somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

" বিদায় ও ফিরে দেখা - সাল ২০২৩ " আসুন এক নজরে দেখি বিদায়ী বছরের আলোচিত কিছু ঘটনা ও ছবি ।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ছবি - shutterstock.com

"তোমরা বিদায়ের গান গেয়ো না।
হাসিতে যদি লুকানো যায় জীবনের সব অতৃপ্তি আর বেদনা,
তবে, আজকেও তোমরা শুধু হেসে যাও,
আজ বিদায়ের দিনে কেঁদো না" ----------------------------------- :((- -- ( কাজী নজরুল ইসলাম)

--- সৃষ্টির স্বাভাবিক নিয়মে দিন মাস গড়িয়ে বছর আসে এবং বছর যায়। সেই নিয়ম মেনেই আর কয়েক ঘন্টা পরই আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিবে আরো একটি বছর যা ২০২৩ নামে পরিচিত ছিল এবং আমাদের মাঝে আসবে নতুন এক বছর ২০২৪। নতুন এ বছর আমাদের সকলের জন্য নিয়ে আসুক অনেক আনন্দ-সাফল্য এবং দূর করে দিক সকল হতাশা-ব্যর্থতার গ্লানি। থেমে যাক মানুষে মানুষে সকল হানা-হানি,হিংসা বিদ্বেষ এবং দেশ-দুনিয়া হয়ে উঠুক শান্তি-সন্ধি ও সম্প্রীতির আবাস। পুরনো বছরের করা সমস্ত ভাল কাজের স্মৃতি মনে থাকুক এবং খারাপ কাজের বেদনা - স্মৃতি ভূলে ২০২৪ সালে সবার জীবন হয়ে উঠুক বিস্ময়কর ভাবে সুন্দর - শুভ নববর্ষ ২০২৪।


ছবি - ittefaq.com.bd

চলে যাবে ২০২৩ সাল, তবে তা আমাদের সবার মাঝে রেখে যাবে নানা রকম সুখ-দুঃখের স্মৃতি। বিদায়ী ২০২৩ সাল জুড়েই দেশে সকল বিরোধীদলের নির্দলীয় সরকারের দাবী আদায়ের আন্দোলনে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবেশ ছিল অস্থির।এদিকে সারা বছরই রাজনৈতিক সেই অস্থিরতাকে কঠোরভাবে দমনে ব্যস্ত ছিল সরকার-প্রশাসন। বছর শেষে এসেও তাদের গ্রেফতার-হামলা-মামলায় ব্যস্ত রেখে, দেশের একটি বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি ও এর সমমনা সহ বিরোধী সকলকে ছাড়াই এবং ইউরোপ-আমেরিকা-জাতিসংঘ সহ সকলের চাওয়া (নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন) কে পায়ে দলে সরকার নতুন বছরের শুরুতে ৭ জানুয়ারী ২০২৪ আয়োজন করতে যাচছে দেশের ১২ তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশের রাজনৈতিক এ অস্থিরতার সাথে সাথে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতিতে দেশের মানুষ দিশেহারা। অন্যদিকে দেশের বাইরে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সহিংস সংঘর্ষ,রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ, চীনের সাথে আমেরিকা-ইউয়ের অর্থনৈতিক যুদ্ধের সাথে সাথে তাইওয়ান নিয়ে আমরিকার সাথে চীনের মতবিরোধ ছিল আলোচনায়। এদিকে সারা বছর উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে উত্তেজনার সাথে ব্রিকস এর মাধ্যমে চীন-রাশিয়ার বিশ্বকে ডি-ডলারাইজেশনের চেষ্টা সহ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিক বিবেচনায় ২০২৩ ছিল ঘটনাবহুল বছর। এসবের মাঝে আসুন বছরের শেষে একনজরে দেখে নেই ২০২৩ সালের সেরা ও আলোচিত কিছু ঘটনাকে -


ছবি - gettyimages.ae

=======
বাংলাদেশ -
=======
১২ বছরের রাজনৈতিক সংকটের ধারাবাহিকতায়, বছর জুড়ে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের ধর-পাকড়। রাজনৈতিক সংঘর্ষ-অস্থিরতার মাঝেই সরকারের একতরফা নির্বাচন আয়োজনের ঘোষনায় জনমনে আতংক, সাথে সাথে সাথে সাথে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতিতে জনগণ দিশেহারা -

২০১১ সালে আওয়ামীলীগ কর্তৃক নিরপেক্ষ-নিদর্লীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধীনে নির্বাচনী ব্যবস্থা বাতিলের পর থেকেই দেশে নির্বাচন নিয়ে সরাকারী দলের সাথে বিরোধীদলের সমস্যার শুরু হয় এবং এই সমস্যা গত ১২ বছরে সমাধান না হয়ে দিন-দিন আরো গভীর হয়েছে-হচছে।
লিংক - আওয়ামী লীগ যেভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায় করেছিল। - Click This Link

এরই ধারাবাহিকতায় সরকারের ইচছানুসারে ও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারনে ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের মত ৭ জানুয়ারী ২০২৪ সালে নির্বাচন কমিশন দেশে আয়োজন করতে যাচছে প্রধান বিরোধী দল বিহীন ও অভূতপূর্ব ১২ তম জাতীয় নির্বাচন যেখানে ফলাফল আগে নির্ধারন করা হয়েছে আসন ভাগা-ভাগি ও সমঝোতার মাধ্যমে এবং পরে হচছে সেই ভাগাভাগিকে আইনী বৈধতা দেয়ার জন্য নির্বাচন নামক আনুষ্ঠানিকতা। লিংক - https://mzamin.com/news.php?news=90395 । বিগত ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগ ও গ্রহনযোগ্যতার ব্যাপারে প্রশ্ন থাকার কারনে এবারের নির্বাচন সরকার নিরপেক্ষ-অবাধ-সুষ্ঠু- প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে সাহায্য করবে - এ আশা দেশে-বিদেশের সবারই ছিল। আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ-অবাধ-সুষ্ঠু- প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে জনগনের সেই আশা আকাঙ্ক্ষাকে পদদলিত করে ,উন্নয়ন অংশীদার-সুধীজন-আমেরিকা-ইউ-জাতিসংঘের চাওয়াকে বিবেচনায় না নিয়ে এবং সকল বিরোধী দলের অন্তর্বর্তী অথবা নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবীকে হামলা-মামলা-গ্রেফতারে আটকে রেখে একতরফা নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচছে সরকার তথা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ যারা গত ১৫ বছর যাবত দেশের শাসন ক্ষমতায় আসীন। যারা দলগত - প্রশাসনিক ভাবে ব্যাপক ক্ষমতার অধিকারী ও এর প্রধান শেখ হাসিনা-যিনি ম্যাকেয়াভেলীর রাজনৈতিক দর্শনকে ( ম্যাকেয়াভেলীর রাজনৈতিক দর্শন - শাসনক্ষমতার বৈধতা কোনো নৈতিকতার মাপকাঠিতে আবদ্ধ নয়,কর্তৃত্ব আর ক্ষমতাই এখানে মূল বিষয়। যার ক্ষমতা আছে সে-ই শাসন করবে, নৈতিকতা কাউকে ক্ষমতায় বসায় না। ক্ষমতা অর্জন আর ক্ষমতা রক্ষা করাই রাজনীতির মূলনীতি। ক্ষমতার উপযুক্ত ব্যবহার দিয়েই জনগণের আনুগত্য অর্জন করতে হয়। রাজনীতি মানেই হলো ক্ষমতা গ্রহণ আর সেই ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য যে কোন ধর্ম বা নৈতিকতার কথা আদৌ চিন্তা না করে শাসক তার লক্ষ্য অর্জনের জন্য যা কিছু অনুকূলে তাই করে যাবে। তার মতে, রাষ্ট্র যদি চূড়ান্ত সাফল্য অর্জন করতে পারে তবে মাধ্যম যতই নিচ বা ঘৃণ্য হোক না কেন অর্জিত সাফল্যই মাধ্যমের যৌক্তিকতা প্রমাণ করবে) ধ্যান-জ্ঞান ও চর্চা করে নিজেকে ওয়ান ম্যান আর্মি শো এর মত ইতিমধ্যেই আইন-শাসন-বিচার-প্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজেকে এমন এক অনন্য উচচতায় নিয়ে গেছেন যেখানে তার ধারে-কাছে কেউ নেই। না রাজনীতির ময়দানে ও না ক্ষমতার মঞ্চে এবং যাহার নিকট দেশ কিংবা জনগনের কল্যাণ,ন্যায়-নীতি বিবেচ্য বিষয় নয় ক্ষমতাই মূখ্য।( Bangladesh’s Quiet Slide Into Autocracy - The End of a Democratic Success Story ) লিংক - Click This Link

