somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার পরিচয়

কাগজের তৈরি কাক

আমার পরিসংখ্যান

নকল কাক
quote icon
নকল কাক
আমার সকল পোস্ট (ক্রমানুসারে)

দেওবন্দিয়্যাত ও মওদুদিয়্যাতের মাঝে পার্থক্য

লিখেছেন নকল কাক, ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:৪৯

হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ আমিন উকাড়বি (রাহঃ) এর কাছে এক ব্যক্তি এসে জিজ্ঞেস করল, “হযরত, দেওবন্দিয়্যাত ও মওদুদী মতবাদ-এই দুইয়ের মধ্যে কী পার্থক্য ?
তখন তিনি তাকে সরাসরি জবাব না দিয়ে প্রথমে হযরতজী মাওলানা ইউসুফ কান্ধলভি (রাহঃ) এর লেখা ‘হায়াতুস সাহাবা’ পড়তে দিলেন। আর বললেন, ‘এক সপ্তাহের মধ্যে এটা পড়ে আমার... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৯ বার পঠিত     like!

পর্ব ৬: লোহার দানবের কিংবদন্তি

লিখেছেন নকল কাক, ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৫:৩২

২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর। ইস্তানবুলের কাসিমপাশা নৌঘাঁটির কাছে একটি গোপন ভূগর্ভস্থ ল্যাবরেটরিতে আলো জ্বলছে রাতভর। বাইরে বসফরাসের ঠাণ্ডা হাওয়া বইছে, কিন্তু ভিতরে বাতাস গরম—উত্তেজনা আর উদ্বেগের মিশ্রণে। প্রফেসর সেলিন ইয়ালচিন তার ল্যাব কোটের হাতা গুটিয়ে কম্পিউটার স্ক্রিনের সামনে বসে আছেন। তার সামনে একটা বড় মনিটরে টিসিজি আঙ্কারার রাডার ডেটা ঘুরছে—সেই... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৫ বার পঠিত     like!

পর্ব ৫: ঝড়ের চোখে হারিয়ে যাওয়া

লিখেছেন নকল কাক, ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৫:২৯

ইংলিশ চ্যানেলের জল এখন একটি উন্মত্ত দানবে পরিণত হয়েছে। ঝড়ের প্রচণ্ডতা যেন সময়ের সেই ঘূর্ণিপথকে আবার জাগিয়ে তুলেছে, যা টিসিজি আঙ্কারাকে এই অচেনা যুগে টেনে এনেছিল। জাহাজের ধাতব দেহ প্রচণ্ড ঢেউয়ে দুলছে, কিন্তু তার পুরনো নির্ভরযোগ্য ইঞ্জিন গর্জন করে চলছে। ক্যাপ্টেন আহমেদ কায়া ব্রিজে দাঁড়িয়ে হ্যান্ডেল ধরে আছেন। তার চোখে... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৪ বার পঠিত     like!

পর্ব ৪: লোহার বজ্রপাত

লিখেছেন নকল কাক, ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৫:২৬

ইংলিশ চ্যানেলের জল এখন রক্তের ছোপ লাল। সূর্য মাথার উপর উঠে গেছে, কিন্তু আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। টিসিজি আঙ্কারার ডেকে পাঁচজন উদ্ধারকৃত সন্ন্যাসিনী কাঁপছেন। তাদের সাদা পোশাক ভিজে গেছে, চোখে অশ্রু আর বিস্ময়। সিস্টার মারিয়া তাদের মাঝে দাঁড়িয়ে অন্যদের শান্ত করার চেষ্টা করছেন। তিনি ল্যাটিনে প্রার্থনা করছেন—“Gratias agimus tibi, Domine…” (আমরা... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৬ বার পঠিত     like!

পর্ব ৩: আগুনের তীর আর লোহার প্রাচীর

লিখেছেন নকল কাক, ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৫:২৪

সকালের আলোয় ইংলিশ চ্যানেলের জল চকচক করছে। টিসিজি আঙ্কারা তার জায়গায় অটল হয়ে দাঁড়িয়ে। রাতের আক্রমণের পর ক্রুরা ক্লান্ত, কিন্তু কেউ ঘুমায়নি। ক্যাপ্টেন আহমেদ কায়া ব্রিজে দাঁড়িয়ে রাডার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে। ভাইকিংরা দূরে সরে গেছে, কিন্তু পুরোপুরি নয়। তারা একটি আধা-বৃত্তাকারে জাহাজকে ঘিরে রেখেছে। প্রায় পঁচিশটি লংশিপ এখনো দৃশ্যমান। কয়েকটির... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৫ বার পঠিত     like!

