somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাতে সত্তরে - সতেরোর সাতকাহন

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আঙুলের ভাঁজে গুনেগুনে বেহিসাবি কাটানো দিনগুলো তে ব্লগের সাথে পরিচয় আমার! জীবনের নিদারুণ খর সময় অথচ সবচাইতে পাললিক সময় সেটা। দূর্বাঘাসে ঘাসফড়িঙ এর দিন কাটানো এই আমি তখন গুটিসুটি মেরে গৃহকোণে। জীবনের এই বাঁকে অসম্ভব দ্রুত ঘটে যাওয়া রুপান্তর গুলো সামলাতে সামলাতে প্রায় ভুলে যাওয়া অন্য এক আমি জন্ম হচ্ছিলো তখন। রূপান্তরের ও সুক্ষচেরা রক্তক্ষরণের বেদনা আছে ! আছে নিত্য নতুনের আনকোরা আনন্দ! প্রবাস জীবন ! পরবাসী জীবন ! রোদ মেঘ ছায়া, আনন্দ আবদার আর স্বজন প্রিয়জন ছেড়ে নদী ভাঙা বসতি জীবন। ডুবতে থাকা সময়ে বাংলা হরফ দেখে খড়কুটো আঁকড়ে ধরার মত তখন ব্লগ কেই আঁকড়ে ধরেছিলাম।


ব্লগের শুরুর দিকের দিনগুলো ছিল পালাই পালাই; জমজমাট তখন গল্প কবিতা ভ্রমণ গল্প ! এবং মন্তব্যে ও বেশ ভাবসাবে ই দিতে হয়। সব দেখে শুনে ভড়কে গেলাম, মনে হচ্ছিল অন্য কোন জীবনের অংশ সেটা, ভয়ে আর ব্লগে আসি নাই। এর পর যখন ফেসবুকে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিত সব মুখে এলো, প্রায়শই তাদের লেখায় চলে আসত ব্লগের নাম, তেমন ই একটা পোস্টের সূত্র ধরে ব্লগে নিজের নামে একটা আইডি খুলে ফেললাম। বেশ কিছুদিন চলে গেল জানতে আর বুঝতে। এরপর আবার নেই নেই, পালাই পালাই ব্লগ থেকে অনেকদিন- এবং অবশ্যই সেটা লেখার ভয়ে।


খুব মনে আছে,তখন ব্লগে অনেকগুলো বেলুন দিয়ে শুভেচ্ছা পোস্ট দিতো জন্মদিনের, সেবার জন্মদিনে প্রায় সারাদিন ব্লগের পাতা টা খুলে রেখেছিলাম। কিছুক্ষণ পরপর নিজেই দেখতাম মনে হত কাছের কারো শুভেচ্ছা কার্ড। সবাই কে লিখতে দেখে, একদিন নিজে ই ইংলিশ ফ্রন্টে ফেসবুক নিয়ে আমার অভিজ্ঞতার কথা লিখে ফেললাম, আমার ধারনা কে প্রায় অসাড় প্রমাণ করে সেই লেখা কয়েকজন পড়ে ফেললেন, এবং মন্তব্যে একজন লিখলেন লেখা ভালো হয়েছে আপনি বাংলায় লেখার চেষ্টা করুন। আদাজল খেয়ে নেমে গেলাম বাংলা টাইপিং এ, কতদিন লেগেছিল মনে নেই; কিন্তু ব্লগ পাতায় উঠে এলো আমার বাংলায় লেখা প্রথম পোষ্ট।
তারপর !! তারপরের ইতিহাস তো ব্লগের বাঁকে বাঁকে, পাতায় পাতায়।


লেখায় যে আসত তাকেই মনে হয় ভীষণ আপন! পরিবারের কেউ! যেখানে থাকি সেখানকার পাখি ও অচেনা মনে হত যে। তাই বাংলা লেখার অক্ষরগুলোই আপন ছিল। শুরু থেকে নিয়মিত কয়েকজন ব্লগারের সাথে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছি। নীরব নিলয়, কালা মনের ধলা মানুষ, মাহমুদুর রহমান সুজন , শাফ্‌ক্বাত, শুকনা মরিচ, অদ্বিতীয়া আমি , প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার, মনে নাই, খেয়া ঘাট , না পারভীন, প্যাপিলন, ডক্টর এক্স, সকাল রয়, ভুল উচ্ছ্বাস, শুকনোপাতা ০০৭ , স্পাইসিস্পাই001, বোকামানুষ, কবি ও কাব্য, নুর ফ্য়জুর রেজা, আমি ভূত , কাণ্ডারি অথর্ব, আমিনুর রহমান, বাংলাদেশি দালাল, নাছির৮৪, রেজোওয়ানা, তামিম ইবনে আমান, আরমিন, সচেতনহ্যাপী , বেলাশেষে, আরজুপনি, আশিক মাসুম , একজন আরমান, শেরশায়েরী, স্নিগ্ধ শোভন , কুনোব্যাঙ , মামুন রশিদ, শোভন শামস, মেহেরুন, স্বদেশ হাসনাইন, ইমরোজ কবীর মুন, গোলাম দাস্তগীর লিসানী, ঘুমাইলে চোখে দেখি না, টেস্টিং সল্ট , সোহাগ সকাল, জাকারিয়া মুবিন, প্রবাসী পাঠক , তোমদাচী, নৈঝত, রহস্যময়ী কন্যা, সোনালী ডানার চিল, এম হুসাইন, পরিবেশ বন্ধু, বোকামন রাইসুল নয়ন, তাসনুভা সাখাওয়াত বীথি, আশরাফুল ইসলাম দূর্জয় , তানজিয়া মোবারক মণীষা, অপর্ণা মম্ময়, শেরজা তপন, আমি ইহতিব , ইরফান বর্ষণ, সমুদ্র কন্যা, হাসান মাহবুব, বৃতি , ভারসাম্য , মাহমুদ ০০৭ , নীলসুপ্ত , শায়মা , মানবী , মাঈনউদ্দিন মইনুল, স্বপ্নবাজ অভি।
এদের সাথে সখ্যতা হল। সে এক অন্যরকম দিন রাত্রি।