ধারাবাহিকভাবে গত ১২ বছর বাংলাদেশের সকল বিরোধী দল নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে আন্দোলন করে আসছে এবং গত দুটি নির্বাচন সহ এবারও আওয়ামী দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন বর্জনের কারনে বর্তমানে বাংলাদেশ সারা বিশ্বের আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে। সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলেও- এ দেশে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন ক্ষমতাসীন দলীয় সরকারের অধীন যে কখনো সুষ্ঠু হয় না, এটি একটি চরম সত্য ও বাস্তবতা। "বাংলাদেশের নির্বাচনে ক্ষমতাশীনরা বিশেষ সুবিধা ভোগ করে এবং প্রশাসনকে ব্যবহার করে নির্বাচন ও এর আয়োজন ব্যবস্থায় নানা রকম কারিগরী ফলিয়ে নির্বাচনী ফলাফলকে বদলে দেয়" - এ অভিযোগ সকল সময়ে সকল বিরোধী দলের - সরকারী দলের প্রতি। এসব কারনেই প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার সাংবিধানিক কাঠামোয় প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। নির্বাচনী ফলাফলকে গ্রহনযোগ্য করতে এবং সকল বিরোধীদলের আন্দোলন-দাবীর প্রেক্ষিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সংবিধানে নিরপেক্ষ-নিদর্লীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন বেগম খালেদা জিয়া তথা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। (লিংক - Click This Link ) এর পর এই নিরপেক্ষ-নিদর্লীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে যতগুলো ( সপ্তম, অষ্টম এবং নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন অনুষ্ঠিত হয় ) নির্বাচন হয়েছে এর সবগুলিরই দেশ-বিদেশে গ্রহনযোগ্যতা ছিল এবং জনগন নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছে। এখানে আরেকটি প্রধান লক্ষনীয় বিষয় হলো প্রতিবারই ক্ষমতাশীন দল নির্বাচনে হেরেছে এবং বিরোধী দল নির্বাচনে জিতেছে।২০০৯ সালের নির্বাচনের পর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় গেলে ২০১১ সালের ১০ই মে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট কিছু সুপারিশ সহ শর্তসাপেক্ষে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় দেয়। এছাড়াও বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামীলীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কে বাতিল করে দেয়। আর তাইতো বর্তমান সরকার প্রধান সহ ক্ষমতাসীনদের শীর্ষ পর্যায়ের অনেককে প্রায়ই বলতে শুনা যায় সংবিধানের বাইরে গিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোনো সুযোগ নেই। অথচ বাংলাদেশে আপিল বিভাগ তত্ত্বাবাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সর্ম্পকিত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণার সাথে সাথে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ এ কথাও বলেছিল,"তত্ত্ব্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আরও দুটি সংসদ নির্বাচন হতে পারে" - এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ বরাবরই নীরব বা কিছুই বলেনা। লিংক - Click This Link


ছবি - gettyimages.ae

ক্ষমতাসীন সরকার সংবিধান সমুন্নত রাখা ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায়ের দোহাই দিয়ে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করেছিল যেখানে বিরোধীদের ভোট বর্জনের কারনে ৩০০ আসনের মাঝে ১৫৩ আসনে প্রার্থীগন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছিল এবং বাকী আসনগুলোতেও জালভোট, কেন্দ্র দখল, বেশি ভোট কাস্ট দেখিয়ে যে ভোটের আয়োজন করেছিল তা এক কথায় সারা দুনিয়ায় অভূতপূর্ব ছিল। ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির বিরোধীদলবিহীন নির্বাচনের কারনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দ্বারা সমালোচিত হয়েছিল ও নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল।(৫ই জানুয়ারি-জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ-বিএনপি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার দায় কার ছিল) লিংক - https://www.bbc.com/bengali/news-59874837

তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে বিরোধী দলের ব্যাপক আন্দোলন ও সরকার কর্তৃক বিরোধীদলকে নানাভাবে বিপর্যস্ত করে প্রশাসন কর্তৃক সাজানো একটি নির্বাচনে এবং দিনের ভোট আগের দিন রাতে করে সম্পূর্ণ অবিশ্বাস্য এক পাক্ষিক ফলাফলে আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টি ও জোটসঙ্গীরা ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৮৮টি সংসদীয় আসনে জয়লাভ করে ও দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল ও আওয়ামীলীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মাত্র সাতটি আসন লাভ করে এবং শেখ হাসিনা চতুর্থবারের মত সরকার গঠন করেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনের ভোট নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগের রাতে ব্যালটে সিল মেরে ভোটবাক্স ভর্তির মাধ্যমে সম্পন্ন করায় ও অনেক ভোট কেন্দ্রে একশো' ভাগ ভোট পড়ায় এবং কেন্দ্র-ভিত্তিক ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায় যে ৭৫টি আসনের ৫৮৬টি কেন্দ্রে যত বৈধ ভোট পড়েছে, তার সবগুলোই নৌকা মার্কার প্রার্থীরা পেয়েছেন :( ।এসব কারনে এটিও বিশ্বের ভোটের ইতিহাসে অনন্য ও নজিরবিহীন উদাহরণ হয়ে রয়েছে।(সংসদ নির্বাচন ২০১৮ - যেভাবে হয়েছিল ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচন) লিংক - https://www.bbc.com/bengali/news-50916704

বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও বড় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দলটি সবচেয়ে বেশী যে দাবী করে তা হলো, " দেশের তারাই একমাত্র দল, যারা গণতন্ত্রের জন্য নিবেদিত প্রাণ"। অথচ বাস্তবতা সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন কথা বলে। আওয়ামীলীগ নিজেদেরকে যে গণতন্ত্রের জন্য নিবেদিত প্রাণ বলে দাবি করে, সেই গণতন্ত্র তাদের দু পর্বের (শেখ মুজিব - শেখ হাসিনা) শাসনামলের কোনো পর্বেই স্বস্তিতে ছিল না। স্বাধীনতার পর ক্ষমতা পেয়ে শেখ মুজিবুর রহমান বা আওয়ামীলীগ সরকার তথাকথিত দ্বিতীয় বিপ্লবের (লিংক -
Click This Link ) নামে দেশে গণতন্ত্রের কবর রচনা করেন বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে।(বাকশাল-শেখ মুজিবুর রহমান যে কারণে বিতর্কিত এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন), লিংক -
https://www.bbc.com/bengali/news-52062148 ,শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়ে দেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম না করলেও বর্তমানে শেখ হাসিনা তথা আওয়ামীলীগ দেশে কেমন শাসনব্যবস্থা কায়েম/অনুসরণ করছেন তা দেশের প্রতিটি মানুষ হাড়ে হাড়ে তা টের পাচ্ছেন তবে নানা কারনে কিছু বলার মত অবস্থান মানুষের নেই।
লিংক -
১। Sheikh Hasina and the Future of Democracy in Bangladesh - Click This Link
২। নব্য রাজতন্ত্র এবং হাসিনার স্বৈরশাসনের শঙ্কায় বাংলাদেশ - টাইম ম্যাগাজিন - Click This Link
৩। Is Bangladesh moving towards one-party state? - Click This Link
৪। Is Bangladesh becoming an autocracy? - Click This Link

নৈতিকতা,সংবিধান কিংবা আইনের যেকোনো আঙ্গিকে বিচার করা হলে দেশের দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচন যেমন অস্বচ্ছতায় আবদ্ধ অনুরূপ জন-আকাঙ্ক্ষা ও জনচাওয়ার অবজ্ঞা ও উপেক্ষায় নেহায়েত নিরেট সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের সিদ্ধতাও নানাবিধ প্রশ্নবাণে জর্জরিত। বর্তমানে আওয়ামীলীগ তাদের অবৈধ চাওয়া ও সীমাহীন মেয়াদের ক্ষমতাকে জায়েজ করতে সংবিধান ও আদালতের আদেশের দোহাই দিয়ে নির্বাচনী প্রহসনের মাধ্যমে তা বৈধ করতে চাচছে এবং দেশের সকল বিরোধী দল,জনগনকে আইন-আদালতের মুখো-মুখি দাড় করিয়ে দিচছে। আইন-শাসন-বিচার-প্রশাসনকে ব্যবহার করে এবং উন্নয়ন অংশীদার-সুধীজন-আমেরিকা-ইউ-জাতিসংঘ সকলের অনুরোধ-চাওয়াকে উপেক্ষা করে,ভারত-চীন-রাশিয়ায় সাথে তলে তলে :P (পাবলিক খায় , তাই তলে তলে বলি - বাণীতে :(( ওবায়দুল কাদের) আতাতের মাধ্যমে সমমনা ও ক্ষমতার উছিষ্ঠভোগীদের বা তথাকথিত ২৯ দলকে সাথে নিয়ে বানরের পিঠা ভাগের মত নির্বাচনী কিছু আসনকে ভাগাভাগী-নিলামে (" আসন ভাগা-ভাগি (সিলেকশনে) কিংবা ভোটের আগেই বিজয়ী আওয়ামীলীগ "- এভাবে আর কত দিন?) লিংক - Click This Link তুলে ও তাদেরকে ২৬ + ৬ আসন দিয়ে (নিরপেক্ষ নির্বাচনে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ ) - প্রায় আসনে ডামি (আমি-আমি/ লীগ-লীগ) প্রার্থীদের মাধ্যমে আওয়ামীলীগ তথা বর্তমান সরকার ৭ ই জানুয়ারী নির্বাচনও করে ফেলবে ।

আমেরিকার ভিসা কিংবা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার হুমকি, (শঙ্কায় ঘুরপাক রাজনীতি,আলোচনায় ভিসা নীতি - https://mzamin.com/news.php?news=90246 ) জাতিসংঘ, ইউ-কানাডা-অস্ট্রেলিয়ার চাওয়া কোন কিছুই তাতে বাঁধ সাধতে পারবেনা। অতি আলৌকিক কিছু না ঘটলে, ২৯ দলের যে কয়েকজন নির্বাচনী খেলায় অংশগ্রহণ করেছে তাদের মাঝে আওয়ামী লীগ ৭০ ভাগের অধিক ভোট পেয়ে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির মত ভূমিধস বিজয়ে ২৫০/২৬০ এর বেশী আসনে বিজয়ী হবে এবং ৭ তারিখ রাতে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ধারাবাহিকভাবে চতুর্থ মেয়াদের জন্য শেখ হাসিনা ওয়াজেদের সাফল্যের ফলাফল ঘোষিত হবে।(মন্ত্রী-এমপি-নৌকার প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়) ,লিংক - Click This Link


ছবি - samakal.com/economics

খেলাপী ঋন,অর্থ পাচার,ব্যাংক ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা,সর্বনিম্ন বৈদেশিক রিজার্ভ নিয়ে ধুকছে দেশের অর্থনীতি। তার সাথে সাথে (বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন), লিংক - Click This Link , বিগত কয়েক বছর বিশেষ গোষ্ঠিকে সুবিধা দেয়ার জন্য ব্যাংক ব্যবস্থায় নয়-ছয়ের (আমানতে ৬ ,ঋনে ৯) ফলে অর্থনীতির ১২ টা বেজে গেছে, যা থেকে সহসাই মুক্তির কোন পথ দেখা যাচছেনা। এমনকি নির্বাচনের পরেও নয়।
লিংক -
১।A Troubling Economic Trajectory in Bangladesh - Click This Link
২। অর্থনীতির ৬ সূচকে নেতিবাচক প্রভাব - Click This Link
৩। বছরজুড়ে আলোচনায় ব্যাংক খাত - Click This Link
৪। ডলার সংকট, খেলাপি ঋণ, আর ব্যাংক তছরুপের বছর - https://mzamin.com/news.php?news=90096
৫। ব্যাংকিং খাতে প্রকৃত লুটপাট আরও বেশি - Click This Link ,

