দাড়োগা প্রিয়নাথ

গল্প শুনছিলাম আর ইমাজিনেশন করছিলাম। ব্রিটিশ শাসনামল। দাড়োগা প্রিয়নাথ খবর পেয়ে ব্যারাক থেকে বাহির হলো; খুনের মামলা... বাকিটুকু পড়ুন

স্বপন দেখে কেটে গেছে পঞ্চান্ন...
তবুও এলো না জীবনে নবান্ন!
ছোটরা হয়েছে বড়! পরিপূর্ণ স্বপ্ন
স্বীয় পারিনি জোগাড় করতে অন্ন
এক একা কত ঘুরা যায়
একা একা কত থাকা যায়।
প্রেরণা দিলো না কেউ আজও
নিলো না কেউ আমার কোঁজও।
হীনমন্যতায় যাচ্ছে জীবন, নীরব-উদাসীন
যন্ত্রণা বাড়ছে ক্ষণে ক্ষণে নিত্যদিন।
ছায়া হয়ে এলো না পাশে
মেলে না তবুও খুঁজি চারপাশে।
সাহস... বাকিটুকু পড়ুন
ছেলেবেলা আমরা খুব গরিব ছিলাম বলা যাবেনা,
তবে তিনবেলা পেট ভরে সবাই খেতে পারতাম না,
রোজকার খাবারে সংসারের কারো পেটই ঠিকমতো ভরতো কিনা জানিনা।
আমার পেট ভরে খাওয়া হয়নি কখনোই ছেলেবেলায়।
জামা কাপড়ের অভাব ছিল না,
বড় ভাই বোনদের শরীরে কাপড় যখন ছোট হয়ে যেতো তাদের শরীরের তুলনায়
তখনই আমাদের ছোট ভাইবোনরা পেতাম... বাকিটুকু পড়ুন


গত কয়েক দিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটা কথায় খুবই আনন্দিত হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম আমাদের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মাঝে হয়তো সৃষ্টি কর্তা শুভ বিবেক জাগ্রত করছেন। সেই সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ই বলেছিলেন, " আমাদের বিরোধী দল একটা সুযোগ পাচ্ছে, তারা আন্দোলন করবে, করুক। আমি আজকেও নির্দেশ দিয়েছি, খবরদার যারা আন্দোলন... বাকিটুকু পড়ুন
সতর্কতা : এই পোস্টে ২৫টি ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। ছবিগুলির মোট সাইজ ১৯.২ মেগাবাইট। ফলে পোস্টটি লোড হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।



অনর্থক সৃষ্টি করনি আমায় প্রভু
তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করছে কেনো তবু!
প্রায় সবাই কোনো না কোনোভাবে-
সংসার করছে কিছু করে ভেবে
স্বীয় হয়ে গেছি অকেজো জীবনে
পাই না কিছু চাইলে প্ররাণে!
ধৈর্য ধরে আছি তোমার পানে
কুলোচ্ছে না আর আমার জানে!
নীরবে যাচ্ছি কেঁদে তুমিই দেখো
রঙিন স্বপ্ন, রঙিন হৃদয় রাখো!
পেরে উঠছি না কেনো আমি
সাহায্য করছ না কেনো তুমি!
বলে তাদের... বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের ঘরে বেশ কয়েকটা টিকটিকি এসেছে। লাইটের পিছনে লুকিয়ে থাকে। সুযোগ মতো বেরিয়ে শিকার ধরে খায়। ওদের থাকা খাওয়ায় আমার কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু ইদানিং টিকটিকিও আমাকে ছাড় দিচ্ছেনা.......
তুই টিকটিকি, টিকটিকির মতো থাকবি। দেওয়ালে ঘুরবি, লাইটের আশেপাশে উড়ে বেড়ানো পোকামাকড় ধরে খাবি, ল্যাজ খসে গেলে নিজের ল্যাজ নিজেই... বাকিটুকু পড়ুন

সামনে আমাদের খুব বিপদ। মামা সারাদিনে প্রচুর ছাত্রছাত্রী আমার রিকশায় উঠে। রিকশায় বসে তারা এত এত খারাপ ভাষায় এবং অশ্লীল বিষয় নিয়ে মোবাইলে কথা বলে যে, শুনতে আমারই লজ্জা লাগে। তারা একবারও ভাবে না যে, তাদের কথাগুলো আমার কান পর্যন্ত আসছে। রিকশা চালালেও তো আমি তাদের বাবার বয়সী। কেউ... বাকিটুকু পড়ুন


(১৬)
সময় খুব একটা বদলায়নি,জেকবের কথা ভেবে ষোল বছরের যে মেয়েটা,দিনে বেশ কবার হস্তমৈথুনে ব্যাস্ত থাকতো,সেই মেয়েটাই জেকবের মাথাটা বুকে জড়িয়ে বলছিল, ‘দুধের বোঁটার কামড়ে তছনছ করে দাও,ইচ্ছামত।
আমার শরীরে কিছুই ছিল না-আর জেকব তখনও পোষাক গায়ে।ওর মাথাটা বুক থেকে আরও নীচের দিকে ঠেলে বললাম, ‘মুখটা যোনীদ্বারে নিয়ে যাও’।কথাটা মেনে নিল না... বাকিটুকু পড়ুন