পর্ব ২: অচেনা শত্রুর মুখোমুখি

লিখেছেন নকল কাক, ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৫:২৩

ইংলিশ চ্যানেলের ঠাণ্ডা জলে টিসিজি আঙ্কারা দাঁড়িয়ে আছে। তার পুরনো ধাতব দেহে সমুদ্রের লবণাক্ত হাওয়া লাগছে। ডেকের উপর ক্রুরা ছুটোছুটি করছে। ক্যাপ্টেন আহমেদ কায়া ব্রিজে দাঁড়িয়ে দূরবিনে চেয়ে আছেন সেই অদ্ভুত কাঠের নৌকাগুলোর দিকে। লংশিপগুলো এখন আরও কাছে এসে গেছে। প্রায় ত্রিশটি নৌকা, প্রত্যেকটিতে ত্রিশ-চল্লিশ জন করে যোদ্ধা। তাদের পোশাক... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৬ বার পঠিত     like!

পর্ব ১: সময়ের ঘূর্ণিপথ

লিখেছেন নকল কাক, ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৫:২২

২০২৫ সালের এক সাধারণ দিনে ভূমধ্যসাগরের নীল জলে ভেসে চলছিল তুর্কি নৌবাহিনীর গর্বের জাহাজ টিসিজি আঙ্কারা। এটি কোনো অত্যাধুনিক পরমাণু-চালিত যুদ্ধজাহাজ নয়, বরং একটি পুরনো ধাঁচের, কিন্তু অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ফ্রিগেট। ১৯৮০-এর দশকের শেষভাগে নির্মিত এই জাহাজটি তুর্কি নৌবাহিনীর অন্যতম প্রাচীন সদস্য। তার বয়স প্রায় চল্লিশ বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু এখনও... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৬ বার পঠিত     like!

ফিতনা-এ-মওদূদিয়াত_(শেষ)

লিখেছেন নকল কাক, ২৯ শে নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৫৭

খাতিমা (উপসংহার ও শেষ কথা)
(পৃষ্ঠা ২৭৬-১৮২ – শেষ পৃষ্ঠা)

শায়খুল হাদীস হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ যাকারিয়া কান্ধলভী রহমতুল্লাহি আলাইহ তাঁর পুরো কিতাবের সবচেয়ে শেষে অত্যন্ত বিনয় ও বেদনার সাথে লিখেছেন:

“আমি এই কিতাব লিখেছি শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। আমার উদ্দেশ্য কারো সঙ্গে ব্যক্তিগত শত্রুতা বা হিংসা নয়। আমি শুধু দেখিয়েছি যে, মওদূদী সাহেবের... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ২৭ বার পঠিত     like!

ফিতনা-এ-মওদূদিয়াত_(৮)

লিখেছেন নকল কাক, ২৯ শে নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৫৩

**ফাসল ৮
মুহাদ্দিসীন, ফুকাহায়ে কিরাম ও বুযুর্গানে দ্বীনের প্রতি অসম্মান ও স্পষ্ট বেয়াদবী
(পৃষ্ঠা ২৪৬-২৭৫ – প্রায় ৩০ পৃষ্ঠা)

শায়খ যাকারিয়া রহ. এই অধ্যায়ে অত্যন্ত বেদনার সাথে লিখেছেন:
“যে ব্যক্তি ইমাম বুখারী, ইমাম মুসলিম, ইমাম আবু হানীফা, ইমাম শাফেয়ী, ইমাম আহমদ, হাকীমুল উম্মত থানভী রহ., শায়খুল ইসলাম হুসাইন আহমদ মাদানী রহ. – এঁদের মতো... বাকিটুকু পড়ুন

১ টি মন্তব্য      ১৪ বার পঠিত     like!

ফিতনা-এ-মওদূদিয়াত_(৭)

লিখেছেন নকল কাক, ২৯ শে নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৫০

**ফাসল ৭
কুরআনের আয়াতকে জামায়াতে ইসলামীর জন্য নাযিল বলা – সবচেয়ে বড় গুস্তাখী
(পৃষ্ঠা ২১১-২৪৫ – প্রায় ৩৫ পৃষ্ঠা)

শায়খ যাকারিয়া রহ. এই অধ্যায়ের শুরুতেই লিখেছেন:
“মওদূদী সাহেবের সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে ভয়ানক গুস্তাখী হলো – কুরআনের বহু আয়াতকে তিনি নিজের দলের জন্য নাযিল হয়েছে বলে দাবি করেছেন। এর চেয়ে বড় কুফর আর কী... বাকিটুকু পড়ুন

১ টি মন্তব্য      ২৪ বার পঠিত     like!