এসব কারনে অর্থনীতি এখন মৃতপ্রায়। আর মৃতপ্রায় অর্থনীতির জটিলতার সাথে সাথে ১৫ বছরের রাজনৈতিক জটিলতা কারনে, দেশের রাজনীতিও এখন প্রশাসন-পুলিশের ঠেংগানী ও আইনের মারপ্যাচে জেল ও গারদের মাঝে বন্দী।


অন্যদিকে, শক্তিশালী স্বার্থগোষ্ঠী-ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটদের উপর সরকারের নিয়ন্ত্রন না থাকায় ও বাজার ব্যবস্থায় কর্তৃপক্ষের যথাযথ পর্যবেক্ষণ- নিয়ন্ত্রন না থাকায় দ্রব্যমূল্য ছুটছে পাগলা ঘোড়ার চেয়েও বেশী গতিতে।(কায়েমি স্বার্থের কারণে বড় চ্যালেঞ্জে সুশাসন , লিংক - Click This Link ) এমন কোন জিনিষ না নেই, দেশী কিংবা বিদেশী যে এই দৌড়ে সামিল হয়নি। উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা খেয়ে ফেলছে। বাজার কারসাজি আর সিন্ডিকেট এ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। রাজনৈতিক জটিলতার সাথে সাথে দ্রব্যমূল্যের এ উর্ধগতিতে জনগণ দিশেহারা ,সাথে সাথে আইন-আদালতের ভয়ে বাক্য হারা। যা সাধারন জনগনের জন্য "জলে কুমির-ডাঙায় বাঘের মত অবস্থা" হয়েছে। কারন - মানুষের এখন কোন বিষয়েই কিছু বলার কোন স্বাধীনতা নেই। না রাজনীতিতে, না দেশ নীতিতে কিংবা অর্থনীতিতে। অল্প আয়ের ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকজন কোনভাবে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করছে চাহিদার কাটছাট করে সামর্থ্য ও যোগানের মধ্যে সমন্বয় করে।


ছবি - rtvonline.com

এতসব সমস্যার মাঝেই মহাসমারোহে যাত্রা শুরু করেছে আওয়ামীলীগের তথাকথিত নির্বাচনী নৌকা ধর্মীয় আবরনে তথা ধর্মাশ্রয়ে হযরত শহজালাল ও শহপরান মাযার জিয়ারতের মাধ্যমে। (ধর্মের নামে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না - প্রধানমন্ত্রী - লিংক - https://www.jugantor.com/national/754943/ ) এবং লিংক - Click This Link শেখ হাসিনা ২০ তারিখ সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহঃ) ও হযরত শাহ পরান (রহঃ) এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে দলের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। বুধবার (২০ ডিসেম্বর ২০২৩) বিকাল ৫টার দিকে সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের নির্বাচনী জনসভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নৌকায় ভোট চেয়ে বলেছেন," এ নৌকা নূহ নবীর নৌকা। এ নৌকায় কিন্তু মানবজাতিকে রক্ষা করেছেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন"। লিংক - https://www.ittefaq.com.bd/670983/


ছবি - দেশ টিভি

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, "এই নৌকায় ভোট দিয়ে এদেশের মানুষ স্বাধীনতা পেয়েছে। আবার নৌকা যখন ক্ষমতায় এসেছে মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতি হয়েছে"। আর তাই সবাইকে তাহার নৌকায় সওয়ার হতে হবে তথা ভোট দিতে হবে:(( আওয়ামীলীগের নির্বাচনী নৌকায় শেষ পর্যন্ত সংখ্যায় ২৯ টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আরোহন করেছেন এবং তাদের আশা ৭০ ভাগের (৭০ শতাংশ মানুষ শেখ হাসিনাকে ভোট দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছে - ওবায়দুল কাদের । লিংক - https://mzamin.com/news.php?news=68101 ), বেশী ভোটারের ভোটে দেশে নতুন বছরের সপ্তাহান্তে হয়ে যাবে আপোষ-রফার অভূতপূর্ব এক নির্বাচন যাতে আবারো ক্ষমতাশীন হবে "হযরতে শেখে"র (হযরত শব্দের অর্থ হল - মাননীয়, মহামান্য, সম্মানিত ) দল-পরিবার।("প্রধানমন্ত্রী(শেখ হাসিনা)'র বেহেশতে যাওয়ার হক আছে" এবং "আল্লাহ শেখ হাসিনার জন্য ফেরেশতা পাঠাবেন, এটা যদি মনে না করেন ইমান চলে যাবে") লিংক - Click This Link । হযরতে শেখের দল-পরিবার তথা আওয়ামীলীগ ২০২৪ সালে আবার ক্ষমতায় আসবে এটাই দেশের নিয়তি এবং তা ১,০০০ ভাগ নিশ্চিত। তবে সংসদে বিরোধী দল কে বা কারা হবে তা কারও জানা নেই। কারন - নির্বাচনী স্ক্রিপ্ট লেখকরা এখনো এ ব্যাপারে সর্বশেষ সিদ্ধান্তে পৌছতে পারেনি।(বিরোধী দল কারা হবে জানতে চেয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন) লিংক - Click This Link

৭ ই জানুয়ারী দেশে ভোট হবে, হযরতে শেখের দল-পরিবার তথা আওয়ামী লীগ ১১ তম থেকে ১২ তম নামক সংসদের সরকার গঠন করবে এবং এর পর-তারপর-এর পর হিসাবে ধারাবাহিকভাবে তাদের সরকার চলতে থাকবে যুগ যুগ ধরে। তারপরে দেশে কি ঘটবে? (বিরোধী দল খোঁজার নির্বাচন নয়, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রত্যাবর্তনের আয়োজন, লিংক - https://mzamin.com/news.php?news=89627 )

এ এক বিশাল প্রশ্ন দেশ ও জাতির সামনে। ভোটের পর আওয়ামী লীগকে দেশ-বিদেশের অনেক কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে এটা নিশ্চিত । তার সাথে সাথে নতুন সরকারকে সামলাতে হবে জটিল অর্থনৈতিক পরিস্থিতিও। ভোটের পর আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় যে চ্যালেঞ্জ হতে পারে তা হলো দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ সামলানো যা সম্প্রতি নিজেরা তৈরী করেছেন ভোটকে অংশগ্রহনমূলক দেখানোর জন্য। স্বতন্ত্র প্রার্থী বনাম নৌকার বিরোধে দলের ভিতরে যে বিরোধ তৈরি হয়েছে, সেই বিরোধ দূর করে দলে ঐক্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করতে হবে ভোটের পরদিন থেকেই। এত সব সমস্যা মাথায় রেখেও আওয়ামীলীগ ও সরকার আশা করছে নির্বাচনের পর জাতিসংঘ-আমেরিকা-ইউ সহ বাকী সবাই ভোটের ফলাফল মেনে নিবে এবং নতুন সরকারের সাথে আগের দুবারের মতই স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখবে। ভিসা-অর্থনৈতিক-বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা কিছুই কার্যকরী হবেনা। তলে তলে :( সব ম্যানেজ হয়ে যাবে এবং সব পক্ষের এসব হুমকি কাগুজে বুলি-বাঘ হয়ে যাবে। ক্ষমতাশীন দলের মত আমজনতারও আশা সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে ৭ তারিখের পর। তবে যদি তাদের চাওয়ামতই সব ঘটনা না ঘটে, তাহলে কি হবে?

আওয়ামীলীগের চাওয়া মত সবাই যদি তলে তলে ম্যানেজ না হয় (যদি সবাই মিলে তাদের কচ্ছপ কামড় দেয় তথা বলে, " বারে বারে ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান, এবার ঘুঘু তোমার বধিব পরাণ" ) তাহলে, " ক্ষমতার লোভে আওয়ামীলীগের তৈরী নির্বাচন জনিত জটিলতা ও আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের সুযোগ মিস করার কারনে নতুন বছরের শুরুতেই দেশ ও জাতির ভবিষ্যত ঢেকে যেতে পারে কালো মেঘে। যার দায়ভার শুধু ক্ষমতাশীন দলের এবং যার খেসারত দলটিকে দিতে হতে পারে দীর্ঘমেয়াদে কিন্তু এর ফলে সবচেয়ে বেশী ভূক্তভোগী হবে দেশ ও দেশের সাধারন মানুষ"।


=====
বিদেশ -
=====




ছবি - bbc.com

১। হামাসের ইসরাইল আক্রমণ ও এর ভয়ানক পরিনতি -

ফিলিস্তিনি স্বশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলের উপর ৭ ই অক্টোবর,শনিবার ২০২৩ এক নজিরবিহীন আক্রমণ চালায় যেরকমটা ইসরাইল স্বপ্নেও কখনো ভাবেনি এবং ১৯৭৩ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর গত ৫০ বছরে এত ব্যাপক লড়াই আর হয়নি। হামাস যোদ্ধারা গাজা সীমান্তে ইসরাইলের সকল আধুনিক প্রযুক্তিকে ফাঁকি দিয়ে উপত্যকার কাছাকাছি ইসরায়েলি বসতিগুলোতে ঢুকে পড়ে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। হামাসের হামলার ফলে বহু ইসরায়েলি নাগরিক নিহত হয় এবং সাধারন নাগরিকের সাথে সাথে অনেক ইসরাইলী সৈন্যকেও জিম্মি করে নিয়ে যায়। যদিও যে কোন ভাবেই এভাবে মানুষ হত্যা বৈধতা পেতে পারেনা তারপরও হামাস কেন ইসরায়েলের উপর এ হামলা চালিয়েছে তা জানতে হলে এর সাথে জড়িত ব্যক্তি, স্থান ও একই সাথে সেখানকার রাজনীতিকে বুঝতে হবে নিরপেক্ষভাব।("ফিলিস্তিন সমস্যা" - সমাধান কোন পথে, কত দূর?) লিংক - Click This Link । শনিবারের হামাসের হামলা ছিল একেবারে অতর্কিত, যাতে কোন ধরনের আগাম সতর্কবার্তা পায়নি ইসরায়েল। হামাস ইসরায়েলে এক সাথে হাজার হাজার রকেট নিক্ষেপ করে এবং অনেক হামাস যোদ্ধা সীমানা পার হয়ে ইসরায়েলি বসতিতে আক্রমণ করে। এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল তাৎক্ষণিকভাবে বিমান হামলা শুরু করে। বিশেষ করে হামাসের বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে তারা এই বিমান হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করে।


