহত্যা ও লুটপাসহ নিজে দেশের সব বর্বর কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।এদের অনেকেই এজন্য বামপন্থী সন্দেহ করা হয়েছিলো। ১৯৪০ সাল থেকে ১৯৯১সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের আগে পর্যন্ত হলিউডের অনেক অভিনেতা,পরিচালক,গায়ক,সুরকার এবং অন্যান্য বিনোদন পেশাজীবিদের কালো তালিকাভূক্ত করে কাজ করতে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিলো তাদের এ্যামেরিকার সমাজতান্ত্রিক দলের সদস্য পদ,কথিত সদস্যপদ এমনকি সেই দলের কর্মকান্ড সম্পর্কে কংগ্রেসের তদন্ত দলকে অসযোগিতা করা জন্য। এই কালো তালিকা যথেষ্টভাবে যাচাই করা না হলেও এর ফলে চলচ্চিত্রে শিল্পে জড়িত সেই ব্যাক্তিদের পেশা এবং আয় ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছিলো।এদের মধ্যে বিখ্যাত চিত্রপরিচালক চার্লি চ্যাপলিন,লেখক হাওয়ার্ড ফাষ্ট,চিত্রনাট্যকার ডালটন ট্রাম্বোসহ আরো অনেকে ছিলেন।

তরে সরকারের এই দমন নীপিড়ণে তারা তাদের নৈতিকতাবোধ বা বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের পক্ষে লড়াই করার মানসিকতা ত্যাগ করেননি।

চার্লিকে হলিউড থেকে বিতাড়িত করা হলেও অন্যরা এ্যামেরিকার মতো বিশ্বসন্ত্রাসী দেশের মানবতাবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে তাদের কর্মকান্ডের মাধ্যমে লড়াই চালিয়ে যান।

সরাসরি নিজেদের দেশের সাম্রাজ্যবাদী ও দেশদখল নীতির প্রতিবাদ করতে না পারলেও ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপাত্মক চলচ্চিত্র নির্মাণ করে তারা সেটা করেছিলেন।



হলিউডের প্রথম দিকের একটা আগ্রাসনবিরোধী চলচ্চিত্র ১৯৪০ সালে জুলস হোয়াইট পরিচালিত থ্রি ষ্টুজেস এর একটা পর্ব ‘ইউ নাটজী স্পাই।( You Natzi Spy)। এই ছবিতে দেখানো হয়.একটা কল্পিত রাষ্ট্রে নেতারা তাদের অস্ত্র বিক্রি থেকে মুনাফা কম হওয়া কারণে তাদের রাজাকে ক্ষমতাচ্যুত করে একজন পুতুল স্বৈরশাসককে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা করে ,যাকে দিয়ে ইচ্ছামতো যুদ্ধ বাধিয়ে রমরমা অস্ত্র বাণিজ্য করা যাবে।এ উদ্দেশ্যে তারা থ্রি স্টুজেস-এর তিন সদস্যকে নিয়োগ করে।এটাই হলিউডে নির্মিত প্রথম ছবি যেখানে হিটলারকে ব্যাঙ্গ করে উপস্থাপন করা হয়। এই ছবিতে হিটলারের অন্যতম সহকারী গোয়েরিং ,প্রচারমন্ত্রী গোয়েবলস এবং ইটালীর স্বৈরশাসক মুসোলিনী চরিত্রকেও ব্যাঙ্গ করা হয়েছে।

হিটলারের ‘‘অধিক জমি চাই‘‘ –নীতি ছাড়াও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পিছনে যে অস্ত্র বাণিজ্যের একটা ভূমিকা ছিলো এই ছবির মূল বক্তব্য ছিলো সেটাই।