আমি নিঃসন্দেহে একজন আলসে লেখক, তবে পাঠে আমি দ্রুত এবং পরিশ্রমী! ডিজিটাল সময়ে যে কোন দশ লাইনের লেখা ই পাঠক কে ভীত করে, ব্লগে সত্যি বলতে পাঠকের চাইতে লেখক বেশী। ব্লগে আমার সপ্তম বর্ষপূর্তি এবং সত্তরতম পোস্ট! তাই সতেরো' বিষয়ে সাতে' র টাইম লাইনে সাজালাম।


১- আমার প্রথম সাতঃ

ক - প্রথম পোস্ট - আমার ফেসবুক নামা
খ - প্রথম মন্তব্য করে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখেয়ে ছিলেন ইরানপন্থী।
গ - প্রথম উৎসর্গ স্পাইসিস্পাই001 তার সামায়ন ও রিধী -
ঘ - প্রথম কবিতা পূর্ণতা
ঙ - প্রথম গল্প পারলে না !!!!!
চ- প্রথম ভ্রমণ পতৌদি প্রাসাদ - হারিয়ে যাওয়া সৃতি
ছ- প্রথম স্মৃতিকথা কেয়া পাতায় নৌকা ভাসানোর দিনগুলো


২- আমাকে উৎসর্গ করা সাত
ক- খেয়াঘাট এক মিনিটের ছোটগল্প- জানিনা পেরেক কোথায় বিঁধে আছে?
খ- দিশেহারা রাজপুত্র "আন্তর্জাতিক নারী দিবস" → নারীর প্রতি শ্রদ্ধ্যার্ঘ
গ- শায়মা মেধা বিকাশে শিশুর খেলনা ও খেলা- কোনটা দেবো, কিভাবে খেলবো (প্যারেন্টস এ্যন্ড টিচারস গাইড)
ঘ- কাওসার চৌধুরী তিন চাকার চক্র (গল্প)
ঙ- কি করি আজ ভেবে না পাই ''শুভ জন্মদিন'' প্রিয় মনিরা'পু
চ- সনেট কবি ব্লগার মনিরা সুলতানা
ছ- আরোগ্য বাহারি পুরান ঢাকা


৩-ক প্রিয় ব্লগার সাতঃ
করুনাধারা আপুঃ করুনাধারা
সব সময় চমৎকার সব আলাদা আলাদা বিষয়ে পোস্ট দিয়ে ব্লগ কে চমৎকৃত করায় করুনাধারা আপুর জুড়ি নেই! শিক্ষণীয় এবং আকর্ষণীয় তো বটেই। তাছাড়া আপু সব সময় এত এত মিষ্টি করে সবার লেখায় থাকেন যে লেখায় উনার উপস্থিতি ই আনন্দের হয়ে যায়। লেখা এবং মন্তব্যে সবাইকে মায়ায় বেঁধেছেন আপু।


জুন আপু জুন আপু
ভ্রমণে ভ্রমণে ভয়ংকর ব্যস্ত হয়ে ও জুন আপু ব্লগের আরেক মায়ার সমুদ্র! আপুর ভ্রমণ গল্প গুলো ব্লগের সম্পদ নিঃসন্দেহে। চমৎকার সব মন্তব্য আর পরিশ্রমী পোস্ট নিয়ে আমার প্রিয় তালিকায় আছেন আপু।

না পারভীন না পারভিন
যদিও আজকাল নার্গিস পারভীন ব্লগে নিয়মিত নন, তবুও কিছুকিছু ব্লগারের লেখা মিথস্ক্রিয়া মন্তব্য এত বেশি ছাপ রেখে যায় যে সবসময়ে সব খানেই ফিরে আসে সেসব নাম। নার্গিসের চিকিৎসা বিষয়ক লেখাগুলো নিঃসন্দেহে ব্লগ কে সমৃদ্ধ করেছে। আর পাঠকদের সাহায্য করছে অনেক অজানা বিষয়ে জানতে।

আরমিন আরমিন
ফিকে হয়ে আসা ব্লগারের তালিকায় থাকলে ও এই ধানকন্যা তার উচ্ছল উজ্জ্বল উপস্থিতিতে সবসময়ে আমার প্রিয়তে ই থাকবে।

সামু পাগলা ০০৭ সামু পাগলা ০০৭
অসম্ভব প্রাণশক্তির অধিকারী সামু ব্লগের পাগল এই ০০৭ তার অভিজ্ঞতার ঝরঝরে বর্ণনা; জমজমাট আড্ডা পোস্ট আর মাঝে মাঝেই পেটে খিল ধরানো হাসির ফোয়ারা নিয়ে আসে লেখায়। আমি চমৎকৃত হই বিস্মিত হই আর আরও বেশি ভালোবেসে ফেলি।

মানবী মানবী
ব্লগ নিকের নামের যথার্থতা প্রমাণ করে অসম্ভব মানবীয় গুন নিয়ে ব্লগিং করেছেন মানবী; আজকাল দেখা যায় না যদিও। লেখায় মন্তব্যে নিজস্বতার ভীষণ ছাপ রাখা এই ব্লগার রয়ে গেছেন আমার প্রিয় তে।

সোহানী আপু সোহানী আপু
ব্লগিং দশক পূর্তি করা ব্লগার সোহানী আপু ! পরিশ্রম ও মেধায় সমন্বয়ে সফলতার অনন্য দৃষ্টান্ত রেখেছেন সবখানেই। আপুর লেখা অভিজ্ঞতা পোস্ট গুলো আমাদের সবাইকে অনেক ব্যাপারে সাহায্য করেছে। প্রাণশক্তিতে ভরপুর আপু মন্তব্যে ও থাকেন উজ্জ্বল।


৩- খ প্রিয় ব্লগার সাতঃ

ডঃ এম এ আলী
ব্লগের অন্যতম গুণীজন হিসেবে দেশের বর্তমান সমস্যা এবং তার প্রতিকার সহ লেখাগুলো সবসময়ে ব্লগ এবং আমাদের কে সমৃদ্ধ করে আসছে। যে কোন বিষয়ে উনার জ্ঞানের গভীরতা পাঠক কে মুগ্ধ করার মত। শক্তিশালী লেখনী এবং ব্লগারদের লেখায় বিশ্লেষণাত্মক মন্তব্য নিয়ে ব্লগের অন্যতম অভিভাবক হিসেবে আছেন আলী ভাই।