ছবি - bbc.com

এই হামলাকে একটি গোয়েন্দা ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিবিসির নিরাপত্তা বিষয়ক সংবাদদাতা ফ্রাঙ্ক গার্ডনার। ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা, শিন বেট, বহিরাগত হুমকি নিয়ে কাজ করা গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ এবং ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সকল শাখা কার্যত এই হামলার কোন আভাসই পায়নি। ফলে হামাসের এই আক্রমণে তারা সময় মতো সাড়া দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এদিকে হামাসের এই হামলার পরপরই পাল্টা আক্রমণ হিসেবে গাজায় তারা তীব্র বিমান হামলা চালাতে শুরু করে এবং গাজাকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়ার ইচছা প্রকাশ করে। ওই দিন থেকেই গাজার ওপর নির্বিচার বোমা হামলা শুরু করে ইসরায়েল এবং গত ৮৫ দিন ধরে গাজা উপত্যকার বিরুদ্ধে তেল আবিবের গণহত্যামূলক যুদ্ধ চলছে। তাদের এ আক্রমণে এখন পর্যন্ত প্রায় সাংবাদিক-স্বাস্থ্য-জাতিসংঘ কর্মী সহ ২১,০০০ বেশী মানুষ মারা গিয়েছে যাদের বেশীরভাগই নারী ও শিশু এবং তাদের আক্রমণ থেকে হাসপাতাল-বিদ্যালয় থেকে জাতিসংঘ পরিচালিত প্রতিষ্ঠান সমুহও রেহাই পাচছেনা। পাশাপাশি সেখানে চলছে স্থল অভিযান। এ সমস্যাকে কেন্দ্র করে আমেরিকা-বৃটেনসহ ইউরোপীয়ান দেশ সমুহ ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকারের নামে তাদের সকল কার্যকলাপকে সমর্থন করছে যা নিয়ে তাদের নিজেদের দেশেও সমালোচনার মুখোমুখি হচছে এবং এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওআইসি সহ মুসলিম দেশদের সাথে আমেরিকার দূরত্ব বাড়ছে এবং বাইডেেনের জনপ্রিয়তা তলানীতে গিয়ে ঠেকছে। বর্তমানে কাতার-মিশর ও জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে যুদ্ধ বিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে। অবশ্য বরাবরের মতই ইসরাইল যুদ্ধ বিরতি নাকচ করে দিয়ে হামাসকে নির্মুল না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাবার ঘোষনা দিয়েছে।
লিংক - ১। Click This Link
২। Click This Link


ছবি -gettyimages.ae

২। ২০২৩ সালেও আমীমাংসিত রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ -

২০২২ সালে ইউক্রেনে আমেরিকা-ইউর প্ররোচনা ও নানা ঘটনার প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার আগ্রাসন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের জন্ম দিয়েছে।(" ইউক্রেন সংকট " - কি নিয়ে এবং এর সমাধান কোথায় ? আসলেই কি রাশিয়ার সাথে ইউক্রেনের এত সমস্যা নাকি ইরাক-লিবিয়া-আফগানিস্তানের মত মিথ্যা অজুহাতে পশ্চিমাদের ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা ?) লিংক - Click This Link , ইউক্রেন একটি প্রাক্তন সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র, ইউক্রেনের রাশিয়ার সাথে গভীর সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক বন্ধন ছিল, কিন্তু এই যুদ্ধ তাদের সম্পর্কের অপূরণীয় ক্ষতি করছে। লিংক - Click This Link কোন কোন বিশেষজ্ঞ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে প্রধান বিশ্বশক্তির মধ্যে নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখেন।(" রাশিয়া - ইউক্রেন যুদ্ধ " - বিশ্ব ভূরাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কিংবা পরাশক্তিদের ক্ষমতায় কি কোন পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা আছে ?) লিংক - Click This Link । ২০২২ সালের সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু রাশিয়া–ইউক্রেন যা চলছে প্রায় ২ বছর ধরে এবং অবস্থা দৃষ্টিতে ও পরিস্থিতির আলোকে মনে হচছে এ যুদ্ধ চলতেই থাকবে আরো কয়েক বছর জুড়ে যদিও সময়ের সাথে সাথে লড়াইয়ের তীব্রতা কিছুটা কমে আসতে পারে এবং সেখানে দুপক্ষের জন্যই বিজয় থাকবে অধরা। এই লড়াইয়ের সামরিক বিজয় বলতে যদি এক পক্ষের দ্বারা অন্য পক্ষকে সামরিকভাবে ধসিয়ে দেওয়া এবং যুদ্ধ-পরবর্তী সীমানা নির্ধারণ ও রাজনৈতিক মীমাংসার শর্তাবলি নির্ধারণের ক্ষমতা সহ প্রতিপক্ষকে নাস্তানাবুদ করা পক্ষটির হাতে থাকা দিয়ে সংজ্ঞায়িত করা হয়, তাহলে সেই সংজ্ঞা অনুসারে এই যুদ্ধে আগামী কয়েক বছর রাশিয়া-ইউক্রেন কেউই সম্পূর্ণ সামরিক বিজয় পাবে না।
লিংক - Click This Link


ছবি - gettyimages.ae

কারন - ১। পশ্চিমাদের সাহায্যে ও প্রত্যক্ষ মদদে, ইউক্রেন রাশিয়াকে যুদ্ধে হারানোর জন্য যে আশা করেছিল ইতিমধ্যেই তা গুড়ে-বালি হিসাবে প্রমাণিত হয়েছে।অন্যদিকে সময়ের সাথে সাথে ইউক্রেনের প্রতি পশ্চিমাদের মনোভাবও পরিবর্তন হয়ে যাচছে নিজেদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও অর্থনৈতিক সমস্যার কারনে। যুদ্ধের প্রথম দিকে যেখানে তারা বলেছিল ইউক্রেনকে তারা কখনো ছেড়ে যাবেনা কিংবা যতদিন প্রয়োজন সাহায্য করে যাবে, সেখানে ২ বছরের মাথায়ই আশংকাজনক ভাবে কমে গেছে তাদের সাহায্য। রাষ্ট্র হিসাবে ইউক্রেন বর্তমানে একরকম দেউলিয়া এবং সে টিকেই আছে আমেরিকা-ইউরোপের সাহায্যের উপর ভর করে। যদি আমেরিকা-ইউরোপ অর্থ-অস্ত্র সাহায্য বন্ধ করে দেয় তাহলে তাদের পরাজয় শুধু সময়ের ব্যাপার। লিংক - Click This Link


ছবি - nytimes.com

২। রাশিয়াকে পরাজিত করার জন্য হাজারো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সহ আমেরিকা-ইউরোপের যত রকম করণীয় ছিল সব করে ফেলেছে এবং সেসব মোকাবিলা করে রাশিয়া ধীরে ধীরে তার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচছে। রাশিয়া যদি নিজ থেকে এ যুদ্ধে না হারে, তবে তাকে হারানোর ক্ষমতা কারো নেই - এটা এখন প্রমাণিত। (" রাশিয়া - ইউক্রেন যুদ্ধ " - ইউক্রেনের সীমিত সামর্থ্য ও পশ্চিমাদের হুমকি-ধামকি কিংবা শুধু নিষেধাজ্ঞা দিয়েই কি থামানো যাবে মহাশক্তিধর রাশিয়াকে ? ) লিংক - Click This Link , অন্যদিকে রাশিয়া নতুন করে ইউক্রেনের ভূমি দখল না করে পূর্বে দখলীকৃত জায়গায় তার নিয়ন্ত্রণেই মনোযোগ দিচছে। আর তাই যুদ্ধে রাশিয়া-ইউক্রেন কেউ জয়লাভ করবে বলে মন হয়না। তবে যদি জাতিসংঘ সহ আমেরিকা-ইউরোপ ইউক্রেনকে আলোচনায় বসতে বলে এবং কুটনীতি সচল হয় তবে কিছু একটা হতে পারে।

তবে - কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে যদি এমন একটি বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করা হয়, "যেখানে রাশিয়া-ইউক্রেন উভয় সরকারকেই সন্ধিপত্রে সই করতে রাজি হবে এবং সন্ধির শর্ত মেনে চলবে তাহলে কূটনীতিকেরাও কোনো বিজয় পাবেন না"। কারণ, শান্তির জন্য নেতাদের মধ্যে দুটি জিনিস থাকা প্রয়োজন। একটি হলো সমঝোতা করার ইচ্ছা এবং অপরটি হলো সমঝোতার সক্ষমতা। আর এই দুটি উপাদান উভয় পক্ষের নেতাদের মধ্যে স্পষ্টতই অনুপস্থিত। কারন - ইউক্রেনের রাশিয়ার সাথে কোন সমঝোতা করার ইচ্ছাই নেই এবং রাশিয়া তার ঘাড়ের উপর ন্যাটোর উপস্থিতির বিষয়ে কোন ধরনের সমঝোতাতেই রাজী নয়। লিংক - Click This Link


ছবি - istockphoto.com

৩। তাইওয়ান নিয়ে আমেরিকা-চীনের শীতল যুদ্ধের সাথে সাথে আমেরিকা-চীনের বাণিজ্য যুদ্ধ -