একই বছরে মুক্তিপ্রাপ্ত চার্লি চ্যাপলিন অভিনীত ও পরিচালিত ‘‘ দ্য গ্রেট ডিক্টেটর‘‘ ছবিটা সারা পৃথিবীতে অলোড়ন সৃষ্টি করে।এ ছবিতে চার্লি একই সাথে হিটলারের ব্যাঙ্গ চরিত্রে এবং এক ইহুদী নাপিতের চরিত্রে অভিনয় করেন ছবিতে নাৎসী ও ফ্যাসিবাদ এবং হিটলারের ইহুদীবাদ বিরোধী নীতিকে কঠোর সমালোচনা করা হয়। ছবিটা এ্যামেরিকায় ব্যাপক জনপ্রিয় হয়। বৃটেন ছবিটা নির্মাণকালে সেদেশে এটা নিষিদ্ধের কথা বললেও ছবি মুক্তির সময় বৃটেন জার্মানীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে যুদ্ধকালীন প্রচারণার অংশ হিসেবে ছবিটা মুক্তি দেয়া হয়।

তবে এই দুই ছবিতে শুধু হিটলার বা মুসোলিনীর কর্মকান্ডেরই নিন্দা জানানো হয়নি,বরং তাদের চরিত্রের প্রতীকের আড়ালে এ্যামেরিকা,বৃটেন ও ফ্রান্সের সব নৈতিকতাহীন দেশদখলকারী যুদ্ধবাজ শাসকেরই প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করা হয়েছে, যা চার্লির পরবর্তীকালের কর্মকান্ডে প্রকাশিত হয়েছে।
(অসমাপ্ত)

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মে, ২০২০ ভোর ৫:৫৩
১৪টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশে নিয়ানডার্থাল জিন: করোনার প্রাদুর্ভাব

লিখেছেন কলাবাগান১, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:১১


ঘন্টা খানিক আগে একটা সাইন্টিফিক পেপার প্রকাশ হয়েছে.....পড়ে মাথা বন বন করে ঘুরছে....এত দেশ থাকতে কেন শুধু বাংলাদেশে????? এশিয়াতে তো করোনার প্রাদুর্ভাব কম এবং সেটা ব্যাখা করে ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নারী পুরুষ সম্পর্ক

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৫৭




একজন পুরুষের জীবনে অনেক নারী আসে।
কমপক্ষে পাঁচ জন নারী। এরকম নারী জীবনের যে কোনো সময় আসতে পারে। বিয়ের আগে বা পরে। কিন্তু তারা জীবনে আসে। জীবন থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাটির চুলা

লিখেছেন সোহানাজোহা, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৩১


ছবি কথা বলে: আজ হাটবার আপনে দেড়ি না করে বাজারে যান গা, নাতি নাতনি ছেলে বউ শহরের বাসায় নদীর মাছ খায় কিনা আল্লাহ মাবুদ জানে! (মাটিরে চুলাতে দাদীজান পিঠা ভাজছেন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

উত্তর মেরুতে নিশি রাতে সূর্য দর্শন - পর্ব ৪

লিখেছেন জোবাইর, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০১

বিভিন্ন ঋতুতে ল্যাপল্যান্ড: শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও শরৎ

রেন্ট-এ-কার' কোম্পানীর সেই মেয়েটি কুশলাদি জিজ্ঞাসা করে আগে থেকেই পূরন করা একটা ফরমে আমার দস্তখত নিয়ে কিরুনা স্টেশনের পাশের পার্কিং এরিয়াতে নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নন্দের নন্দদুলাল : স্বপ্ন রথে

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৬

স্বপ্নের অশ্বারোহী
দূরন্ত ইচ্ছেতে ঘুরে বেড়াই, নন্দ কাননে
তাম্রলিপি থেকে অহিছত্র
পুন্ড্রবর্ধন থেকে উজ্জয়িনী, স্বপ্ন সময়ের নন্দদুলাল।

আমাদের শেকড়
বাংলার আদি সাম্রাজ্যে যেন
পতপত ওড়ে পতাকা সবুজ-লাল,
মিলেনিয়াম নন্দ ডাইনাস্টির স্বপ্ন সারথীর স্বপ্নরথে

মানচিত্র: নন্দ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×