আহমেদ জী এস
কবিতা মুক্তগদ্য ভ্রমণ সহ অভিনব বিষয়ে অসাধারণ সব লেখায় ব্লগ কে সমৃদ্ধ করে যাচ্ছেন ভাইয়া! ব্লগারদের লেখায় পরামর্শ উৎসাহ সব দিকেই থাকে যত্নের ছাপ। আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী একজন ব্লগার হিসেবে তিনি ব্লগের অন্যতম জনপ্রিয় একজন। নিজস্ব মেধা'র দীপ্তি ছড়িয়ে ব্লগারদের আস্থার প্রতীক হয়ে আছেন।

খায়রুল আহসান
খুব সাধারণ ছোট্ট বিষয় নিয়ে সব লেখায় ও আবেশ ছড়ান আহসান ভাই; নিত্যকার গান গল্প জীবন চর্চা জীবন বোধ উঠে আসে লেখায় মমতায় আর অকৃত্রিমতায়। মন্তব্যে উৎসাহে ব্লগ কে বেঁধেছেন মায়ায়।

শেরজা তপন
বহুদিন অপেক্ষায় শেরজা তপনের লেখার; তবুও রয়ে গেছেন প্রিয় তে নিজস্ব লেখার যাদুতে! অসম্ভব প্রাণোচ্ছল বর্ণনা নতুন নতুন লেখার বাঁক সবকিছু মিলিয়ে শেরজা তপন অনন্য। সহ ব্লগারদের সাথে মিথস্ক্রিয়ায় ও উনি সিদ্ধহস্ত।

মোস্তাফা কামাল পলাশ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান এবং সতর্কতা মূলক লেখালিখি দিয়ে ব্লগ কে অন্যমাত্রার সমৃদ্ধ করে চলেছেন মোস্তাফা কামাল পলাশ। পাশাপাশি রয়েছে মানবিক সব কার্যক্রমে সক্রিয়তা। আজকাল মন্তব্যে কম থাকছেন হয়ত পেশাগত ব্যস্ততার জন্য কিন্তু সঠিক সময়ে সতর্ক করতে ভোলেন না আমাদের।

ডক্টর এক্স
মনস্তাত্ত্বিক বিষয়ে ডক্টর এক্স এর লেখা আমার কাছে ব্লগের আকর্ষণীয় এবং সমৃদ্ধ অংশ! অসম্ভব মুন্সিয়ানায় তুলে আনেন মন জাগতিক তথ্য। ডক্টর এক্স লেখায় একধরনের আকর্ষণ আছে যা আপনাকে শেষ লাইন তক নিয়ে যাবে।

কালীদাস
আজকাল লিখছেন কম মন্তব্য বেশি এই ট্রাশ মেটাল লাভারের। একটু পিছিয়ে আগের সিরিজগুলো এক একটা অভিজ্ঞতার খনি। স্মৃতিচারণ নিজের গল্প বলার সহজিয়া স্টাইল মহাকবি কে আমাদের সবার কাছের একজন করে রেখেছে।



৪ - ক প্রিয় কবি সাতঃ

বৃতি বৃতি
একটি হারিয়ে যাওয়া সব কিছুর তালিকা, বিজ্ঞপ্তি নয় = লেখা টি পড়ে আমি বৃতির লেখার প্রেমে পড়েছিলাম! তারপর আর কি শব্দে শব্দে চিত্ররূপে কল্পনায় ভাগাভাগীতে আজও বৃতির লেখা আমাকে মুগ্ধ করে।

শায়মা শায়মা
শায়মা যে কতকিছু করে আবার কবিতা ও লিখে লিখে খোকাভাইকে আমাদের সাথে পরিচয় করায়, এক হাজার একতম কনিষ্ঠ প্রেমিক হতে চাওয়া যুবক ও তার কবিতায় স্থান পায়। মাঝেমাঝে তার দাঁত ভাঙা কবিতার শব্দের ইট আমার করোটি ছুঁয়ে ফিরে আসে যদিও। সবকিছু নিয়েই আমার প্রিয় তালিকায় কবি শায়মা।

শিখা রহমান শিখা রহমান
শিখার কবিতা মনের দুয়ার খোলা কবিতা, হোক সে ছুঁয়ে দিতে না পারার দীর্ঘশ্বাস অথবা স্পর্শের আনন্দ !! পাঁজরের নীচের ক্ষত হোক অথবা নক্ষত্র আঁকা গাল কপাল সব বর্ণনাতেই শিখার লেখার আবেগ দ্রুতগামী ঘোড়সওয়ার হয়ে পাঠকের খুব কাছে কাছে থাকে। শিখা রহমানের কবিতায় যেমন আহবান থাকে নিকোটিনের এলচুল রুদ্রের; তেমনি থাকে লালশাড়ি টিপ কাজলের মায়া, বইমেলা ছোঁয়া কবি' র হৃদয় ঈশ্বরী।

মিথীমারজান মিথী_মারজান
মিথীর কবিতার শব্দের পেলবতা কোমলতা বিষণ্ণতা পাঠকের হৃদয়ের অতলান্তিক ছোঁয় ! ভাবের গভীরতা পাঠকে করে তৃপ্ত। চন্দ্রমা ছুঁয়ে দিতে চাওয়ার আকুতি অথবা আবদারের মহুয়া ফুল সব রূপেই সুগন্ধ তীব্র।

উম্মে সায়েমা উম্মে সায়মা
ব্লগের এই স্বল্পভাষী কবি'র কবিতার বলয় থেকে মুক্তি মেলা ভার! ঈর্ষান্বিত ভাবে সে এঁকে চলে ব্লগের ক্যানভাসে শব্দের শিল্পিত অবয়ব। সৌন্দর্যের আপেক্ষিকতা বর্ণনা উঠে আসে শব্দে শব্দে ফুল হয়ে। আর রয়ে যায় পাঠকের প্রিয় তালিকায়।

রাবেয়া রহিম রাবেয়া আপু
রাবেয়া আপুর অহর্নিশ যাতনা বাড়ানোর কৃষ্ণপক্ষের রাতগুলোর শৈল্পিক উপস্থাপন অবশ্যই পাঠকে মোহিত করবে। কথোপকথন ধাঁচের অথবা প্রান্তিক ভাষায় ! সব ভাবেই আশ্চর্য মুন্সিয়ানায় তুলে আনেন হৃদ কথন।