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমলের শুরু "আমেরিকা ফার্স্ট" নীতি (ট্রাম্প আমেরিকার ক্ষমতায় এসেছিলেন এক কল্পিত আমেরিকান জাতিবাদী অর্থনীতি গড়বেন বলে- "আমেরিকা ফার্স্ট" নামে) ও তার ধারাবাহিকতায় চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শক্তির প্রতিযোগিতা পুরোমাত্রায় চলেছে বাইডেনের শাসনামলেও এবং পুরো ২০২৩ সাল জুড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি প্রকাশ করে ২০২২ অক্টোবরে। সেখানে, চীন আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটকে ক্রমাগতভাবে তার দিকে ধাবিত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করা হয়। এই প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের বিজয়ী হওয়ার বাসনার কথাও বলা হয়। এতে দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের সামরিকীকরণ, ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনে চীনের সমর্থন, তাইওয়ানকে চীনের ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টাসহ বিভিন্ন বিষয়ে জোর দিয়ে তুলে ধরে যুক্তরাষ্ট্র। দুই দেশের মধ্যে কী পরিমাণে উত্তেজনা তা বোঝার জন্য দৃষ্টি ফেরাতে হবে ২০২২ আগস্টে মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের বিরুদ্ধে চীনের প্রতিক্রিয়া থেকে। অক্টোবরে কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে আধিপত্য বিস্তারকারী আধা পরিবাহী চিপস এবং প্রযুক্তি পাওয়ার সুবিধা থেকে চীনের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ নেয় বাইডেন প্রশাসন। একই সঙ্গে চীনের বিরুদ্ধে একই রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বন্ধু এবং মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানায় যুক্তরাষ্ট্র। লিংক - Click This Link এবং Click This Link




ছবি - tbsnews.net

ব্যবসা-বাণিজ্য সহ আরও নানা কারনে বিশ্বের প্রধান দুই অর্থনৈতিক পরাশক্তির মাঝে এমনিতেই অর্থনৈতিক প্রতোযোগীতা তথা রশি টানাটানি চলছে বিগত কয়েক বছর ধরে। (" ট্রাম্প - চীন বাণিজ্য যুদ্ধ এবং চায়না ডি-কাপলিং প্রক্রিয়া" - কার লাভ কার ক্ষতি?) লিংক - Click This Link , তার সাথে ২০২২ সালে তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির উসকানিমূলক সফরের পর থেকেই তাইওয়ান নিয়ে আমেরিকা-চীনের মাঝে
সত্যিকারের যুদ্ধ আবহ তৈরী হয়। এর ফলে অনেক নীতিনির্ধারক তাইওয়ানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের আশঙ্কার কথা বলছেন এবং ২০২৩ সালের পুরো বছর জুড়েই আমেরিকা-চীন-তাইওয়ানের মাঝে এ বিষয়ে উত্তেজনা বিরাজ করেছে। যদিও চীন কোনোভাবেই প্রয়োজন সাপেক্ষে বলপ্রয়োগ করে তাইওয়ানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার লক্ষ্য পরিত্যাগ করেনি তবে এটিও ঠিক যে, বেইজিং আগামী অন্তত কয়েক বছরের মধ্যে তাইওয়ানের বিরুদ্ধে এমন আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নেবে না বলেই মনে হয়। অন্যদিকে আমেরিকা-চীন যাই বলুক না কেন বাস্তবে তাইওয়ানকে নিয়ে সামরিক সংঘর্ষে জড়ানো চীন বা যুক্তরাষ্ট্রের কারোরই আগ্রহ আছে বলে মনে হয়না। তবে একটি দুর্ঘটনার ফলে দুই দেশ একটি বড় ধরনের বিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারে - এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এটি উল্লেখযোগ্য যে তাইওয়ান এবং এর আশপাশে নিজের সামরিক মহড়ার সময় চীন প্রণালিতে মধ্যম রেখা অতিক্রম এড়াতে চীন সতর্কতা অবলম্বন করেছে এবং আমেরিকাও ১৯৭৯ সালের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত "এক চীন নীতি"র প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি কাগজে কলমে রক্ষা করে চলছে। "এক চীন" নীতির অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনের এই অবস্থান স্বীকার করে যে, তাইওয়ান চীনের অংশ কিন্তু স্ব-শাসিত দ্বীপটির ওপর বেইজিংয়ের দাবিকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি। লিংক - Click This Link


ছবি - istockphoto.com

তারপরেও কোন কারনে তাইওয়ান নিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের যদি যুদ্ধ হয়, তাহলে যুদ্ধে তাইওয়ানের পরিস্থিতি হবে ভয়াবহ। তাইওয়ান ধ্বংস হয়ে যাবে। কারন - "একবার যুদ্ধ শুরু হলে চীনকে টপকিয়ে তাইওয়ানে কোনো বিদেশী সেনা বা সরঞ্জাম পাঠানো অসম্ভব হবে। তাই তাইওয়ানিজরা যুদ্ধে নামলে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে অস্ত্র এবং সেনা থাকবে - তা দিয়েই লড়তে হবে। নতুন কিছু যুক্ত হবে না। ফলে তারা নিশ্চিত পরাজিত হবে। যুদ্ধে "চীনও প্রচন্ড ক্ষতিগ্রস্ত হবে এর নৌবাহিনী নড়বড়ে হয়ে যাবে। চীনের আধুনিক নৌবাহিনী, যা বিশ্বের বৃহত্তম, পুরো বিধ্বস্ত হয়ে পড়বে এবং উভচর বাহিনীর মূল অংশ ভেঙে পড়তে পারে ও হাজার হাজার সেনা যুদ্ধবন্দি হতে পারে। অন্যদিকে, যুদ্ধে যদি যুক্তরাষ্ট্র বিজয়ী হয়ও তারপরও এই যুদ্ধ তাদেরকে পরাজিত চীনা বাহিনীর মতোই পঙ্গু করে দিতে পারে। যুদ্ধেশেষে কমপক্ষে দুটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে পড়ে থাকবে । এসব আমেরিকা-চীন দু পক্ষই বুঝে , আর তাইতো যুদ্ধের আশংকা থাকলেও কেউ যুদ্ধে জড়াতে চায়না। লিংক - Click This Link




ছবি - nrc.no/news

৪। আফগানিস্তানের অথনৈতিক সংকট ও বিভিন্ন দেশ থেকে শরনার্থীদের ফেরতে দিশেহারা-

আমেরিকা ও পশ্চিমা বিশ্ব আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার পর নানাবিধ সমস্যাকে সংগী করে সেদেশের ক্ষমতায় আরোহন করে তালেবানরা।" বৈদেশিক সাহায্য বন্ধ ও বৈদেশিক রির্জাভ আটক এবং আফিম চাষ বন্ধ " কিভাবে বের হবে তালেবানরা এ অর্থনৈতিক সংকট থেকে ? লিংক - Click This Link । সমস্যার সাগরে হাবু-ডুবু খাওয়া আফগানে বিদায়ী বছর আফগানিস্তানে তুলনামূলকভাবে রাজনৈতক সহিংসতা কম হলেও এখন পর্যন্ত তালেবান সরকারকে বাকী বিশ্ব কর্তৃক স্বীকৃতি না দেয়ায় আন্তর্জাতিক সাহায্য কিংবা অর্থনৈতিক সহায়তা না থাকায় আর্থিক সংকটের কারনে দারিদ্র্যপীড়িত দেশটির আর্থসামাজিক পরিবেশে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি।(তালেবানদের আফগান শাসনের রোডম্যাপ (ইশতেহার) প্রকাশ । কোন পথে এবং কতদূর নিয়ে যেতে চাচ্ছে তালেবানরা আফগানিস্তানকে ?) লিংক - Click This Link , এরই মাঝে পাকিস্তান নিজেদের অর্থনৈতিক সংকটের কারনে ও নানা বিষয়ে তালেবান প্রশাসনের সাথে মতবিরোধের কারনে সে দেশে অবস্থানরত আফগান শরনার্থীদের দেশে ফেরত পাঠানোতে তা তালেবান ও আফগানদের জীবনে মরার উপর খাড়ার ঘা হিসাবে আর্বিভূত হয়েছে। আফগানিস্তানে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে চলছে রাজনৈতিক অস্থিরতা। বিভিন্ন সময় ধরে পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়েছিল প্রচুর আফগান শরণার্থী। ১৯৭৯-৮৯ পর্যন্ত সোভিয়েত দখলদারির সময়ে আফগানিস্তানের প্রায় ১৭ লক্ষ বাসিন্দা চলে আসেন পাকিস্তানে। ২০২১ সালে ফের তালেবানরা ক্ষমতা দখল করতেই প্রায় ৫ লক্ষ আফগান চলে আসেন পাকিস্তানে। এদের মধ্যে অনেকেরই বৈধ কাগজ ছিল না। তাঁদেরই এ বার ফেরত পাঠাচ্ছে পাকিস্তান। লিংক - Click This Link


ছবি - roar.media

৫। ভূরাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জাপানের আবির্ভাব -

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হারার পর জাপান বেসামরিক নীতি গ্রহন করে আর তাই বতর্মানে জাপানের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে সামরিক বাহিনীকে স্বীকৃতি দেয় না। সংবিধান অনুযায়ী - দেশটিতে নামমাত্র আত্মরক্ষামূলক সেনাবাহিনী থাকতে পারবে। তারপর থেকে সামরিক শক্তি বাড়ানোর দিকে নজর ছিল না জাপানে এবং সুদীর্ঘ সময় এই খাতে বড় কোনো বিনিয়োগও করেনি তারা কিন্তু রাশিয়া কর্তৃক ইউক্রেন আক্রমণের কারনে পরিস্থিতি পাল্টেছে। সামরিক শক্তি বাড়াতে ৩২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। এতে ক্ষেপণাস্ত্রে ক্ষমতাধর হয়ে উঠবে জাপান, যা চীনে আঘাত হানতে সক্ষম। এ ব্যাপারে জাপানের পক্ষ থেকে বলা হচছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর নানা আশঙ্কা থেকে তারা সামরিক খাতে ব্যয় বাড়াচ্ছে। জাপান সরকার তার জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল ঢেলে সাজিয়ে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা করেছে। সরকার বলেছে, আন্তর্জাতিক বাস্তবতায় এখন যে হুমকি সৃষ্টি হয়েছে, তা ঠেকাতে তারা নানা পদক্ষেপ নেবে। এর মধ্যে রয়েছে খুচরা যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র মজুত, সামরিক রসদ ও সাইবার যুদ্ধের সক্ষমতা বৃদ্ধির মতো নানা বিষয়। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্য মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করবে জাপান।জাপানের সামরিক খাতে ব্যয় বাড়ানোর বিষয়টিতে সমর্থন জানিয়েছে সাধারণ মানুষ। বেশ কিছু জরিপে দেখা গেছে, ৭০ শতাংশ জাপানি নাগরিক এতে সমর্থন দিয়েছেন। লিংক - Click This Link