ফিতনা-এ-মওদূদিয়াত_(৬)

লিখেছেন নকল কাক, ২৯ শে নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৪৭

সপ্তম অধ্যায় – ফাসল ৬
ইসলামকে রাজনৈতিক বিপ্লবী দল বানানো এবং তাসাওউফ-তাকওয়া-আখলাককে গৌণ করে দেয়া
(পৃষ্ঠা ১৭৯-২১০ – প্রায় ৩২ পৃষ্ঠা)

শায়খ যাকারিয়া রহ. এখানে লিখেছেন:
“মওদূদী সাহেবের আরেকটা সবচেয়ে বড় ফিতনা হলো – ইসলামকে শুধু একটা রাজনৈতিক বিপ্লবী আন্দোলন বানিয়ে দেয়া। আর নামায-রোযা-তাকওয়া-তাসাওউফ-আখলাক-যিকির-আযকার – সবকিছুকে পটভূমিতে ঠেলে দেয়া। যেন ইসলামের আসল কাজ ক্ষমতা... বাকিটুকু পড়ুন

১ টি মন্তব্য      ১৩ বার পঠিত     like!

ফিতনা-এ-মওদূদিয়াত_(৫)

লিখেছেন নকল কাক, ২৯ শে নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৪৩

ষষ্ঠ অধ্যায় – ফাসল ৫
হাকিমিয়াতুল্লাহর নামে তাকফীরের ভয়ানক ফিতনা
(পৃষ্ঠা ১৪৬-১৭৮ – প্রায় ৩৩ পৃষ্ঠা। কিতাবের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ও সবচেয়ে বিপজ্জনক অধ্যায়)

শায়খ যাকারিয়া রহ. এখানে লিখেছেন:
“মওদূদী সাহেবের সবচেয়ে বড় ফিতনা হলো ‘হাকিমিয়াতুল্লাহ’ নামের স্লোগানকে এমন অস্ত্র বানানো যার দ্বারা যে কোনো মুসলিমকে এক মিনিটে কাফির বানানো যায়। এই একটি চিন্তা দিয়ে... বাকিটুকু পড়ুন

১ টি মন্তব্য      ১৫ বার পঠিত     like!

ফিতনা-এ-মওদূদিয়াত_(৪)

লিখেছেন নকল কাক, ২৯ শে নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩৯

পঞ্চম অধ্যায় – ফাসল ৪
সাহাবায়ে কিরাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম-এর শানে সবচেয়ে ভয়ানক গুস্তাখী
(পৃষ্ঠা ৯৯-১৪৫ – প্রায় ৪৭ পৃষ্ঠা। কিতাবের সবচেয়ে দীর্ঘ ও সবচেয়ে কঠিন অধ্যায়)

শায়খ যাকারিয়া রহ. এখানে লিখেছেন:
“নবীদের পর যাদের শানে গুস্তাখী করা সবচেয়ে বড় কুফর, তাঁরা হলেন সাহাবায়ে কিরাম। কারণ আল্লাহ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেরা তাঁদের প্রশংসা... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ১৩ বার পঠিত     like!

ফিতনা-এ-মওদূদিয়াত_(৩)

লিখেছেন নকল কাক, ২৯ শে নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:১৪

ফিতনা-এ-মওদূদিয়াত
চতুর্থ অধ্যায় – ফাসল ৩
নবী-রাসূলগণের শানে গুস্তাখী ও বেয়াদবী
(পৃষ্ঠা ৬৬-৯৮ – প্রায় ৩৩ পৃষ্ঠা। এটি কিতাবের সবচেয়ে কঠিন ও বেদনাদায়ক অধ্যায়)

শায়খ যাকারিয়া রহ. এখানে মওদূদী সাহেবের নিজের কলম থেকে প্রায় ৪০-৫০টি উদ্ধৃতি দিয়ে দেখিয়েছেন যে, নবী-রাসূলদের শানে এমন কথা বলা হয়েছে যা শুনলে কোনো মুমিনের রক্ত গরম হয়ে যায়।

নিচে সবচেয়ে... বাকিটুকু পড়ুন

১ টি মন্তব্য      ২১ বার পঠিত     like!

ফিতনা-এ-মওদূদিয়াত_(২)

লিখেছেন নকল কাক, ২৯ শে নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:১১

তৃতীয় অধ্যায় – ফাসল ২
খাতমে নবুওয়াতের উপর সবচেয়ে ভয়ানক আক্রমণ
(পৃষ্ঠা ৩৫-৬৫ – প্রায় ৩০ পৃষ্ঠার সবচেয়ে গুরুতর অধ্যায়)

এই অধ্যায়ে শায়খ যাকারিয়া রহ. প্রমাণ করেছেন যে, মওদূদী সাহেবের লেখায় খাতমে নবুওয়াতের আক্বীদার উপর এমন আঘাত করা হয়েছে যা পুরো উম্মতের ইজমার বিরুদ্ধে, এবং যার ফলে কাদিয়ানীদের পথই খুলে যায়।

মূল অভিযোগ ও... বাকিটুকু পড়ুন

১ টি মন্তব্য      ২৭ বার পঠিত     like!
আরো পোস্ট লোড করুন
ব্লগটি ১৯০৯ বার দেখা হয়েছে

আমার পোস্টে সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার করা সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার প্রিয় পোস্ট

আমার পোস্ট আর্কাইভ