নীলপরি নীলপরি
এ সময়ে ব্লগের দুর্দান্ত লেখা কবিতার কবি একজন নীলপরি ! শার্টের পকেটে আকাশ খুঁজতে চাওয়া ভালোবাসা অথবা বেহিসাবি ভালোবাসার মাসুল সবভাবেই রেখে গেছে শব্দশিল্প।



৪- খ প্রিয় কবি সাতঃ

দিশেহারা রাজপুত্র দিশেহারা রাজপুত্র
দিশেহারা রাজপুত্রের কবিতার রাজ্যে পাঠকে মুহুর্মুহু হারাতে হয়! বাবার খুদা আঁকা র চিত্ররূপে মা'য়ের আয়ু ফুঁকে দেয়ার মমতায়! রাজপুত্র লেখেন জুঁইফুল! নিরু নামের দুঃখ রাখেন অস্তিনে আর হরিণ টানা দুপুর আঁকেন শব্দে। কবিতায় টানা লাইনে নিয়ে যাবে কয়েক ক্রোশ আনন্দে।

জাহিদ অনিক জাহিদ অনিক
বৈচিত্র্য ভাষা আর ভাবে সব দিকেই এই কবি' র কবিতার জয়জয়কার! জাহিদ অনিকের কবিতারা পাঠকের কথা বলে একজন কবি' র কথা বলে। জাহিদের কবিতায় শব্দ পাখির দল গান করে, কাউকে শোনায় কবিতা আবার কারো অন্তর বেদনার উপশম। কবিতারা যে পাঠকের চোখের তারা স্পর্শ করে, তাদের সবাইকে সম্পর্কের মায়ায় রাখে।

ভ্রমরের ডানা ভ্রমরের ডানা
ভ্রমরের ডানার চঞ্চলতা জমা রাখেন এ কবি নিজের লেখায়। ফেনিল নীলাভ সমুদ্র হলদে ফুলের মায়া প্রকৃতির রূপ যেন কবিতায় লেখা করে তার। শ্যামলিমা ছুঁয়ে স্নিগ্ধতা বিলায় কবিতায়।

কথাকথিকেথিকথন কথাকথিকেথিকথন
বড্ড কঠিন অথচ কী আশ্চর্য মোহনীয় ! নামের মত কবিতা নিয়ে ও এক লাইন বলাই যথেষ্ট প্রিয় এ লেখকের।

নাগরিক কবি নাগরিক কবি
উনি নগরের ই কবি, নাগরিক কবির কবিতায় নগরের ই উপাখ্যান থাকে।

কিরমানী লিটন কিরমানী লিটন
সহজ ছন্দবদ্ধতায় অপূর্ব কৌশলে উনি ফুটয়ে তোলেন কাব্য ফুল।

আজাদ মাহাবুবুল আজাদ মাহাবুবুল
মাহাবুবুল আজাদের কবিতায় আমি মাটির গন্ধ পাই। লেখার কোমলতা আত্মীয়তা বন্ধনে বাঁধে সবাই কে



৫ - ছড়াকার সাতঃ

প্রিয় প্রিয় সব ছড়াকার নিয়ে আমার চাইতে ব্লগের অন্য সবাই ভালো বলতে পারবেন। সাত লিখতে বসেছি অথচ সাতজন প্রিয় নেই তাই বেশি প্রিয় যে তার নাম ই এনেছি।

কি করি আজ ভেবে না পাইঃ
সুপার জিনিয়াস ছড়াকার, মুখে মুখে ছড়ায় গাঁথার এক অসাধারণ প্রতিভা নিঃসন্দেহে। আমাদের ব্লগের সবার লাডলা এই কি করি আজ ভেবে না পাই।

প্রামাণিক ভাইঃ
প্রামাণিক ভাই এর ছন্দ বন্ধতায় শিল্প খেলা করে।

কি করি আজ ভেবে না পাইঃ
সুপার জিনিয়াস ছড়াকার, মুখে মুখে ছড়ায় গাঁথার এক অসাধারণ প্রতিভা নিঃসন্দেহে। আমাদের ব্লগের সবার লাডলা এই কি করি আজ ভেবে না পাই।

স্নিগ্ধ মুগ্ধতা
লেখায় ঝাঁজ ও ছন্দ নিয়ে ই স্নিগ্ধ মুগ্ধতার লেখালিখি।

কি করি আজ ভেবে না পাইঃ
সুপার জিনিয়াস ছড়াকার, মুখে মুখে ছড়ায় গাঁথার এক অসাধারণ প্রতিভা নিঃসন্দেহে। আমাদের ব্লগের সবার লাডলা এই কি করি আজ ভেবে না পাই।

বাক প্রবাসে
শৈশবের ফেলে আসা দিন হোক না পাথর সময়ের নিঃসঙ্গ মুহূর্ত বাকপ্রবাসে ঠিকঠাক ছন্দে সাজিয়ে পরিবেশন করেন আমাদের কাছে।

কি করি আজ ভেবে না পাইঃ

সুপার জিনিয়াস ছড়াকার, মুখে মুখে ছড়ায় গাঁথার এক অসাধারণ প্রতিভা নিঃসন্দেহে। আমাদের ব্লগের সবার লাডলা এই কি করি আজ ভেবে না পাই।



৬- ক - প্রিয় গল্পকার সাতঃ

খেয়া ঘাট খেয়া ঘাট
সাধারণ থীমে ছোট্ট আধুনিক সময়ের উপযোগী লেখা।

আবু হেনা আবু হেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম
চমৎকার প্লটে সব গল্প লিখেন হেনাভাই ! উনার রম্য ও অসাধারণ।

কাণ্ডারি অথর্বকাণ্ডারি অথর্ব
সব সময় ই দারুণ আনন্দ নিয়ে পড়ার মত লেখা।

হাসান মাহবুব হাসান মাহাবুব
হাসান ভাই ব্লগের বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয় মুখ; সবাই উনার শক্তিশালী লেখার সাথে পরিচিত।

নীল আকাশ নীল আকাশ
বর্তমান সময়ে সবচাইতে প্রতিশ্রুতিশীল লেখক গল্পকার নীলআকাশ; শব্দ চয়ন ভাষার মাধুর্য বজায় রেখে বেশ সাবলীল হাতে লিখেন। নীল আকাশের গল্পের নারী চরিত্র গুলো আমাকে আকৃষ্ট করে। অসম্ভব দৃঢ়তা আর মমতার সমন্বয়ে আদর্শ স্বাধীনচেতা নারী মনে হয়।