ছবি - roar.media

আর তাই ২০২৩ সালের অন্যতম ঘটনা হলো প্রধান ভূরাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জাপানের আবির্ভাব। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ১.৫ শতাংশে সংশোধিত হয়েছে এবং প্রতিরক্ষা ব্যয় এখন দ্বিগুণ হওয়ার পথে, যা জিডিপির ২ শতাংশে গিয়ে দাড়াতে পারে এবং এ অঞ্চলের সবচেয়ে সক্ষম সামরিক বাহিনীর মালিক জাপান তাইওয়ানের বিরুদ্ধে চীনা আগ্রাসন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ঘোষনা দিয়েছে। লিংক - Click This Link




ছবি - বিবিসি বাংলা

৬। বছর জুড়েই উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা নিয়ে দক্ষিন কোরিয়া-জাপান-আমেরিকা সহ উদ্বেগে ছিল সারা বিশ্ব -

উত্তর কোরিয়া ২০২২ সালে পরমাণু সক্ষমতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ঘটিয়েছে এবং এ সালেই উত্তর কোরিয়া নিজেকে একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে ঘোষণা করে। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন এরপর তাঁর দেশের সামরিক বাহিনীকে একটি ‘প্রকৃত যুদ্ধের’ প্রস্তুতির জন্য মহড়া জোরদারের নির্দেশ দেন এবং ঘন ঘন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করা ছাড়াও উত্তর কোরিয়া যে কোন সময়ই প্রায় নিশ্চিতভাবেই সপ্তমবারের মতো পারমাণবিক পরীক্ষা চালাবে। সবার এ ধারনা প্রমাণ করতেই যেন গত ১৮/১২/২০২৩ সোমবার উত্তর কোরিয়া হোয়াসং এইটিন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে। এতে মনে হচ্ছে দেশটি শীঘ্রই একটি পারমাণবিক সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পেতে যাচ্ছে যা যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো অংশে আঘাত হানতে সক্ষম হবে। এ ব্যাপারে দেশটির নেতা কিম জং উন বলেন, "সোমবারের সবচেয়ে শক্তিশালী আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র" পরীক্ষা দেশের পারমাণবিক কৌশলগত শক্তির নির্ভরযোগ্যতা প্রদর্শন করেছে। তিনি আরও বলেন, "উস্কানি দিলে পিয়ংইয়ং পাল্টা আঘাত করতে দ্বিধা করবে না"। এটি সর্বোচ্চ ছয় হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছেছে এবং এক হাজার কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করেছে। বিশ্লেষকরা বলেন, এটি পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র বহন করতে সক্ষম এবং যদি এটি স্বাভাবিক গতিপথে নিক্ষেপ করা হয় তবে এটির ব্যাপ্তি পনেরো হাজার কিলোমিটারের বেশি হতে পারে-যা যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো অংশে আঘাত করার জন্য যথেষ্ট।লিংক - Click This Link

দক্ষিণ কোরিয়া বা যুক্তরাষ্ট্র কিংবা জাতিসংঘের নানা রকম নিষেধাজ্ঞা-হুমকি কোন কিছুতেই পরোয়া না করে উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা এবং মিসাইল প্রযুক্তির উন্নয়ন বন্ধ করেনি এবং তারা কেউই তাকে এই ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করতে সক্ষম হবে বলে মনে হয়না। উত্তর কোরিয়া ২০২২ সালের অক্টোবরে পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম ২টি দূরপাল্লার কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করেছে। এসময় উত্তরের সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা প্রত্যক্ষ করেন বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ এবং এও বলেছিল কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র পরিচালনার জন্য কোরিয়ান পিপলস আর্মিতে মোতায়েন করা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের "লড়াই দক্ষতা এবং শক্তি বৃদ্ধি" করার লক্ষ্যে বুধবার অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষা। লিংক -
১। Click This Link
২। https://www.bbc.com/bengali/news-58758058
৩। https://www.bbc.com/bengali/news-39606873

এদিকে উত্তর কোরিয়ার প্রতি ওয়াশিংটন তার সতর্কবার্তা পুনর্ব্যক্ত করে বলেছে, "যুক্তরাষ্ট্রে যেকোনো পারমাণবিক হামলার ফলে কিম সরকারের অবসান হবে"। যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক পরামর্শমূলক গ্রুপের একটি যৌথ বিবৃতিতে আরো নিশ্চিত করা হয়েছে, "দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর পিয়ংইয়ংয়ের যেকোনো পারমাণবিক আক্রমণ দ্রুত-অপ্রতিরোধ্য ও সিদ্ধান্তমূলক প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে মোকাবেলা করা হবে"।মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত এপ্রিল মাসে একই রকম জোরালো শব্দে সতর্কবার্তা জারি করে বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়ার যেকোনো পারমাণবিক হামলা পিয়ংইয়ং সরকারের জন্য ‘পরিণাম’ হবে।

চিত্র-বিচিত্র -




ছবি - pixels.com

১। সুইজারল্যান্ডে গরুর গলায় ঘণ্টা থাকবে কি না, গণভোটে সিদ্ধান্ত -

সবুজ চারণভূমিতে গরুর পাল ঘাস খাচ্ছে। তাদের গলায় ঝোলানো ঘণ্টা সারাক্ষণই টুংটাং করে বাজছে। এটি সুইজারল্যান্ডের অন্যতম একটি প্রতীক। তবে সবারই যে ঐতিহ্যবাহী এই প্রথা ভালো লাগে, বিষয়টি এমন নয়।

চলতি বছরের শুরুর দিকে মধ্য সুইজারল্যান্ডের আরওয়ানগেন গ্রামে এ নিয়ে অভিযোগ দায়ের হয়। সেখানে বলা হয়, একটি আবাসিক এলাকার পাশের মাঠে ১৫টি গরু রাতভর থাকে। এদের গলায় বাঁধা ঘণ্টার শব্দে রাতে ঘুমানো দায়। মাঠের পাশে ভাড়ায় থাকা অ্যাপার্টমেন্টের দুই জোড়া দম্পতি মাঠের ওই গরুগুলোর গলায় থাকা ঘণ্টা যাতে কৃষক রাতের বেলা সরিয়ে নেন, সে জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। কিন্তু ঘণ্টার ঐতিহ্যবাহী ব্যবহার রক্ষায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। এ নিয়ে তাঁরা ভোটের দাবি তোলেন। অভিযোগটি সুইজারল্যান্ডের প্রত্যক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অধীনে তুলে ধরতে অভিযোগের পক্ষে গ্রামের মোট বাসিন্দাদের ১০ শতাংশের সমর্থন দরকার ছিল। গ্রামের মোট ৪ হাজার ৮০০ বাসিন্দা।


ছবি - pixels.com

উল্টো গ্রামবাসীরা "বেল ইনিশিয়েটিভ" - এর পক্ষে অর্থাৎ গরুর গলায় ঘণ্টা বাঁধার পক্ষে ১ হাজার ৯৯ গ্রামবাসীর সই সংগ্রহ করেছেন। সেখানে বলা হয়, গরুর গলায় সব সময় ঘণ্টা বেঁধে রাখার অধিকার কৃষকদের আছে। পরে গত সোমবার সন্ধ্যায় এই উদ্যোগ আনুষ্ঠানিকভাবে পৌরসভা পরিষদে তুলে ধরা হয়। এ নিয়ে আগামী বছরের জুনে ভোটাভুটি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগে নেতৃত্বদানকারী একজন চিকিৎসক আন্দ্রেস বাউম্যান বলেন, বৈঠকে থাকা ১৬৬ জনের মধ্যে মাত্র ৪ জন গরুর গলায় ঘণ্টা বাঁধার বিরোধিতা করেছিলেন। লিংক - Click This Link




ছবি - msn.com

২। অবিশ্বাস্য প্রযুক্তি, গরুর গোবর দিয়ে উড়ল রকেট -

গোবর দিয়ে উড়বে রকেট! :P তাও গরু-গোবরের দেশ ভারতে নয়। বিজ্ঞানের 'বিশ্বগুরু' হল এই দেশ.......জাপান।

মহাকাশ প্রেমীদের জন্য একটি আশ্চর্যজনক খবর নিয়ে এসেছে জাপান। সেদেশে ইন্টারস্টেলার টেকনোলজিস নামে একটি স্টার্টআপ কোম্পানি ভবিষ্যতের মহাকাশ ভ্রমণের জন্য যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে। গোবর (জৈব সার) থেকে প্রাপ্ত মিথেন গ্যাস ব্যবহার করে হক্কাইডো স্পেসপোর্টে ১০ সেকেন্ডের জন্য সফলভাবে একটি রকেট ইঞ্জিন নিক্ষেপ করেছে। ঐতিহাসিক এই পরীক্ষার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। সেই ভিডিও বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। গোবর দিয়েও যে রকেট ওড়ানো যায়, সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে বিশ্বজুড়ে। এই আকর্ষণীয় এবং সফল পরীক্ষাটি কেবলই একটি মজার বিজ্ঞান পরীক্ষা নয় বরং ভবিষ্যতের মহাকাশ অনুসন্ধানের দিকে এটিকে একটি বিশাল পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে।

প্রচলিত রকেট জ্বালানি প্রচুর পরিমাণে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত করে। কিন্তু গোবর জ্বালানি এক্কেবারেই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক নয়, এমনকি মহাকাশ ভ্রমণের পরিবেশগত প্রভাবকেও কমিয়ে দেবে। তার থেকেও বড় কথা হল গরুর গোবর ঐতিহ্যবাহী জ্বালানি বিকল্পগুলোর তুলনায় সস্তা এবং আরও সহজলভ্য জ্বালানির উৎস। এই প্রযুক্তি একটি বর্জ্য পণ্যকে মূল্যবান সম্পদে পরিণত করবে। লিংক -
১। Click This Link
২। Click This Link


ছবি - bbc.com

৩। এভাবেও সন্তানের জন্ম দেওয়া সম্ভব! -

কেবল বিপরীত লিঙ্গের মিলনে ও মাতৃগর্ভে সন্তানের জন্ম সম্ভব (" মাতৃগর্ভ (জরায়ু) "- সৃষ্টিকর্তার এক অপার রহস্যময় সৃষ্টি ,মানব জীবনের সৃষ্টির শুরুটা যেখানে।) লিংক - Click This Link ,প্রচলিত সেই ধারণা বিজ্ঞান ভেঙে গিয়েছে অনেক আগেই। সন্তান জন্মের বিষয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা দীর্ঘ দিন ধরেই চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষকেরা এবং দেখিয়েছেন সমলিঙ্গ সম্পর্কেও সন্তানের জন্ম দেওয়া সম্ভব। বিজ্ঞানই দেখিয়েছে - শুধু নারী নয়, বিশেষ প্রক্রিয়ায় পুরুষের গর্ভেও সন্তানধারণ সম্ভব। টেস্টটিউব বেবি থেকে শুরু করে সারোগেসি, জন্মের নানা বিকল্প পদ্ধতিও এরই মাঝে এসেছে এবং মানুষ তাতে অভ্যস্তও হয়েছে। বেড়েছে পদ্ধতিগুলোর জনপ্রিয়তা।(মানুষের জন্ম প্রক্রিয়ার ইতিকথা -") লিংক - Click This Link কিন্তু সম্প্রতি বিজ্ঞানের এমন এক আবিষ্কারের কথা জানা গেছে, যা জন্মের কৌশল একেবারে উল্টে-পাল্টে দিতে চলেছে। সন্তানধারণের জন্য যে ন্যূনতম শর্ত প্রয়োজন, তাকেও নস্যাৎ করে দিচ্ছে এই নতুন আবিষ্কার। How to Get Pregnant Without Having Sex? লিংক -
Click This Link

বিজ্ঞানীরা "ইন ভার্টো গ্যামেটোজেনেসিস" (লিংক - Click This Link ) নামের এক পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন। এই পদ্ধতিতে নাকি সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য পুরুষের ডিম্বাণু এবং নারীর শুক্রাণু তৈরি করে ফেলা সম্ভব! পুরুষ এবং নারীর দেহের ভিতরেই বিশেষ পদ্ধতিতে ডিম্বাণু এবং শুক্রাণু তৈরি সম্ভব। এ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে ‘স্টেম সেল সায়েন্স’। যা বদলে দিতে পারে মানব সভ্যতার ভবিষ্যৎ ।কীভাবে কাজ করে এই বিজ্ঞান? গবেষকদের দাবি, মানবদেহের ত্বকের বিভিন্ন কোষকে প্রশমিত করে ডিম্বাণু এবং শুক্রাণু তৈরি করা যায়। এর ফলে যেকোনও বয়সে সন্তান ধারণ করতে পারবেন যে কেউ। ‘ইন ভার্টো গ্যামেটোজেনেসিস’-এর জন্য প্রয়োজন ‘প্লুরিপোটেন্ট স্টেম সেল’। ভ্রুণের প্রাথমিক পর্যায়ে এই কোষ থাকে। স্টেম সেল তৈরিতে তাই ভ্রুণ প্রয়োজন। প্রাপ্তবয়স্ক নর বা নারীর দেহের কোষকেও বিশেষ উপায়ে প্রাক-প্রসব দশার কোষে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় বলে দাবি বিজ্ঞানীদের। তারপর সেই কোষ দিয়ে শুক্রাণু কিংবা ডিম্বাণু তৈরি সম্ভব।

এই পদ্ধতিতে কোনও নারী একাই নিজস্ব শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু দিয়ে সন্তানধারণ করতে পারেন। একইভাবে পুরুষও নিজের শুক্রাণু এবং নিজ দেহে তৈরি ডিম্বাণু দিয়ে সৃষ্টি করতে পারেন নতুন প্রাণ-এমনটাই দাবি বিজ্ঞানীদের। তবে উভয় ক্ষেত্রেই কিন্তু আলাদা সারোগেট বা গর্ভধারণকারী প্রয়োজন। শুক্রাণু এবং ডিম্বাণুর মিলনে এই পদ্ধতিতে যে ভ্রুণ তৈরি হবে, তা ধারণ করতে হবে আলাদা কোনও গর্ভে।তবে এই পদ্ধতি এখনও চালু হয়নি। মানুষের দেহে এখনও তা প্রয়োগ করেও দেখেননি বিজ্ঞানীরা। তবে প্রাণীর দেহে ‘ইন ভার্টো গ্যামেটোজেনেসিস’-এর একাধিক প্রয়োগ সফল হয়েছে।লিংক -
১। Click This Link
২। Click This Link



ছবি - dailymail.co.uk

৪। মনের কথা পড়তে সক্ষম হেলমেট বানাল বিজ্ঞানীরা! -

ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি সিডনি’র ‘গ্রাফেনেক্স-ইউটিএস হিউম্যান-সেন্টার আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স সেন্টার’ একটি বহনযোগ্য ডিভাইস তৈরি করেছে। তাদের দাবি, এই ডিভাইস মানুষের মনের চিন্তা পাঠ করতে পারবে। পাশাপাশি সেই চিন্তাকে টেক্সটেও (অক্ষর) পরিণত করতে পারবে। এরকম উদ্ভাবন বিশ্বেই প্রথম বলে দাবি করছে গবেষকরা। এই উদ্ভাবন আহত ও নানা রোগে বাকশক্তি হারানো মানুষদের জন্য নতুন দুয়ার উন্মোচন করবে বলেও দাবি করছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা। এর মাধ্যমে প্যারালাইসিস অথবা স্ট্রোকে আক্রান্ত মানুষরা অন্যের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে। এটা মেশিন ও মানুষের মাঝেও নিবিড় যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


ছবি - dailymail.co.uk

মানুষের মাথায় পরিয়ে দেওয়া হবে এই বিশেষ হেলমেট। এসময় মাথার নানা কার্যক্রম বিশেষ করে মস্তিষ্ক-তরঙ্গ সনাক্ত করে মানুষের ভাবনা অনুধাবন করবে বিশেষ মেশিনটি। আর সেই সংকেতকেই অক্ষরে পরিণত করবে বিশেষ প্রক্রিয়ায়। কয়েক ব্যবহারকারীর ওপর চালানো পরীক্ষায় দেখা গেছে তারা এই ডিভাইস ব্যবহার করে প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবেই দিতে পারছেন। তবে এই মেশিন সবার জন্য উন্মুক্ত করতে আরো অনেকটা সময়ের দরকার বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। আর অন্যান্য গবেষকরাও বলছেন, এই জন্য আরো অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা দরকার। এখনই এর সফলতা বা ব্যর্থতা নিয়ে কথা বলার সময় আসেনি। লিংক -
১। Click This Link
২। Click This Link
৩। Click This Link



ছবি - ts2.space

৫। আট মাস পর পাওয়া গেল মহাকাশে হারিয়ে যাওয়া টমেটো -

আট মাস আগে মহাকাশে হারিয়ে যাওয়া দু’টি টমেটো হঠাৎ করেই খুঁজে পেয়েছেন মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা।
মহাকাশে ঘুরতে ঘুরতে আবার ওই দুই টমেটো বিজ্ঞানীদের নজরে এসেছে। সেগুলি নষ্ট হয়নি। কেমন আছে, তার একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে নাসার তরফে। তাতে দেখা গিয়েছে, টমেটো দু’টি সামান্য চ্যাপ্টা হয়ে গেছে। গোল অবস্থায় আর নেই। এ ছাড়া, টমেটোর ভিতরের রসও প্রায় সবটাই শুকিয়ে গিয়েছে। তবে আট মাস থাকার পরেও কোনও ভাবে নষ্ট হয়নি টমেটো দুইটি। তার মধ্যে কোনও ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাসের জন্ম হয়নি,ফলে পচনও ধরেনি।


ছবি - ts2.space

নাসা জানিয়েছে, ফ্র্যাঙ্ক রুবিয়ো নামের এক মহাকাশচারী মহাকাশে টমেটো নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করছিলেন। তিনি মাটি ছাড়াই মহাকাশে উদ্ভিদের জন্ম এবং বেড়ে ওঠার বিষয়টি নিয়ে কাজ করছিলেন। সেখানেই ফলিয়েছিলেন অনেক টমেটো। তার মধ্যে থেকে দু’টি হারিয়ে গিয়েছিল। নাসা মজার ছলে জানিয়েছে, টমেটো দু’টি হারিয়ে যাওয়ায় মনে করা হয়েছিল, সংশ্লিষ্ট মহাকাশচারী হয়তো সেগুলি খেয়ে নিয়েছেন। কিন্তু টমেটোগুলি খুঁজে পাওয়ায় সেই ধারণা ভুল বলে প্রমাণিত হল। লিংক -
১। Click This Link
২। Click This Link
৩। Click This Link


বছরের সেরা কিছু ছবি -

বিশ্ববিখ্যাত সাময়িকী ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক প্রতিবছর প্রাণ-প্রতিবেশ, পৃথিবী, বন্য প্রাণী, বিজ্ঞান, সমুদ্র থেকে শুরু করে অভিযান, মহাকাশ, ভ্রমণসহ নানা বিষয়ে শ্বাসরুদ্ধকর ছবি প্রকাশ করে। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের নানা অভিযান ও অভিযাত্রায় যুক্ত আলোকচিত্রীদের তোলা ২০২৩ সালের সেরা সব ছবি নিয়ে ‘পিকচার অব দ্য ইয়ার’ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখান থেকে কয়েকটি ছবি -