পদাতিক চৌধুরি পদাতিক চৌধুরি
সাধারণ ঢঙে বলা চৌধুরি ভাইয়ের লেখা গুলো বেশ তথ্যমূলক এবং মনকাড়া।

অহরিত অহরিত
সার্বজনীন পাঠকপ্রিয়তা পাবার মত অসম্ভব ভালো লিখেন এই ব্লগার ! অহরিত' র লেখা একজন ব্লগার এবং পরিপূর্ণ গল্পকার হিসেবে প্রশংসা পাবার দাবীদার নিঃসন্দেহে! আশা করছি একদিন দেশ কালের সীমানা ছাড়াবেন উনি নিজের লেখায়।


৬- খ প্রিয় গল্পকার সাতঃ

অপর্ণা মন্ময় অপর্ণা মন্ময়
ঝরঝরে বর্ণনা শক্তিশালী সব চরিত্রের সমন্বয়ে লেখা উনার গল্প সবসময়ে সুপাঠ্য। সমাজের বেশ পরিচিত চরিত্র গুলো উঠে আসে অপর্ণার লেখায়। লেখার ধাঁচে উঠে আসে লেখকের পর্যবেক্ষণের গভীরতা! ভালো মন্দ সব কিছু উঠে আসে পুক্ষানুপুক্ষ ভাবে।

আরজু পনি আরজু পনি
আরজু র গল্পে লেখার হাত চমৎকার। নারীদের মনজাগতিক এবং সামাজিক অবস্থান উঠে আসে গল্পে।

শিখা রহমান শিখা রহমান
শিখা রহমানের গদ্য পাঠক কে আবেশিত করে, শব্দ জালের মায়ায় বিমোহিত করে তার প্রেক্ষাপট বর্ণনা এবং প্লটের গাঁথুনি ও দুর্দান্ত। চরিত্র চিত্রণে শিখা রহমানের দক্ষতা প্রশংসনীয়। হৃদয় উপচানো উতল ভালোবাসা শিখার লেখাকে আমাদের প্রিয় তে আনে, আমাদের কে লেখা এবং লেখক কে ভালোবাসতে শেখায়।

শায়মা শায়মা
শায়মার একটানে বলে যাওয়ার ঢঙে লেখা গল্প বেশ আকর্ষণীয়। পরতে পরতে নাটকীয়তা এবং চমক অপেক্ষা করে আমাদের জন্য। শায়মা লিখেন আমাদের জন্য।

সামিয়া সামিয়া
সামিয়ার নাগরিক জীবন নিয়ে বলা গল্পগদ্য পাঠকের আগ্রহ ধরে রাখতে সক্ষম।

নুরুন নাহার লিলিয়ান নুরুন নাহার লিলিয়ান
নুরুন নাহার লিলিয়ান বেশ শক্তিশালী গদ্য লিখিয়ে, প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতায় লেখা লিলিয়ানের গল্পগুলো চমৎকার, অনবদ্য।

ফাহমিদা বারী ফাহমিদা বারী
হ্যাঁ গল্প লিখতে জানেন ফাহমিদা বারী! বৈচিত্র্যে ভরপুর লেখা পাঠক টানে।


৭ - রম্য লেখক সাতঃ


গিয়াস উদ্দিন লিটনঃ
যে কোন সাধারণ ঘটনাকে রম্যরসে টুইটুম্বুর করে প্রকাশে লিটন ভাই অদ্বিতীয়। লেখকের বাল্যকাল ছিল খেজুর গাছ ডাবগাছ ময় উনার লেখায় আমাদের গ্রাম্য সমাজ অপূর্বতায় ধরা দেয়।

আখেনাটেন
শৈশবের আলুপোড়া থুক্কু পাটকাঠি সিগারেট হোক বা বেতের বিসর্জন, নিজস্ব ঢঙে উনি পাঠক' কে অনায়েসে দম বন্ধ করা হাসির গল্প উপহার দেন।

অপু দ্যা গ্রেটঃ
যাপিত জীবনের প্রাত্যাহিক সব ঘটনা অপু' র লেখায় গ্রেট রম্য হয়ে উঠে আসে। ব্যাচলর রম্য যাকে বলে তা ই থাকে লেখায়। সত্যি 'ই !!
অপু দ্যা গ্রেট!

মোঃ মাইদুল সরকার
ব্লগীয় রম্যে ইতোমধ্যেই বাজিমাৎ করেছেন মোঃ মাইদুল সরকার।

সামু পাগলা ০০৭

আমার সবসময় মনে হয় সামু পাগলা মনে হয় কিছুকিছু ব্লগারদের বাসায় সিসিটিভি রেখেছেন, না হয় এমন নিখুঁত ভাবে সেসব কেমন করে তুলে আনেন কল্পনায় ! ব্লগারদের কাঁছা খুলতে উনার জুড়ি নেই। প্রিয়প্রিয় তালিকায় তাইত সে থাকে আপন মহিমায়। ০০৭ এর লেখার বৈচিত্র্য আমাকে সত্যি ই মুগ্ধ করে।



৮ - প্রিয় ভ্রমণ লেখক সাত

শেরজা তপনঃ
শেরজা তপনের ভ্রমণ গল্পে বাহুল্য নেই মনকাড়া সব ছবি নেই তবুও কী যে জীবন্ত মনে হয় !! ঠিকঠাক সব চোখের আয়নায় উঠে আসে চিত্ররূপে ধরা দেয় প্রকৃতি সময় পরিবেশ এবং চরিত্র রা।

জুনঃ
জুন আপুর ভ্রমণ ব্লগ এটা সম্পূর্ণ প্যাকেজ !! যেখানে কোনকিছুর কমতি নেই; স্থানের বর্ণনা ছবি ইতহাস এবং ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সব মিলেমিশে একাকার হয় সেখানে। জুনাপু ফোটায় ভ্রমণ পদ্ম!

সাদা মনের মানুষঃ
সাদামন ভাইয়ের অসাধারণ সব ছবি ভ্রমণ আনন্দে অন্য মাত্রা আনে।

শোভন শামসঃ
শোভন শামস এর ভ্রমণ কাহিনীর সবচাইতে বড় বৈশিষ্ট্য, সেগুলো খুব দুর্গম এবং অপরিচিত / অপ্রচলিত স্থানের পরিচয় তুলে আনে।

মাহের ইসলামঃ
মাহের ইসলামের ভ্রমণ ব্লগ আমাকে টেনেছে শুরু থেকেই, এখনকার সিরিজ ও বেশ সুখপাঠ্য। সবচাইতে বেশি আমাকে আকর্ষণ করে লেখার এডভেঞ্চার, প্রতিমুহূর্তেই থাকে উত্তেজনা। দারুণভাবে উপভোগ্য হয়ে উঠে পাঠের সময় গুলো।

বোকা মানুষ বলতে চায়।
অনেকদিন বিরতির পর ফিরেছেন আমাদের বোমা ভাই উনার ভ্রমণ গল্পের ঝাঁপি নিয়ে !! যে কোন ভ্রমণ পিয়াসী ব্লগারদের জন্য ভাইয়ার লেখা অনেকটাই নির্দেশিকার মত। পাঠকরা দারুণ ভাবে উপকৃত হন যাত্রা খরচ এর বিশদ বর্ণনায়।

ভুয়া মফিজ
ভাইয়ার রান্না'র হাত বেশ ভালো !! সেটা কাচ্চি ই হোক আর ভ্রমণ ই হোক বেশ সুস্বাদু; পরিবেশন ঢঙ ও নজরকাড়া। অটোম্যান সাম্রাজ্য ভাজাভাজা করা লেখাগুলো দারুণ পাঠক প্রিয়।


৯ - ব্লগিং এ প্রাপ্তি সাতঃ

ক- প্রবাসে ব্লগ সব সময় আমার কাছে এক টুকরো স্বদেশের ছোঁয়া; প্রবাসী একাকীত্বের সময়গুলো তে ব্লগেই পেয়েছি স্বদেশের আশ্রয়!
প্রিয়জনদের সানিধ্য আর পড়ুয়ার সবচাইতে অভীষ্ট প্রচুর পাঠের সুযোগ।
খ- ব্লগিং আমাকে বর্তমান সময় কে, রাজনীতি কে এ সময়ের সাহিত্য সমাজ চর্চা এসব জানতে সাহায্য করেছে।
অসাধারণ মানের / মনের লেখক দের সাথে পরিচয় করিয়েছে।
গ- আমাকে লিখতে শিখিয়েছে।
ঘ- অবসর সময়ের পূর্ণ উপযোগ করতে সাহায্য করেছে আনন্দের সাথে।
ঙ- প্রবাসী দের যাপিত জীবনের গল্প কে প্রবাসী পাঠক হিসিবে জেনেছি অন্য প্রবাসীদের কাছে।
চ- ব্লগারদের সংকলন ঋদ্ধ -১ এবং এবারের ব্লগারদের আরেক লেখাজোকা তে কবিতা প্রকাশ।
ছ- অসম্ভব প্রিয় প্রিয় কাছের কিছু বন্ধু পাওয়া।



১০ - ব্লগিং এ প্রত্যাশা সাতঃ

ক- ব্লগ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রত্যাশা ব্লগের ছোটখাট ত্রুটি গুলো থেকে মুক্ত করে ব্লগিং কে আনন্দময় করতে সাহায্য করা।
খ- ব্লগারদের সাথে আন্তরিকতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন।
গ- নতুন ব্লগারদের জন্য নির্দেশিকা সহ, নতুন ব্লগাদের নিরুৎসাহিত করা মন্তব্যে দেয়া থেকে পুরনো ব্লগারদের বিরত রাখা।
ঘ - ব্লগাদের কাছে কাছে প্রত্যাশা সহনশীলতার।
ঙ - পরিচিতদের লেখার পাশাপাশি ভালো লেখার ও মুল্যায়ন।
চ - ব্লগ যদিও সব সময় ই যেমন ইচ্ছে লেখার খাতা তবুও একটা নিদিষ্ট মান বজায় থাকে এমন লেখা প্রকাশ করবেন বলেই আশা রাখি।
ছ -ব্লগার' রা অবশ্যই সমাজের সচেতন অংশ; দল মত নির্বিশেষে একপেশে অন্ধত্ব বর্জন করে গঠন মূলক লেখা আশা করতেই পারি তাদের কাছে।


১১ - ব্লগার ফেসবুকে সাতঃ

ব্লগার' রা ফেসবুকে বন্ধুত্ব করার সময় গুলো তেই আমার ব্লগে আগমন। নিজের নামে ব্লগিং বা নিজেদের পরিচয়ে ব্লগনিক নিয়ে ব্লগিং করা ভার্চুয়াল নামগুলি একসময় ফেসবুকে বন্ধু হয়ে মন্তব্য আদান প্রদান অথবা বাস্তব চরিত্রে সামনে এসে দেখা দেয়। একটা সম্পর্কের জালে আমরা সবাই। এদের মাঝে কয়েকজন আছেন আজকাল ব্লগে সময় দিতে পারেন না, কিন্তু ফেসবুকে প্রিয় হয়ে আছেন।
ক - ব্লগার নিমচাঁদ
খ- ব্লগার রাইট রিডার
গ- ব্লগার ফেরদৌসি রুহী
ঘ- ব্লগার কামরুন নাহার
ঙ- ব্লগার আবু শাকিল
চ- ব্লগার মইনুদ্দিন মইনুল
ছ- ব্লগার তাসলিমা আকতার



১২ - প্রবন্ধ সাতঃ

ব্লগে বেশ সমৃদ্ধ অংশ প্রবন্ধ! লেখালিখি করে কিছু হয় না আবার লেখালিখি করেই হয়। ব্লগে চমৎকার সব প্রবন্ধ আসে প্রতিনিয়ত আমাদের জানার তালিকা ঋদ্ধ করে সেসব লেখা। আমার প্রিয় তে আছেন যারা।

ক- ডঃ এম এ আলী ডঃ এম এ আলী
বারবার বহুবার বহু বিশেষণে ও আমার পক্ষে আলী ভাইয়ের এ অসাধারণ লেখনী শক্তির বর্ণনা দেয়া সম্ভব না। ব্লগে পাঠক মাত্রই সবাই তা জানেন।

খ- অগ্নি সারথি অগ্নি সারথি
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে নিয়ে উনার লেখা আন্তর্জাতিক মানের নিঃসন্দেহে।