Underwater Experiments Continued-Wonderful New Photos of Jellyfish by Alexander Semenov

১। ভিনগ্রহের ফুলের খোঁজে -

সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী আলেক্সান্ডার সেমেনভের তোলা বিশেষ ধরনের জেলিফিশের ছবিটি এবারের তালিকায় সবচেয়ে আলোচিত। সিংহের কেশরের মতো দেখতে জেলিফিশ লায়ন মেন জেলিফিশ হিসেবে পরিবিত। এই জেলিফিশ আর্কটিক সমুদ্রের রানি হিসেবে আলোচিত। আলেক্সান্ডার সেমেনভ যখন ছবিটি তোলেন, তখন জেলিফিশটি জীবনের শেষ সময় বা মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছিল। এই সময়ে জেলিফিশ আকারে সংকুচিত হয়ে যায়। দেখতে ফুলের মতো মনে হয় তখন। সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী আলেক্সান্ডার সেমেনভের ভাষ্যে তখন জেলিফিশকে এলিয়েন ফ্লাওয়ার বা ভিনগ্রহের ফুল মনে হয়। এই জেলিফিশ দৈত্যাকার জেলিফিশ, আর্কটিক রেড জেলিফিশ বা হেয়ার হেলি নামেও আলোচিত। প্রশান্ত সাগরের উত্তর অংশে এদের বেশি দেখা যায়। মাত্র ১২ মাসের আয়ুষ্কাল এদের। সমুদ্রের ওপরের দিকে এদের বেশি দেখা যায়। লিংক -
১। Click This Link
২। Click This Link







ইতালির ফ্রাসসি গুহায় এই ছবি তোলা হয় কারস্টেন পিটার/ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক

২। বিষাক্ত জলে, প্রাণের খোঁজে -

আরেকটি আলোচিত ছবি তুলেছেন কারস্টেন পিটার। ইতালির ফ্রাসসি গুহায় এই ছবি তোলা হয়। ছবিতে দেখা যায় তিনজন অভিযাত্রী ক্যাভার ভ্যালেন্টিনা মারিয়ানি, কেনি ব্রড ও নাদির কোয়ার্টা অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইতালির ফ্রাসসি গুহার লাগো ভার্দে নামের হ্রদের অন্ধকার আর বিষাক্ত জলে ডুব দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা। এই গুহায় সূর্যালোক প্রবেশ করে না। সূর্যালোকের অভাবে বিশেষ ধরনের বাস্তুতন্ত্র দেখা যায় এখানে। অপরিচিত এক দুনিয়ার আভাসে অভিযাত্রীরা রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা করছেন। গভীর ভূগর্ভে বসবাসকারী জীবাণু বা প্রাণ ভূপৃষ্ঠে আমরা যা দেখি, তার চেয়ে আলাদা। তাদের জীবনযাত্রা ভিন্ন। পৃথিবী প্রথম দিকে যেমন ছিল, তেমন পরিবেশের আবহ সেখানে দেখা যায়। কম অক্সিজেন আর সূর্যের আলোর অভাবে কীভাবে প্রাণের সন্ধান পাওয়া যায়, তার রহস্য উন্মোচনের এই ছবি এবারের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। লিংক - Click This Link




ডেভিড ডাবিলেট/ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক

৩। জেব্রা হাঙরের সন্ধানে -

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে শেড অ্যাকুয়ারিয়ামের অবস্থান। এখানে ৭ ফুট লম্বা জেব্রা হাঙরের দেখা মেলে। এই হাঙর বিলুপ্তির পথে, যে কারণে প্রাকৃতিক পরিবেশে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। ডেভিড ডাবিলেট এই ছবি তুলেছেন। ইন্দো–প্যাসিফিক অঞ্চলে এই হাঙরের দেখা মেলে। গড়ে পানির ৬২ মিটার নিচে এদের দেখা মেলে। দৈর্ঘ্যে প্রায় ৮ ফুট ২ ইঞ্চি এই হাঙর। এটি প্রকৃতিতে নিশাচর হয়। সমুদ্রে দিনের বেলায় আলস্যে দিন কাটায় আর রাত হলেই শিকারির রূপ ধারণ করে। লিংক -
১। Click This Link
২। Click This Link

৪। মৃত কোষে প্রাণের সঞ্চার -




Max Aguilera-Hellweg

মস্তিষ্কের কোষ নিয়ে অনেক রহস্য এখনো উন্মোচিত হয়নি। মস্তিষ্কের এক অংশের সঙ্গে অন্য অংশের যোগাযোগের কৌশল নিয়ে নানা ধরনের গবেষণা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা মৃত মস্তিষ্কের কোষকে সক্রিয় করার কৌশল আয়ত্ত করেছেন। সেই গবেষণার একটি ছবি তুলেছে ম্যাক অ্যাগুইলেরা-হেলেউইগ। লিংক -
১। Click This Link
২। Click This Link






PHOTOGRAPHS BYRENAN OZTURK

৫। লাভা হ্রদের খোঁজে -

দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে তোলা আরেকটি ছবি তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। আগ্নেয়গিরি–বিশেষজ্ঞ ও পর্বতারোহীরা দক্ষিণ স্যান্ডউইচ দ্বীপপুঞ্জের দূরবর্তী আগ্নেয়গিরি মাউন্ট মাইকেলে প্রায় অভিযান পরিচালনা করেন। সফলভাবে সেই আগ্নেয়গিরিতে প্রথমবারের মতো আরোহণ করেন অভিযাত্রীরা। পৃথিবীতে যে কয়েকটি লাভা হ্রদ আছে, তার মধ্যে একটির অবস্থান এখানে। সেই অভিযানের ছবি তুলেছেন রেনান ওজতুর্ক। এই আগ্নেয়গিরির উচ্চতা ৮৪৩ মিটার। ১৭৭৫ সালে অভিযাত্রী জেমস কুক এই আগ্নেয়গিরির খোঁজ পান। ২০১৯ সালে এই আগ্নেয়গিরিতে লাভা হৃদের খোঁজ মেলে। সারা পৃথিবীতে মাত্র আটটি আগ্নেয়গিরিতে এমন হ্রদের দেখা মেলে। লিংক -
১। Click This Link
২। Click This Link


ছবি - happyeventday.com

নানা ঘটনা-দূর্ঘটনা,আশা-নিরাশার মাঝে বিদায় নিতে যাচছে ২০২৩ সাল । দেশ-দুনিয়া অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে নতুন বছর ২০২৪ সালকে বরণের জন্য। তার সাথে সাথে আশায় আছে নতুন বছর ভাল এবং নতুন কিছু নিয়ে আসবে আমাদের সবার জন্য।আর তাই সবার সাথে আমিও জানাই, স্বাগতম - ২০২৪

=================
তথ্যসূত্র ও সহযোগীতায় -

১। বিশ্ব জুড়ে ২০২৩-এর আলোচিত ১০ ঘটনা - https://www.ittefaq.com.bd/671540/
২। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকে ২০২৩ সালের সেরা ছবি - Click This Link
৩। কবিতা - Click This Link

============================================
পূর্ববর্তী পোস্ট

৩। "বিদায় সাল ২০২২ এবং সাদর সম্ভাষণ ২০২৩" - Click This Link
২। "ফিরে দেখা - সাল ২০২১ " - Click This Link
১। "ফিরে দেখা - সাল ২০২০ " - Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৫:২১
১১টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আবারও রাফসান দা ছোট ভাই প্রসঙ্গ।

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ১৮ ই মে, ২০২৪ ভোর ৬:২৬

আবারও রাফসান দা ছোট ভাই প্রসঙ্গ।
প্রথমত বলে দেই, না আমি তার ভক্ত, না ফলোয়ার, না মুরিদ, না হেটার। দেশি ফুড রিভিউয়ারদের ঘোড়ার আন্ডা রিভিউ দেখতে ভাল লাগেনা। তারপরে যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

মসজিদ না কী মার্কেট!

লিখেছেন সায়েমুজজ্জামান, ১৮ ই মে, ২০২৪ সকাল ১০:৩৯

চলুন প্রথমেই মেশকাত শরীফের একটা হাদীস শুনি৷

আবু উমামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইহুদীদের একজন বুদ্ধিজীবী রাসুল দ. -কে জিজ্ঞেস করলেন, কোন জায়গা সবচেয়ে উত্তম? রাসুল দ. নীরব রইলেন। বললেন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আকুতি

লিখেছেন অধীতি, ১৮ ই মে, ২০২৪ বিকাল ৪:৩০

দেবোলীনা!
হাত রাখো হাতে।
আঙ্গুলে আঙ্গুল ছুঁয়ে বিষাদ নেমে আসুক।
ঝড়াপাতার গন্ধে বসন্ত পাখি ডেকে উঠুক।
বিকেলের কমলা রঙের রোদ তুলে নাও আঁচল জুড়ে।
সন্ধেবেলা শুকতারার সাথে কথা বলো,
অকৃত্রিম আলোয় মেশাও দেহ,
উষ্ণতা ছড়াও কোমল শরীরে,
বহুদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ক- এর নুডুলস

লিখেছেন করুণাধারা, ১৮ ই মে, ২০২৪ রাত ৮:৫২



অনেকেই জানেন, তবু ক এর গল্পটা দিয়ে শুরু করলাম, কারণ আমার আজকের পোস্ট পুরোটাই ক বিষয়ক।


একজন পরীক্ষক এসএসসি পরীক্ষার অংক খাতা দেখতে গিয়ে একটা মোটাসোটা খাতা পেলেন । খুলে দেখলেন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্প্রিং মোল্লার কোরআন পাঠ : সূরা নং - ২ : আল-বাকারা : আয়াত নং - ১

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১৮ ই মে, ২০২৪ রাত ১০:১৬

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আল্লাহর নামের সাথে যিনি একমাত্র দাতা একমাত্র দয়ালু

২-১ : আলিফ-লাম-মীম


আল-বাকারা (গাভী) সূরাটি কোরআনের দ্বিতীয় এবং বৃহত্তম সূরা। সূরাটি শুরু হয়েছে আলিফ, লাম, মীম হরফ তিনটি দিয়ে।
... ...বাকিটুকু পড়ুন

×