গ- রাকু হাসান রাকু হাসান
রাকু হাসানের অপ্রচলিত বেশকিছু লেখা আমাকে মুগ্ধ করেছে।

ঘ- মলাসিলমুইনা মলাসইলমুইনা
ভাইয়ার লেখা মানেই দারুণ কিছু !! মানবিক কিছু এবং শিক্ষণীয় কিছু।

ঙ- সম্রাট ইজ দ্যা বেস্ট সম্রাট ইজ দ্যা বেস্ট
সম্রাট জিসান বেশ কিছু সিরিজ দারুণ দক্ষ হাতে রচেছেন, বিষয় নির্বাচনে ও প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।

চ- আখেনাটেন আখেনাটেন
বেশ গুরুত্বপূর্ণ সব টপিক উঠে আসে এই ফারাও ভাইয়ার লেখায়।

ছ- কাওসার চৌধুরী কাওসার চৌধুরী
অনুবাদ আর প্রবন্ধে কাওসার চৌধুরী' র সাবলীলতা উপভোগ্য বেশ। চমৎকার লেখার হাত হোক তা গল্প বা সমৃদ্ধ প্রবন্ধ।



১৩ -ক বিশেষ সাতঃ
সাম্প্রতিক সময়ে ব্লগারদের পোস্ট চমৎকার সব মন্তব্য করে অনেকেই ব্লগ মাতাচ্ছেন, তাদের মাঝে বিশেষ কয়েকজন আবার আমার বিশেষ প্রিয়। আমার লেখায় উনাদের সরব উপস্থিতি আমাকে সব সময় আনন্দ দেয়। আনন্দিত হই চমৎকার সব নবীন সময়ের মুখপাত্রদের সাথে মিথস্ক্রিয়ায়।

ক- আর্কিওপটেরিক্স সাথে স্রাঞ্জি সে
খ- নসজু
গ- পুলক ঢালি
ঘ- শাহরিয়ার কবীর
ঙ- সৈয়দ তাজুল ইসলাম
চ- বিদ্রোহী ভৃগু
ছ- নক্ষত্র নীড় সাথে পদ্মপুকুর ভাইয়া।


১৩ - খ বিশেষ সাত

সাম্প্রতিক সময়ে ব্লগে পোস্ট চমৎকার সব মন্তব্য করে অনেকেই ব্লগ মাতাচ্ছেন, তাদের মাঝে বিশেষ কয়েকজন আবার আমার বিশেষ প্রিয়। আমার লেখায় উনাদের সরব উপস্থিতি আমাকে সব সময় আনন্দ দেয়। আনন্দিত হই চমৎকার সব নবীন সময়ের মুখপাত্রদের সাথে মিথস্ক্রিয়ায়।

ক-নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন
খ- রাজীব নুর
গ- সুমন কর
ঘ- নূর মোহাম্মদ নুরু
ঙ- চাঁদগাজি
চ- ওমেরা ও মৌরি হোক দোলা
ছ- বোকা মানুষ এবং কাজি ফাতেমা আপু



১৪ - প্রিয় মডু সাতঃ

আর কেউ থাকলে চিনি না, আর না থাকলে ও সমস্যা নেই; উনি একাই সাত জনের বরাবর, সেই এক নাম ই।

ক- কাল্পনিক_ ভালোবাসা
খ- কাল্পনিক _ ভালোবাস
গ- কাল্পনিক_ ভালোবাসা
ঘ- কাল্পনিক _ ভালোবাস
ঙ- কাল্পনিক_ ভালোবাসা
চ- কাল্পনিক _ ভালোবাসা
ছ- কাল্পনিক _ ভালোবাসা



১৫- মন্তব্যে প্রিয় সাতঃ


আহমেদ জী এসঃ
ভাইয়ার মন্তব্য লেখার সৌন্দর্য ! ব্লগের প্রতিটি লেখায় উনি এত যত্নে, বিষয় সংশ্লিষ্ট মন্তব্য করেন যে লেখক নিজের লেখার সুরভীতে নিজেই মুগ্ধ হতে বাধ্য। পাশাপাশি লেখার গঠন মূলক সমালোচনা ব্লগারদের লেখক কে পরবর্তী লেখার উৎকর্ষ সাধনে সাহায্য করে। বিশেষ করে আমার বেলায় বানান এবং

ডাঃ এম এ আলী
ডঃ আলী ভাইয়ার মন্তব্য এক একটা গবেষণা পত্রের মত মূল্যবান!! ব্লগের নতুন পুরাতন নির্বিশেষে সবার লেখায় ভাইয়া যেভাবে বিশ্লেষণ করেন বিস্তারিত বর্ণনা দেন এবং গঠন মূলক সমালোচনার মাধ্যমে পরামর্শ প্রদান করেন; এতে করে আমাদের লেখায় আলাদা একটি মাত্রা যোগ হয়।

খায়রুল আহসান
আহসান ভাইয়ার প্রতিটি মন্তব্য আন্তরিকতা বিনম্রতা উপদেশের মিশেলে অনন্য রূপ নেয়, লেখার গঠন মূলক দিক গুলো ও চমৎকার ভাবে তুলে আনেন। সবচাইতে উল্লেখ করার মত হচ্ছে সকল ব্লগারদের আগের লেখা গুলো খুঁজে খুঁজে পড়ে ভাইয়া দারুণ সব মন্তব্য করেন।

শিখা রহমান
জাদুকরী গদ্যে শিখা রহমান মন্তব্যে নিয়ে আসে এক ঘোর লাগা অনুভব; কাব্যে কবিতায় ভালোবাসায় জড়িয়ে রাখে সবাই কে।

মিথী মারজান
চন্দ্রমহিয়ান মিথী চাঁদের জোছনার মত সবাইকে মন্তব্য মায়ায় বাঁধে! ভালোবাসার সুবাস লেগে থাকে মিথীর মন্তব্যে।

জাহিদ অনিক
মন্তব্য ও যে শিল্প সেখানে ও যে নিজের মননের ছাপ রাখতে হয়; জাহিদ অনিকের মন্তব্য তার প্রমাণ! সবসময় ই বিষয় সংশ্লিষ্ট এবং দীপ্ততার ছোঁয়া থাকে।

রাকু হাসান
হুম এবং অবশ্যই রাকু হাসান !! আমার পুঁইডাঁটা র হিসেব রেখে রেখে প্রিয়তে চলে এসছে।


১৬- ব্লগিং এ আমার সিক্রেট সাতঃ


ক- আমার ব্লক লিস্টে আজ তক কেউ নাই !
খ- আমার অনুসারিত তালিকা প্রায় ই বদল হয় !
গ- আমি খুব কম নির্বাচিত পোস্ট এ যাই!
ঘ- রাজনৈতিক লেখায় মন্তব্য করি না !
ঙ- ক্যাচালে থেকে দূরে থাকি !
চ- কখনো মন্তব্যে মডারেশন দেই নাই !
ছ- এই মুহূর্তে ব্লগে আমার কোন মাল্টি আই ডি নাই!



১৭ ব্লগিং এ অপছন্দ সাতঃ

ক- সবচাইতে অপছন্দ ধর্ম বিদ্বেষী লেখা! (তা সে যে ধর্ম ই হোক)
খ- একপেশে রাজনৈতিক লেখা !
গ- ধর্মীয় লেখায় কু- যুক্তি দেয়া !
ঘ- ব্লগে মন্তব্য বন্যা !
ঙ- না পড়ে কেবল হাজিরা দিতে মন্তব্য !
চ- নিজেদের লেখায় একে ওপরের পিঠচুলকানো !
ছ- ব্লগারদের পড়ার চেয়ে লেখা বেশি!


অলস আমি সবসময় ই লিখি কম পড়ি বেশি, সে ধারাবাহিকতায় এবং ঐতিহ্য রক্ষায় বদ্ধপরিকর এখন ও। বাংলা ব্লগের ভাটির দিনগুলো তে ব্লগিং শুরু করি আমি ! সে অর্থে পুরনো ব্লগারদের " আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম " আমাকে টান না; আমার কাছে আমার কাটানো সময় ই ব্লগের সমস্ত সুন্দর দিনের সংজ্ঞা। আমার আনন্দময় সময়ের ব্লগিং যারা আমার পাশে ছিলেন তাদের জন্য বসন্তের শুভেচ্ছা ! আগুণ রঙা ফাগুন আসুক সবার অন্তরে।


সেলিম আনোয়ার, কাতিআশা আপু, মুক্তানীল আপু, নূর ই হাফসা, মোহেবুল্লাহ অয়ন, তারেক_মাহমুদ, ব্লগার প্রান্ত, সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, সুরঞ্জনা আপু , নিশাত তাসনিম, রেজওয়ান আলী তানিমা, আমি তুমি আমরা, পাঠকের প্রতিক্রিয়া, বিলিয়ার রহমান , সত্যপথিক শাইয়্যান, আব্দুলহাক ভাই, মাহমুদুর রহমান সুজন, নীল দর্পণ , স্বপ্নের শঙ্খচিল, বিজন রয়, ঢাবিয়ান ভাইয়া, জুনায়েদ বি রাহমান , সামচুল হক, অব্যক্ত কাব্য, আগন্তুক , অন্তরন্তর, রূপক বিধৌত সাধু, অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য, কামরুননাহার কলি, :):)(:(:(:হাসু মামা, সৈয়দ ইসলাম , শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া), ক্লে ডল, Biniamin Piash , অজানিতা , অলওয়েজ ড্রিম , নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন ফয়সাল রকি, আরোগ্য, স্বপ্নবাজ সৌরভ, রহমান লতিফ "ল", হাবিব স্যার, সনেট কবি, লিখন০৩ ,গুলশান কিবরিয়া
অকপটে , মো: সালাহ উদ্দিন, নাহিদ, গোফরান, ডার্কম্যান, অলিভিয়া আভা , মোহাম্মদ ঈসমাইল, তারেক ফাহিম সহ আমার নাম ভুলে যাওয়া সহ ব্লগার গন।

ধন্যবাদ সবাইকে অন্তরের অন্তঃস্থলের শুভেচ্ছা ফাগুণের!
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১:৪৩
৫৭টি মন্তব্য ৫৭টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার তোলা কিছু ছবি (ছবি ব্লগ)

লিখেছেন রাজীব নুর, ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩২



একটা ছবি ব্লগ দিলাম।
অনেকদিন ছবি ব্লগ দেই না। তাই আজ একটা ছবি ব্লগ দিলাম। ছবি গুলো পুরোনো। ছবি দেখতে সবারই ভালো লাগে। তবে কিছু ছবি মানুষকে পেইন দেয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

» বিজয়ের মাসে লাল সবুজের পতাকার রঙে আঁকা ছবি (ক্যানন ক্যামেরায় তোলা-১১)

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৮



বিভিন্ন সময়ে তোলা এই ছবিগুলো। সবগুলোই ক্যানন ক্যামেরায় তোলা। বিজয়ের মাস তো তাই এই পতাকা রঙ ছবিগুলো দিতে ইচ্ছে করতেছে। কী সুন্দর আমাদের দেশ। কত ফল ফুলে ভরা। কী সুন্দর... ...বাকিটুকু পড়ুন

নগরবধু আম্রপালী মহাকাব্য

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪


ভুমিকা: উপনিষদে নারীর স্বাধীন ক্রিয়াকলাপে অংশগ্রহণে বানপ্রস্থ এবং সন্যাস গ্রহণের বর্ণনামূলক অনেক বিবরণ পাওয়া যায়। প্রাচীন ভারতে কিছু রাজ্যে নগরবধূর মতো প্রথা প্রচলিত ছিল। নারীরা নগরবধূর ঈপ্সিত শিরোপা জয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

হয়ত বা ইতিহাসে তোমাদের নাম লেখা রবে না (একটি ছবি ব্লগ)

লিখেছেন শের শায়রী, ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৫৯



যে মানুষটি যুদ্ধে উপস্থিত না থেকেও প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধার মনে তার ইস্পিত দৃঢ় ইচ্ছা বপন করে স্বাধীনতা যুদ্ধের অবিসংবিদিত নেতা হিসাবে নিজেকে নিজ গুনে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন সেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকারের লোকদের ভাবনাশক্তি আসলে খুবই সীমিত!

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১০



মগের বাচ্চারা আগে ছিলো দলদস্যু, বাংলার উপকুল ও নদী-তীরবর্তী গ্রামগুলোতে লুতরাজ চালাতো, গরীবদের গরু-ছাগল, ছেলেমেয়েদের ধরে নিয়ে যেতো; এখন তাদের হাতে আধুনিক অস্ত্র, তারা রোহিংগাদের উপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×